ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করার আহ্বান স্পিকারের যুবদল নেতা নয়নের ‘দাড়িওয়ালাদের আস্তানা’ স্লোগানের প্রতিবাদ জামায়াতের পাকিস্তানের ‘স্বৈরাচারীদের’ রুখে দেওয়ার আহ্বান ইমরান খানের ছেলের বাবার কষ্টের দিন শেষ করার স্বপ্ন, নিয়োগের আগেই থামল সোহানের পথ কেউ চাঁদা চাইলে থানায় সোপর্দ করবেন: ধর্মমন্ত্রী এবার মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টা, অফিসে হামলা-ভাঙচুর নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরাল ইরান একতরফা সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জোরালো আহ্বান বর্তমান সরকার যুবকদের লুটতরাজের জন্য দলীয় ক্যাডার বানাচ্ছে: সাবেক শিবির সভাপতি

হালান্ডের রাতের অদ্ভুত অভ্যাস! মুখে টেপ লাগিয়ে ঘুমান কেন, জানাল বিজ্ঞান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

মাঠে তার গতি, শক্তি ও গোল করার দক্ষতা প্রতিপক্ষের জন্য বড় আতঙ্ক। ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে ক্লাব ফুটবল—সবখানেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আলোচনায় নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার Erling Haaland। তবে মাঠের বাইরেও তার একটি অস্বাভাবিক অভ্যাস সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ঘুমানোর সময় হালান্ড প্রায়ই মুখে বিশেষ ধরনের টেপ ব্যবহার করেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় ‘মাউথ টেপিং’, যার উদ্দেশ্য হলো ঘুমের সময় মুখ দিয়ে নয়, বরং নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া নিশ্চিত করা।

একটি পডকাস্টে হালান্ড নিজেই জানান, ভালো পারফরম্যান্সের অন্যতম ভিত্তি হলো মানসম্মত ঘুম। আর গভীর ও আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিত করতে তিনি মুখ বন্ধ রেখে নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার এই অভ্যাস গড়ে তুলেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার কিছু সম্ভাব্য উপকারিতা রয়েছে। এতে বাতাস স্বাভাবিকভাবে পরিশোধিত ও আর্দ্র হয়, অনেকের ক্ষেত্রে নাক ডাকার প্রবণতা কমতে পারে এবং ঘুমের মানও উন্নত হতে পারে। তবে সবার জন্য মাউথ টেপিং নিরাপদ বা উপযোগী—এমনটি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি। বিশেষ করে যাদের নাক বন্ধ থাকে, শ্বাসকষ্ট, স্লিপ অ্যাপনিয়া বা অন্য কোনো শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত নয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু মাউথ টেপিং নয়, ঘুমের মান উন্নত করতে হালান্ড আরও কিছু নিয়ম মেনে চলেন। ঘুমানোর প্রায় তিন ঘণ্টা আগে তিনি ব্লু-লাইট প্রতিরোধী বিশেষ চশমা ব্যবহার করেন, যাতে মোবাইল, টিভি বা কম্পিউটারের আলো শরীরের স্বাভাবিক ঘুমের চক্রে প্রভাব না ফেলে। পাশাপাশি তার শোবার ঘরে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও অপ্রয়োজনীয় আলো এড়িয়ে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজন ক্রীড়াবিদের পারফরম্যান্সে পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য, বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত পুনরুদ্ধার (রিকভারি) সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। হালান্ডের ঘুমের রুটিন সেই সামগ্রিক প্রস্তুতিরই একটি অংশ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও

হালান্ডের রাতের অদ্ভুত অভ্যাস! মুখে টেপ লাগিয়ে ঘুমান কেন, জানাল বিজ্ঞান

আপডেট সময় ০১:২৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

মাঠে তার গতি, শক্তি ও গোল করার দক্ষতা প্রতিপক্ষের জন্য বড় আতঙ্ক। ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে ক্লাব ফুটবল—সবখানেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আলোচনায় নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার Erling Haaland। তবে মাঠের বাইরেও তার একটি অস্বাভাবিক অভ্যাস সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ঘুমানোর সময় হালান্ড প্রায়ই মুখে বিশেষ ধরনের টেপ ব্যবহার করেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় ‘মাউথ টেপিং’, যার উদ্দেশ্য হলো ঘুমের সময় মুখ দিয়ে নয়, বরং নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া নিশ্চিত করা।

একটি পডকাস্টে হালান্ড নিজেই জানান, ভালো পারফরম্যান্সের অন্যতম ভিত্তি হলো মানসম্মত ঘুম। আর গভীর ও আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিত করতে তিনি মুখ বন্ধ রেখে নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার এই অভ্যাস গড়ে তুলেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার কিছু সম্ভাব্য উপকারিতা রয়েছে। এতে বাতাস স্বাভাবিকভাবে পরিশোধিত ও আর্দ্র হয়, অনেকের ক্ষেত্রে নাক ডাকার প্রবণতা কমতে পারে এবং ঘুমের মানও উন্নত হতে পারে। তবে সবার জন্য মাউথ টেপিং নিরাপদ বা উপযোগী—এমনটি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি। বিশেষ করে যাদের নাক বন্ধ থাকে, শ্বাসকষ্ট, স্লিপ অ্যাপনিয়া বা অন্য কোনো শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত নয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু মাউথ টেপিং নয়, ঘুমের মান উন্নত করতে হালান্ড আরও কিছু নিয়ম মেনে চলেন। ঘুমানোর প্রায় তিন ঘণ্টা আগে তিনি ব্লু-লাইট প্রতিরোধী বিশেষ চশমা ব্যবহার করেন, যাতে মোবাইল, টিভি বা কম্পিউটারের আলো শরীরের স্বাভাবিক ঘুমের চক্রে প্রভাব না ফেলে। পাশাপাশি তার শোবার ঘরে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও অপ্রয়োজনীয় আলো এড়িয়ে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজন ক্রীড়াবিদের পারফরম্যান্সে পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য, বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত পুনরুদ্ধার (রিকভারি) সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। হালান্ডের ঘুমের রুটিন সেই সামগ্রিক প্রস্তুতিরই একটি অংশ।