মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তিনি আবার বৈঠকে বসতে চান। তবে এবারও পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

ওয়াশিংটন ও সিউলের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ কোরিয়া সফরের আগে ট্রাম্প কিমের কাছে কয়েক দফা বৈঠকের প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি বা সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের সময় উত্তর কোরিয়া দাবি করে যে তারা নতুন একটি হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। এর পরেও ট্রাম্প জানান, তিনি কিমের সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসতে আগ্রহী—যেমনটি করেছিলেন তার প্রথম মেয়াদে।

ট্রাম্প বলেন, “তার (কিমের) সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। সে চাইলে আমি দেখা করতে প্রস্তুত। আমরা কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা পাঠাইনি, তবে সে জানে আমি সেখানে যাচ্ছি।”

কিমকে আলোচনায় আনতে যুক্তরাষ্ট্র কী পন্থা নেবে—এমন প্রশ্নে ট্রাম্পের মন্তব্য, “নিষেধাজ্ঞাই সবচেয়ে বড় অস্ত্র।”

উল্লেখ্য, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে তিন দফা শীর্ষ বৈঠক হলেও উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে আলোচনা ভেঙে যায়। এখনো আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার ভারে জর্জরিত দেশটি।

গত মাসে কিম ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরমাণু কর্মসূচি ত্যাগের দাবি থেকে সরে আসে এবং বাস্তবতাকে মেনে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে রাজি হয়, তাহলে বৈঠকে কোনো বাধা নেই।

যদিও এখন পর্যন্ত বৈঠকের কোনো দৃশ্যমান প্রস্তুতি নেই। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী ডিমিলিটারাইজড জোন সফরের বিষয়টি বিবেচনায় ছিল, তবে তা চূড়ান্ত হয়নি।

সূত্র: রয়টার্স