ঢাকা , বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্যারিস্টার আরমানের চিকিৎসা দরকার: রনি হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের পর ছেলেকে দিয়ে ক্লাস করানো সেই শিক্ষিকা বহিষ্কার হারাম টাকায় বাজেট করলে সেখানে কোনো বরকত হতে পারে না: নায়েবে আমির মুজিবুর মসজিদে বন্দুক হামলা, নিজের জীবন দিয়ে শত শিশুর প্রাণ বাঁচালেন ‘বীর’ আবদুল্লাহ শেখ হাসিনা ওপারে বসে বাংলাদেশের মানুষকে ডিস্টার্ব করছেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া: বিএসএফের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন শুভেন্দু পদোন্নতি বাতিলের পর বিমানের সেই কর্মকর্তা এবার বরখাস্ত যুদ্ধে জীবন দিতে চাওয়া ইরানিদের গণবিয়ে, সামরিক জিপে হাজির বর-কনে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পেয়ে যে বার্তা দিলেন নেইমার আ.লীগ আমলের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গ্রেপ্তার

শেখ হাসিনা সম্পর্কিত ভাইরাল ছবিটি ভুয়া: ভিন্ন নারীর ছবি এডিট করে ছড়ানো হয়েছে — ফ্যাক্টচেক রিপোর্ট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৫৭৩ বার পড়া হয়েছে

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, যা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ও গুরুতর পরিস্থিতির ছবি বলে দাবি করা হচ্ছিল। ছবিটি ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং অনলাইনে বিভিন্ন গুজব ও বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভুল তথ্যটি হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করেন।

ফ্যাক্টচেক সংস্থা রিউমার স্ক্যানার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই করে নিশ্চিত করেছে — ছবিটি শেখ হাসিনার নয়। এটি ভারতের এক বয়স্ক নারীর ছবি, যা প্রযুক্তি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুল উপস্থাপনার মাধ্যমে বিকৃত করে ব্যবহার করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল বা অনলাইন রিচ বাড়ানোর লক্ষ্যে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো “ডিজিটাল গুজব” এবং সাইবার অপরাধের অংশ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে অস্থিরতা বাড়াতে পারে।

সরকারের পক্ষ থেকে আগেই সতর্ক করা হয়েছে—মিথ্যা তথ্য ছড়ানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই কোনো ছবি বা তথ্য শেয়ার করার আগে তার উৎস ও সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে একই ছবি ব্যবহার করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়ে—যেখানে দাবি করা হয় যে শেখ হাসিনা ভারতের একটি হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। কিন্তু ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে জানা যায়—এটি শেখ হাসিনার নয়, বরং ভারতের বেঙ্গালুরুগামী ফ্লাইটে যাওয়া ৮২ বছর বয়সী এক নারী যাত্রী রাজ পাসরিচার ছবি। দিল্লি বিমানবন্দরে হুইলচেয়ার না পেয়ে হাঁটার ক্লান্তিতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হাসপাতালে ভর্তি হন।

মূলধারার কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে শেখ হাসিনার মৃত্যু বা এমন কোনো অবস্থার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সকল প্রমাণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ফ্যাক্টওয়াচ ভাইরাল এই ছবিকে “বিকৃত” হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং গুজব মোকাবেলায় সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যারিস্টার আরমানের চিকিৎসা দরকার: রনি

শেখ হাসিনা সম্পর্কিত ভাইরাল ছবিটি ভুয়া: ভিন্ন নারীর ছবি এডিট করে ছড়ানো হয়েছে — ফ্যাক্টচেক রিপোর্ট

আপডেট সময় ১১:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, যা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ও গুরুতর পরিস্থিতির ছবি বলে দাবি করা হচ্ছিল। ছবিটি ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং অনলাইনে বিভিন্ন গুজব ও বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভুল তথ্যটি হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করেন।

ফ্যাক্টচেক সংস্থা রিউমার স্ক্যানার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই করে নিশ্চিত করেছে — ছবিটি শেখ হাসিনার নয়। এটি ভারতের এক বয়স্ক নারীর ছবি, যা প্রযুক্তি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুল উপস্থাপনার মাধ্যমে বিকৃত করে ব্যবহার করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল বা অনলাইন রিচ বাড়ানোর লক্ষ্যে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো “ডিজিটাল গুজব” এবং সাইবার অপরাধের অংশ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে অস্থিরতা বাড়াতে পারে।

সরকারের পক্ষ থেকে আগেই সতর্ক করা হয়েছে—মিথ্যা তথ্য ছড়ানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই কোনো ছবি বা তথ্য শেয়ার করার আগে তার উৎস ও সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে একই ছবি ব্যবহার করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়ে—যেখানে দাবি করা হয় যে শেখ হাসিনা ভারতের একটি হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। কিন্তু ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে জানা যায়—এটি শেখ হাসিনার নয়, বরং ভারতের বেঙ্গালুরুগামী ফ্লাইটে যাওয়া ৮২ বছর বয়সী এক নারী যাত্রী রাজ পাসরিচার ছবি। দিল্লি বিমানবন্দরে হুইলচেয়ার না পেয়ে হাঁটার ক্লান্তিতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হাসপাতালে ভর্তি হন।

মূলধারার কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে শেখ হাসিনার মৃত্যু বা এমন কোনো অবস্থার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সকল প্রমাণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ফ্যাক্টওয়াচ ভাইরাল এই ছবিকে “বিকৃত” হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং গুজব মোকাবেলায় সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।