ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
লাল কার্ড দেখার পরও খেলবেন যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড়, ফিফাকে ধন্যবাদ ট্রাম্পের ‘ফিলিস্তিনের সমর্থনের কারণেই খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে’ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি চীনকেও কাছে টানছে বাংলাদেশ ইরানি নেতাদের নিশ্চিহ্ন করার হুমকি ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে এটি সবচেয়ে পাগলাটে রাত: হালান্ড ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে পেনাল্টি মিস করল ব্রাজিল ভারত নামে একটি ছোট দেশ ইসরায়েলের বড় সমর্থক: নেতানিয়াহু মেলোনিকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্টে নতুন বিতর্ক, ‘রেস্ট্রেইনিং অর্ডার’ মন্তব্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আমার সঙ্গে চালাকি চলবে না: নরওয়ের গোলকিপারকে নেইমার হালান্ডের রাতের অদ্ভুত অভ্যাস! মুখে টেপ লাগিয়ে ঘুমান কেন, জানাল বিজ্ঞান

জীবিত ২০ ইসরায়েলি জিম্মির বিনিময়ে ২ হাজার ফিলিস্তিনি মুক্তির প্রত্যাশা হামাসের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৮২ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসরায়েল ও হামাস গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে সম্মত হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি ইসরায়েলের গণহত্যা থামানোর উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। এই গণহত্যায় এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজারের মানুষ নিহত হয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ধ্বংসস্তূপে পরিণত এবং এক ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, গতকাল স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাতে মিশরের শারম আল শেখে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এতে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি এবং দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা গণহত্যার পর অবরুদ্ধ গাজায় ব্যাপক মানবিক সহায়তা পাঠানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস তাদের হাতে থাকা সব বন্দীকে মুক্তি দেবে এবং ইসরায়েল তাদের সেনাদের একটি নির্দিষ্ট চুক্তিতে নির্ধারিত সীমারেখায় ফিরিয়ে নেবে বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন। মিশরে তাঁর ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার পর এই সমঝোতা হয়েছে।

হামাসের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, চুক্তির প্রথম ধাপে ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি বন্দীকে প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দীর বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হবে। সূত্রটি আরও জানায়, চুক্তি কার্যকর হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই এই বিনিময় সম্পন্ন হবে। বৃহস্পতিবারই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘খুব শিগগির’ জিম্মিদের মুক্তির ব্যবস্থা করা হবে।

চুক্তি অনুযায়ী, যেসব ইসরায়েলি বন্দীর মৃতদেহ ফিরিয়ে দেওয়া হবে, তার বিনিময়ে গাজা থেকে নিহত ১৫ জন ফিলিস্তিনির মৃতদেহ ফিরিয়ে দেবে ইসরায়েল। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন জানায়, তারা যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইসরায়েলের কাছে ফিলিস্তিনি বন্দীদের তালিকা জমা দিয়েছে।

হামাস জানায়, তারা তালিকাভুক্ত বন্দীদের বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতির অপেক্ষায় আছে। সম্মতি মিললেই তা প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হবে। এক বিবৃতিতে হামাস নিশ্চিত করেছে যে গণহত্যা বন্ধ করতে তারা চুক্তিতে পৌঁছেছে। এতে ইসরায়েলের গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার ও বন্দিবিনিময়ের ধারা রয়েছে।

তবে হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও গ্যারান্টর রাষ্ট্রগুলোকে আহ্বান জানিয়েছে, যেন ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির সব শর্ত পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে। বুধবার এর আগে হামাস জানিয়েছিল, তারা তাদের হাতে থাকা বন্দীদের তালিকা এবং ইসরায়েলের হাতে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দীদের তালিকা হস্তান্তর করেছে, যাদের তারা বিনিময় করতে চায়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লাল কার্ড দেখার পরও খেলবেন যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড়, ফিফাকে ধন্যবাদ ট্রাম্পের

জীবিত ২০ ইসরায়েলি জিম্মির বিনিময়ে ২ হাজার ফিলিস্তিনি মুক্তির প্রত্যাশা হামাসের

আপডেট সময় ১১:০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

এবার ইসরায়েল ও হামাস গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে সম্মত হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি ইসরায়েলের গণহত্যা থামানোর উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। এই গণহত্যায় এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজারের মানুষ নিহত হয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ধ্বংসস্তূপে পরিণত এবং এক ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, গতকাল স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাতে মিশরের শারম আল শেখে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এতে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি এবং দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা গণহত্যার পর অবরুদ্ধ গাজায় ব্যাপক মানবিক সহায়তা পাঠানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস তাদের হাতে থাকা সব বন্দীকে মুক্তি দেবে এবং ইসরায়েল তাদের সেনাদের একটি নির্দিষ্ট চুক্তিতে নির্ধারিত সীমারেখায় ফিরিয়ে নেবে বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন। মিশরে তাঁর ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার পর এই সমঝোতা হয়েছে।

হামাসের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, চুক্তির প্রথম ধাপে ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি বন্দীকে প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দীর বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হবে। সূত্রটি আরও জানায়, চুক্তি কার্যকর হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই এই বিনিময় সম্পন্ন হবে। বৃহস্পতিবারই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘খুব শিগগির’ জিম্মিদের মুক্তির ব্যবস্থা করা হবে।

চুক্তি অনুযায়ী, যেসব ইসরায়েলি বন্দীর মৃতদেহ ফিরিয়ে দেওয়া হবে, তার বিনিময়ে গাজা থেকে নিহত ১৫ জন ফিলিস্তিনির মৃতদেহ ফিরিয়ে দেবে ইসরায়েল। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন জানায়, তারা যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইসরায়েলের কাছে ফিলিস্তিনি বন্দীদের তালিকা জমা দিয়েছে।

হামাস জানায়, তারা তালিকাভুক্ত বন্দীদের বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতির অপেক্ষায় আছে। সম্মতি মিললেই তা প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হবে। এক বিবৃতিতে হামাস নিশ্চিত করেছে যে গণহত্যা বন্ধ করতে তারা চুক্তিতে পৌঁছেছে। এতে ইসরায়েলের গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার ও বন্দিবিনিময়ের ধারা রয়েছে।

তবে হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও গ্যারান্টর রাষ্ট্রগুলোকে আহ্বান জানিয়েছে, যেন ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির সব শর্ত পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে। বুধবার এর আগে হামাস জানিয়েছিল, তারা তাদের হাতে থাকা বন্দীদের তালিকা এবং ইসরায়েলের হাতে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দীদের তালিকা হস্তান্তর করেছে, যাদের তারা বিনিময় করতে চায়।