লাতিন আমেরিকার দেশ পেরুতে সপ্তাহব্যাপী সরকারবিরোধী বিক্ষোভ আবারও সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। শনিবার প্রেসিডেন্ট দিনা বোলুয়ার্তে সরকারের বিরুদ্ধে সড়কে নামেন শত শত মানুষ। বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট ও সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে জেন-জি প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ হামলা চালিয়েছে। তারা বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে দমনপীড়ন চালানো হলেও অপরাধী ও ভাড়াটে খুনিদের ধরতে প্রশাসন ততটা সক্রিয় নয়। পরিবর্তনের ডাক দিয়ে আন্দোলনকারীরা জানান, তারা চান আগামী প্রজন্মকে আর এভাবে রাজপথে নামতে না হয়।
বিক্ষোভের সূত্রপাত গত শনিবার পেরুর পার্লামেন্টে পাস হওয়া এক আইনের কারণে, যেখানে বলা হয়েছে ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের একটি পেনশন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত হতে হবে। কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তায় ভুগতে থাকা তরুণরা এই আইনকে অন্যায় মনে করছেন। পাশাপাশি দুর্নীতি, অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধির অভিযোগেও সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জমে উঠেছে।
এদিকে লাতিন আমেরিকার আরেক দেশ আর্জেন্টিনায় তিন নারীকে হত্যার বিচার দাবিতে রাজধানী বুয়েনস আইরেসসহ বিভিন্ন প্রদেশে বিক্ষোভ হয়েছে। নিহতদের পরিবারের নেতৃত্বে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। মাদক পাচার নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তে হত্যার আগে নির্যাতনের প্রমাণ মিলেছে।
অন্যদিকে হাঙ্গেরিতে একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা সংস্কারকে কেন্দ্র করে দুর্নীতি ও সরকারের বিলাসী জীবনের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ হয়েছে। রাজধানী বুদাপেস্টের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ওই স্থাপনাকে অনিয়মের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন আন্দোলনকারীরা। তবে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, স্থাপনাটি তাদের পূর্বপুরুষের সম্পত্তি।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























