মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত ৫ হাজার মিয়ানমার নাগরিককে ধাপে ধাপে স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে দেশটির সরকার। প্রথম দফায় আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর ১ হাজার ৪৭৬ জনকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে।
বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, প্রথম দফায় প্রত্যাবাসনের জন্য নির্ধারিতদের পরিচয় মিয়ানমার সরকারের কূটনৈতিক নোটের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ও একটি হাসপাতাল জাহাজ ব্যবহার করা হবে। এ নিয়ে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ও সম্পন্ন হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, ২০২৬ সালে শরণার্থী হিসেবে দাবি করা ৪ হাজার ৮ জন মিয়ানমার নাগরিককে নিবন্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সময়ে আরও ৫ হাজার মানুষকে স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তবে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটক থাকা ১০ হাজারের বেশি মিয়ানমার নাগরিককে সবাইকে শরণার্থী হিসেবে গণ্য করা হবে না। তাদের নাগরিকত্ব, ইমিগ্রেশন অবস্থা, শরণার্থী দাবি ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করছে কর্তৃপক্ষ।
মালয়েশিয়া বলছে, যারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে সম্মত এবং প্রত্যাবাসনের উপযুক্ত, তাদের মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে ফেরত পাঠানো হবে।
তবে এই প্রত্যাবাসন নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে—নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করে কতটা সুশৃঙ্খলভাবে তাদের ফেরানো সম্ভব হয়। মালয়েশিয়া জানিয়েছে, দুই দেশের সমন্বয়ের ভিত্তিতেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























