সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত প্রবাসীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বজনদের কাছে ফিরেছে তাদের নিথর দেহ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সৌদি আরব থেকে মরদেহগুলো ঢাকায় আসে। পরে শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে লাশবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহগুলো আত্রাইয়ে পৌঁছে।
খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। নিহতদের শেষবারের মতো দেখতে রাতেই আত্রাই থানা কম্পাউন্ডে ভিড় করেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
নিহতরা হলেন—উদনপৈ গ্রামের ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামানিক, মোহন আলী, সুমন আলী ও কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরদার।
সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রিয়াদের ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি কর্মী নিহত হন। ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে নয়জনের পরিচয়।
আত্রাই উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহগুলো বিনা খরচে নিজ এলাকায় আনা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে আত্রাই মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে সাতজনের জানাজা একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে মরদেহ।
প্রবাসে জীবিকার তাগিদে যাওয়া মানুষগুলো ফিরলেন ঠিকই—তবে জীবিত নয়, শেষবারের মতো। তাদের মৃত্যুতে আত্রাইজুড়ে এখন শুধুই শোক আর স্বজন হারানোর কান্না।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















