ঢাকা , সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নির্বাচনে সুযোগ পেলে বাকি জীবন দিয়ে মানুষের ঋণ পরিশোধ করব: নাহিদ ইসলাম রাজনীতিতে সওয়ার হওয়া দুই ভূতকে বিতাড়িত করার আহ্বান মামুনুল হকের তারেক রহমানকে অমানবিক নির্যাতন করেছিল ডিজিএফআই: সাবেক সেনাপ্রধান এলাকার সন্তান হিসেবে সবার কাছে ধানের শীষে ভোট চাই: তারেক রহমান জামায়াতের নিবন্ধন ও আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চাইলেন নারী নেত্রীরা: সিইসিকে স্মারকলিপি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দিয়ে আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন: মির্জা আব্বাস আমি পার্ট টাইম শিক্ষিকা, ফুল টাইম রাজনীতিবিদ: ট্রলের জবাবে ঢাবি শিক্ষিকা  নিউ ইয়র্কবাসীকে মহানবীর হিজরতের গল্প শোনালেন মেয়র মামদানি মুফতি আমির হামজা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা বিজয় নিয়েই ঘরে ফিরব: নাহিদ ইসলাম

মানবতাবিরোধী অপরাধ: জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড রিভিউয়ের রায় আজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪২:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনের রায় আজ (মঙ্গলবার, ২৭ মে) ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ। সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করবেন। রায় ঘোষণার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের কার্যতালিকার শীর্ষে রাখা হয়েছে।

এই মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে জামায়াতে ইসলামীর লাখো নেতাকর্মী। এর আগে গত ৮ মে আপিল বিভাগে শুনানি শেষ হয়। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর আপিল বিভাগ এটিএম আজহারের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। সেই রায় দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এরপর আজহার রিভিউ আবেদন করেন, যা বর্তমানে চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

এরও আগে, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা আজহারকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

অভিযোগের বিবরণ:

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে সংগঠিত ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নয়টি ঘটনায় ছয় ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত করা হয় আজহারুল ইসলামকে।
এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলো হলো:

  • ১২৫৬ জনকে গণহত্যা ও হত্যা

  • ১৭ জনকে অপহরণ

  • ১ জনকে ধর্ষণ

  • ১৩ জনকে আটক রেখে নির্যাতন ও গুরুতর জখম

  • শত শত বাড়ি-ঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ

ট্রাইব্যুনাল তাকে মোট ছয়টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে।

জামায়াতের প্রতিক্রিয়া ও আইনি পদক্ষেপ:

এই রায়কে “প্রহসনের বিচার” বলে দাবি করে আসছে জামায়াতে ইসলামী। ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি তার আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। এতে ১১৩টি যুক্তি তুলে ধরে খালাস দাবি করা হয়। আপিলে মোট ২৩৪০ পৃষ্ঠার নথি ও ৯০ পৃষ্ঠার যুক্তিনির্ভর আবেদন জমা দেওয়া হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে সুযোগ পেলে বাকি জীবন দিয়ে মানুষের ঋণ পরিশোধ করব: নাহিদ ইসলাম

মানবতাবিরোধী অপরাধ: জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড রিভিউয়ের রায় আজ

আপডেট সময় ০৮:৪২:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনের রায় আজ (মঙ্গলবার, ২৭ মে) ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ। সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করবেন। রায় ঘোষণার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের কার্যতালিকার শীর্ষে রাখা হয়েছে।

এই মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে জামায়াতে ইসলামীর লাখো নেতাকর্মী। এর আগে গত ৮ মে আপিল বিভাগে শুনানি শেষ হয়। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর আপিল বিভাগ এটিএম আজহারের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। সেই রায় দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এরপর আজহার রিভিউ আবেদন করেন, যা বর্তমানে চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

এরও আগে, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা আজহারকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

অভিযোগের বিবরণ:

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে সংগঠিত ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নয়টি ঘটনায় ছয় ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত করা হয় আজহারুল ইসলামকে।
এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলো হলো:

  • ১২৫৬ জনকে গণহত্যা ও হত্যা

  • ১৭ জনকে অপহরণ

  • ১ জনকে ধর্ষণ

  • ১৩ জনকে আটক রেখে নির্যাতন ও গুরুতর জখম

  • শত শত বাড়ি-ঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ

ট্রাইব্যুনাল তাকে মোট ছয়টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে।

জামায়াতের প্রতিক্রিয়া ও আইনি পদক্ষেপ:

এই রায়কে “প্রহসনের বিচার” বলে দাবি করে আসছে জামায়াতে ইসলামী। ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি তার আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। এতে ১১৩টি যুক্তি তুলে ধরে খালাস দাবি করা হয়। আপিলে মোট ২৩৪০ পৃষ্ঠার নথি ও ৯০ পৃষ্ঠার যুক্তিনির্ভর আবেদন জমা দেওয়া হয়।