ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় পৌঁছাতে আর মাত্র ৫৯ কি.মি. বাকি ফ্লোটিলার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩০:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪০৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসরায়েলি নৌবাহিনীর বাধা ও আটকের সকল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও গাজা উপকূলের খুব কাছে পৌঁছে গেছে মানবিক সাহায্যবাহী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ভূমধ্যসাগরে অবস্থানকালে এই নৌবহর গাজা থেকে মাত্র ৫৯ কিলোমিটার পশ্চিমে ছিল।

এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী ১৩টি জাহাজ আটক করেছে, যেগুলোতে ২ শতাধিক আরোহী ছিলেন। তবে এখনও ৩০টি জাহাজ গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী (আইডিএফ) এর হামলা সত্ত্বেও তারা গাজায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এবার বাংলাদেশের প্রখ্যাত ফটো সাংবাদিক শহীদুল আলম যে বোটে রয়েছেন, তার নাম ‌‌‘কনসায়েন্স’। এটি একটি তুর্কি বোট, যার সাথে তুর্কি ও আজারবাইজানীয় কর্মীরা জড়িত। এই বোটটি এখনও গাজা অভিমুখে তার যাত্রাপথে রয়েছে এবং এটি এখনও আইডিএফ দ্বারা আটক হয়নি।

অন্য যেসব বোট যাত্রা করছে, সেগুলোকে আইডিএফ ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি করছে। তারা মাঝে মাঝে ওয়াটার ক্যানন দিয়ে আক্রমণ করছে, জাহাজে ধাক্কা দিয়ে আঘাত করছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। আইডিএফ কয়েকটি নৌকা ডুবিয়ে দেওয়ারও পরিকল্পনা করছে এবং কর্মীদের আটক করে ইসরায়েলের অ্যাশদোদ বন্দরে নিয়ে যাচ্ছে। এসব ঘটনা আন্তর্জাতিক পানিতে ঘটানো হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট বলে দিয়েছেন যে, ইসরায়েল কোনোভাবেই এই বোটগুলোকে গাজায় পৌঁছাতে দেবে না। তিনি এই মিশনকে ‘প্রতারণা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন যে, এটি হামাসকে সমর্থন করারই একটি প্রচেষ্টা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় পৌঁছাতে আর মাত্র ৫৯ কি.মি. বাকি ফ্লোটিলার

আপডেট সময় ১১:৩০:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

এবার ইসরায়েলি নৌবাহিনীর বাধা ও আটকের সকল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও গাজা উপকূলের খুব কাছে পৌঁছে গেছে মানবিক সাহায্যবাহী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ভূমধ্যসাগরে অবস্থানকালে এই নৌবহর গাজা থেকে মাত্র ৫৯ কিলোমিটার পশ্চিমে ছিল।

এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী ১৩টি জাহাজ আটক করেছে, যেগুলোতে ২ শতাধিক আরোহী ছিলেন। তবে এখনও ৩০টি জাহাজ গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী (আইডিএফ) এর হামলা সত্ত্বেও তারা গাজায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এবার বাংলাদেশের প্রখ্যাত ফটো সাংবাদিক শহীদুল আলম যে বোটে রয়েছেন, তার নাম ‌‌‘কনসায়েন্স’। এটি একটি তুর্কি বোট, যার সাথে তুর্কি ও আজারবাইজানীয় কর্মীরা জড়িত। এই বোটটি এখনও গাজা অভিমুখে তার যাত্রাপথে রয়েছে এবং এটি এখনও আইডিএফ দ্বারা আটক হয়নি।

অন্য যেসব বোট যাত্রা করছে, সেগুলোকে আইডিএফ ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি করছে। তারা মাঝে মাঝে ওয়াটার ক্যানন দিয়ে আক্রমণ করছে, জাহাজে ধাক্কা দিয়ে আঘাত করছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। আইডিএফ কয়েকটি নৌকা ডুবিয়ে দেওয়ারও পরিকল্পনা করছে এবং কর্মীদের আটক করে ইসরায়েলের অ্যাশদোদ বন্দরে নিয়ে যাচ্ছে। এসব ঘটনা আন্তর্জাতিক পানিতে ঘটানো হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট বলে দিয়েছেন যে, ইসরায়েল কোনোভাবেই এই বোটগুলোকে গাজায় পৌঁছাতে দেবে না। তিনি এই মিশনকে ‘প্রতারণা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন যে, এটি হামাসকে সমর্থন করারই একটি প্রচেষ্টা।