ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের সিজারের ক্ষেত্রে ডাক্তারদের নিরুৎসাহিত করার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আবারও ইসরায়েলি সেনাদের বেড়েছে আত্মহত্যার প্রবণতা যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু দেশগুলোকেও হুমকি ইরানের আজ পর্যন্ত জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব নেয়নি জামায়াত: শফিকুর রহমান গাজায় ‘গণহত্যা’ চালাতে ইসরায়েলকে লাখ লাখ অস্ত্র-গোলাবারুদ দিয়েছিল ভারত! ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে লতিফ সিদ্দিকীকে ১৩৪ কোটি টাকার উটপাখি গবেষণা প্রকল্পে আনা ২২টির মধ্যে ১৫টি জবাই মিয়ামিতে অনুশীলনে ফিরলেন মেসি, কবে মাঠে নামবেন? সন্তানের নামে সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা: আইনমন্ত্রী সরকার গঠনের ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে: মির্জা ফখরুল

লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

লিবিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা, কল্যাণ এবং স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে বৈঠক করেছেন লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ এবং দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল এমাদ মোস্তফা আল-তরাবলুসি।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বৈধ শ্রম অভিবাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতা এবং উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ও লিবিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা তাদের সততা, দক্ষতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশটির মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তিনি অনিয়মিত অভিবাসন রোধ এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মীর লিবিয়ায় কর্মসংস্থানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত মো. হাবীব উল্লাহ লিবিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য দেশটির সরকারের সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন কর্মসূচিতে বাংলাদেশিদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে দেশে ফিরতে অপেক্ষমাণ বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা কামনা করেন।

জবাবে লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বাস দেন, স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন কর্মসূচিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধে দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়, তথ্য বিনিময় এবং পারস্পরিক সফর বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং অপহরণ ও জিম্মি হওয়া বাংলাদেশিদের উদ্ধারে লিবিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও লিবিয়ার মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার করতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের সিজারের ক্ষেত্রে ডাক্তারদের নিরুৎসাহিত করার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

আপডেট সময় ০১:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

লিবিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা, কল্যাণ এবং স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে বৈঠক করেছেন লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ এবং দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল এমাদ মোস্তফা আল-তরাবলুসি।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বৈধ শ্রম অভিবাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতা এবং উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ও লিবিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা তাদের সততা, দক্ষতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশটির মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তিনি অনিয়মিত অভিবাসন রোধ এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মীর লিবিয়ায় কর্মসংস্থানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত মো. হাবীব উল্লাহ লিবিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য দেশটির সরকারের সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন কর্মসূচিতে বাংলাদেশিদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে দেশে ফিরতে অপেক্ষমাণ বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা কামনা করেন।

জবাবে লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বাস দেন, স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন কর্মসূচিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধে দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়, তথ্য বিনিময় এবং পারস্পরিক সফর বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং অপহরণ ও জিম্মি হওয়া বাংলাদেশিদের উদ্ধারে লিবিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও লিবিয়ার মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার করতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়।