ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

ধর্ম অবমাননা ও কূটুক্তির অভিযোগে ঢাবির এক শিক্ষার্থী বহিষ্কার, আরও দুইজনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৮৬০ বার পড়া হয়েছে

 

ধর্ম অবমাননা ও কূটুক্তির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ঘটনায় আরও দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ।

জানা গেছে, ধর্মীয় অবমাননাকর মন্তব্য ও হিজাব পরা নারীদের নিয়ে অশালীন কূটুক্তির অভিযোগ উঠেছে ঢাবির তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন—আইবিএর বিবিএ ৩০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মেহতাজুর রহমান ও তাসনিয়া ইসলাম এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ।

এর মধ্যে আবরার ফাইয়াজকে গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বলা হয়, আবরার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ও সনাতন ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর, অশালীন ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছেন, যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এবং ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশ ও উপাচার্যের অনুমোদনের পর আবরারকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, “একজনকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বাকি দুইজনের প্রতিবেদনও হাতে এসেছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, “সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ম অবমাননা ও কূটুক্তির অভিযোগ বেড়েছে, যা উদ্বেগের বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে বার্তা দেওয়া হবে।”

এছাড়া, সনাতন ধর্ম নিয়ে অবমাননার অভিযোগে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধেও নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রক্টর।

তিনি বলেন, “অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অনেক সময় প্রক্রিয়াগত কারণে বিলম্ব হয়, তবে আমাদের চেষ্টা থাকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব-বুবলী

ধর্ম অবমাননা ও কূটুক্তির অভিযোগে ঢাবির এক শিক্ষার্থী বহিষ্কার, আরও দুইজনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে

আপডেট সময় ১০:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

 

ধর্ম অবমাননা ও কূটুক্তির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ঘটনায় আরও দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ।

জানা গেছে, ধর্মীয় অবমাননাকর মন্তব্য ও হিজাব পরা নারীদের নিয়ে অশালীন কূটুক্তির অভিযোগ উঠেছে ঢাবির তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন—আইবিএর বিবিএ ৩০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মেহতাজুর রহমান ও তাসনিয়া ইসলাম এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ।

এর মধ্যে আবরার ফাইয়াজকে গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বলা হয়, আবরার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ও সনাতন ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর, অশালীন ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছেন, যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এবং ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশ ও উপাচার্যের অনুমোদনের পর আবরারকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, “একজনকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বাকি দুইজনের প্রতিবেদনও হাতে এসেছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, “সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ম অবমাননা ও কূটুক্তির অভিযোগ বেড়েছে, যা উদ্বেগের বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে বার্তা দেওয়া হবে।”

এছাড়া, সনাতন ধর্ম নিয়ে অবমাননার অভিযোগে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধেও নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রক্টর।

তিনি বলেন, “অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অনেক সময় প্রক্রিয়াগত কারণে বিলম্ব হয়, তবে আমাদের চেষ্টা থাকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার।”