ঢাকা , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘এই স্কুলে মুসলিমদের জায়গা নেই’: ৩০ শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে দিলেন কেরালার প্রধান শিক্ষিকা ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা তোলার হিড়িক গ্রাহকদের, ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন প্রটোকল ছাড়াই হঠাৎ আমিনবাজার-আশুলিয়া ভূমি অফিস পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা বর্তমানে বিশ্বের ১৪০টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান পাকিস্তানে সেনা অভিযানে ভারতীয় মদদপুষ্ট ২৭ সন্ত্রাসী নিহত আমার টার্গেট ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব: একে আজাদ সৌদি আরবের বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, দায় অস্বীকার ইরানের দেখি, বোর্ডকে বাপের দোয়া থেকে ক্রিকেটের দোয়া করতে পারি কিনা: তামিম

মাত্র ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ দশ বছরের মুনতাসির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:২০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
  • ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

এবার কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে আবদুল্লাহ আল মুনতাসির নামে দশ বছর বয়সী এক শিশু। এ বয়সে অনেকেরই ত্রিশ পারা কোরআন মুখস্থ করা অসম্ভব হলেও মুনতাসিরের পক্ষে তা সম্ভব হয়েছে।

এতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে ফুলের মালা ও পাগড়ি পরিয়ে দেয়। এছাড়াও তার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদকে পুরস্কৃত করা হয়। শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পিপড্ডা গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী মুহাম্মদ খুরশীদ আলমের ছেলে। খুরশীদ আলমের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে মুনতাসির সবার ছোট।

দেড় বছর আগে নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা শুরু করে মুনতাসির। ৭৫ জনের মধ্যে নাজেরা শেষ করে ১১ মাসে পুরো ৩০ পারা কোরআন শরিফ মুখস্থ করে হাফেজ হয় সে।

এদিকে শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির  জানায়, বিশ্ব বিখ্যাত আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করা, মা-বাবা ও প্রিয় শিক্ষকদের নাম যেন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া যায় এটা এখন তার স্বপ্ন। সবার কাছে দোয়া চায় এই শিশু হাফেজ।

হাফেজ মুনতাসিরের মা কামরুজ্জাহান রুমি জানান, তার ছোট সন্তান আবদুল্লাহ আল মুনতাসির মাত্র ১১ মাসে ৩০ পারা কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে। ভবিষ্যতে তার স্বপ্ন সন্তানকে অনেক বড় আলেম বানানোর। তাই দেশবাসীসহ সবার কাছে দোয়া চান মা।

এদিকে চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদ বলেন, আবদুল্লাহ আল মুনতাসির কোরআনে হাফেজ হওয়ার পেছনে তার অনেক চেষ্টা ও মেহনত থাকায় হাফেজ হওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে শিক্ষকদেরও মেহনত রয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কবুল করায় ১১ মাসে হাফেজ হতে পেরেছে মুনতাসির।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘এই স্কুলে মুসলিমদের জায়গা নেই’: ৩০ শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে দিলেন কেরালার প্রধান শিক্ষিকা

মাত্র ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ দশ বছরের মুনতাসির

আপডেট সময় ০৬:২০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

এবার কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে আবদুল্লাহ আল মুনতাসির নামে দশ বছর বয়সী এক শিশু। এ বয়সে অনেকেরই ত্রিশ পারা কোরআন মুখস্থ করা অসম্ভব হলেও মুনতাসিরের পক্ষে তা সম্ভব হয়েছে।

এতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে ফুলের মালা ও পাগড়ি পরিয়ে দেয়। এছাড়াও তার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদকে পুরস্কৃত করা হয়। শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পিপড্ডা গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী মুহাম্মদ খুরশীদ আলমের ছেলে। খুরশীদ আলমের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে মুনতাসির সবার ছোট।

দেড় বছর আগে নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা শুরু করে মুনতাসির। ৭৫ জনের মধ্যে নাজেরা শেষ করে ১১ মাসে পুরো ৩০ পারা কোরআন শরিফ মুখস্থ করে হাফেজ হয় সে।

এদিকে শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির  জানায়, বিশ্ব বিখ্যাত আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করা, মা-বাবা ও প্রিয় শিক্ষকদের নাম যেন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া যায় এটা এখন তার স্বপ্ন। সবার কাছে দোয়া চায় এই শিশু হাফেজ।

হাফেজ মুনতাসিরের মা কামরুজ্জাহান রুমি জানান, তার ছোট সন্তান আবদুল্লাহ আল মুনতাসির মাত্র ১১ মাসে ৩০ পারা কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে। ভবিষ্যতে তার স্বপ্ন সন্তানকে অনেক বড় আলেম বানানোর। তাই দেশবাসীসহ সবার কাছে দোয়া চান মা।

এদিকে চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদ বলেন, আবদুল্লাহ আল মুনতাসির কোরআনে হাফেজ হওয়ার পেছনে তার অনেক চেষ্টা ও মেহনত থাকায় হাফেজ হওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে শিক্ষকদেরও মেহনত রয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কবুল করায় ১১ মাসে হাফেজ হতে পেরেছে মুনতাসির।