ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্টের সফল বাস্তবায়ন হবে: প্রেস সচিব ওসমান হাদির কবরে প্রতিদিন ক্ষমা চাইতে যান এক শহীদের বাবা নাতিকে টাকা ধার না দিতে দাদার মাইকিং গোয়ালন্দে তিন হাজার টাকায় ভাড়াটে খুনি দিয়ে বড় ভাইকে হত্যা: পুলিশ হালান্ডের নতুন লুকে প্রেমিকার আক্ষেপ, বললেন ‘কান্না পাচ্ছে’ ট্রাম্পের অর্থনৈতিক যুদ্ধের ঘোষণাই সামরিকভাবে পরাজয়ের স্বীকারোক্তি: আইআরজিসি বিএনপি সরকারও ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে: ডা. শফিকুর রহমান চেম্বারে ঢুকে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় সেই তরুণী গ্রেফতার ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নৈতিকতার শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে: এটিএম আজহারুল ২০ বছর পর যে দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ করছে আসাম: মুখ্যমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • ৭০১ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই আসামে তথাকথিত ‘বিদেশি’ ঘোষিতদের বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ করছে রাজ্য সরকার। এমনটাই জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। গতকাল শুক্রবার তিনি এ কথা বলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, তাঁর রাজ্য বিদেশি ট্রাইব্যুনাল (এফটি) ঘোষিত ‘বিদেশি’ ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে। গত ৪ ফেব্রুয়ারির সুপ্রিম কোর্টের একটি আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। ওই আদেশে আদালত আসামকে মাটিয়া আটক কেন্দ্রে থাকা ‘ঘোষিত বিদেশিদের’ ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু না করায় ভর্ৎসনা করেছিলেন।

গত ২৩ মে থেকে আসামজুড়ে ‘বিদেশি’ ঘোষিত ব্যক্তিদের ব্যাপকভাবে আটক করা হচ্ছে। আটক অনেক পরিবারই তাদের স্বজনদের অবস্থান সম্পর্কে জানে না এবং কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট তথ্য পায়নি। তারপরও এই লোকজনকে খুব একটা যাচাই বাছাই না করেই বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ করা হচ্ছে। যদিও ভারত বিষয়টি ‘পুশ ব্যাক’ বলে দাবি করছে। পুশ ব্যাক বলতে অনানুষ্ঠানিকভাবে মানুষকে সীমান্ত পার করে দেওয়াকে বোঝায়। বিপরীতে নির্বাসনে একটি দেশের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর এবং পারস্পরিক যাচাই-বাছাইয়ের পর একজন ব্যক্তি অন্য দেশের নাগরিক বলে নিশ্চিত করা হয়।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘আপনারা জানেন, সুপ্রিম কোর্টের একটি মামলা আছে এবং সুপ্রিম কোর্ট আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, যারা বিদেশি ঘোষিত হয়েছে, তাদের যেকোনো উপায়ে (তাদের দেশে) ফেরত পাঠাতে হবে। যাদের বিদেশি ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু আদালতে আপিলও করেননি, আমরা তাদের পুশ ব্যাক (পুশ ইন) করছি। যদি তাদের মধ্যে কেউ আমাদের বলেন যে, তাদের হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে আপিল আছে, তাহলে আমরা তাদের বিরক্ত করছি না।’

এ সময় হিমন্ত গত ৪ ফেব্রুয়ারির সুপ্রিম কোর্টের একটি আদেশের কথা বলেন। বিচারপতি অভয় ওকা ও উজ্জ্বল ভূঁইয়ার বেঞ্চের দেওয়া আদেশে আসামের ‘অবৈধ বিদেশিদের’ জন্য নির্ধারিত মাটিয়া ট্রানজিট ক্যাম্পের বন্দীদের অবস্থা জানতে চাওয়া হয়। জবাবে রাজ্য সরকার জানায়, ৬৩ জন ঘোষিত বিদেশি বন্দীর নির্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়নি, কারণ তাদের ঠিকানা জানা নেই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্টের সফল বাস্তবায়ন হবে: প্রেস সচিব

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ করছে আসাম: মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৫৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

এবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই আসামে তথাকথিত ‘বিদেশি’ ঘোষিতদের বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ করছে রাজ্য সরকার। এমনটাই জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। গতকাল শুক্রবার তিনি এ কথা বলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, তাঁর রাজ্য বিদেশি ট্রাইব্যুনাল (এফটি) ঘোষিত ‘বিদেশি’ ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে। গত ৪ ফেব্রুয়ারির সুপ্রিম কোর্টের একটি আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। ওই আদেশে আদালত আসামকে মাটিয়া আটক কেন্দ্রে থাকা ‘ঘোষিত বিদেশিদের’ ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু না করায় ভর্ৎসনা করেছিলেন।

গত ২৩ মে থেকে আসামজুড়ে ‘বিদেশি’ ঘোষিত ব্যক্তিদের ব্যাপকভাবে আটক করা হচ্ছে। আটক অনেক পরিবারই তাদের স্বজনদের অবস্থান সম্পর্কে জানে না এবং কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট তথ্য পায়নি। তারপরও এই লোকজনকে খুব একটা যাচাই বাছাই না করেই বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ করা হচ্ছে। যদিও ভারত বিষয়টি ‘পুশ ব্যাক’ বলে দাবি করছে। পুশ ব্যাক বলতে অনানুষ্ঠানিকভাবে মানুষকে সীমান্ত পার করে দেওয়াকে বোঝায়। বিপরীতে নির্বাসনে একটি দেশের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর এবং পারস্পরিক যাচাই-বাছাইয়ের পর একজন ব্যক্তি অন্য দেশের নাগরিক বলে নিশ্চিত করা হয়।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘আপনারা জানেন, সুপ্রিম কোর্টের একটি মামলা আছে এবং সুপ্রিম কোর্ট আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, যারা বিদেশি ঘোষিত হয়েছে, তাদের যেকোনো উপায়ে (তাদের দেশে) ফেরত পাঠাতে হবে। যাদের বিদেশি ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু আদালতে আপিলও করেননি, আমরা তাদের পুশ ব্যাক (পুশ ইন) করছি। যদি তাদের মধ্যে কেউ আমাদের বলেন যে, তাদের হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে আপিল আছে, তাহলে আমরা তাদের বিরক্ত করছি না।’

এ সময় হিমন্ত গত ৪ ফেব্রুয়ারির সুপ্রিম কোর্টের একটি আদেশের কথা বলেন। বিচারপতি অভয় ওকা ও উজ্জ্বল ভূঁইয়ার বেঞ্চের দেওয়া আদেশে আসামের ‘অবৈধ বিদেশিদের’ জন্য নির্ধারিত মাটিয়া ট্রানজিট ক্যাম্পের বন্দীদের অবস্থা জানতে চাওয়া হয়। জবাবে রাজ্য সরকার জানায়, ৬৩ জন ঘোষিত বিদেশি বন্দীর নির্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়নি, কারণ তাদের ঠিকানা জানা নেই।