ঢাকা , বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশ প্রশাসন নির্বাচন কমিশন গুলশানের আন্ডারে চলে গেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫১:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

এবার নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও পুলিশ গুলশানের আন্ডারে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ। ৫ জানুয়ারি সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় তার ভেরিফাইড ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এই মন্তব্য করেন ।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেন, নির্বাচন কমিশনের আচরণ একটা উদ্বেগ জনক আচরণ। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত । প্রতিটি ব্যক্তি, ধর্ম ও গোত্রের ক্ষেত্রে আইন সমান হবে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, নির্বাচন কমিশন ব্যক্তি বিশেষে আইনের বিভিন্ন প্রয়োগ ঘটাচ্ছেন। একই কারণে একই রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন বাতিল করা হলেও আবার একই কারণে অন্য একটা রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করছে। এটি নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা নিশ্চিত করবে-তা আমাদেরকে নিরাশ করে। নির্বাচন কমিশনকে আমরা দেখতে পাচ্ছি না। নির্বাচন কমিশনের আন্ডারে প্রশাসন থাকার কথা ছিল, পুলিশ থাকার কথা ছিল। প্রশাসন এবং পুলিশ গুলশানের আন্ডারে চলে গিয়েছে -যা খুবই দুঃখজনক।

তিনি আরো বলেন, আমার এলাকার যেসব বিএনপি নেতা গত দেড় দশকে রাস্তায় আন্দোলন করেছেন, শ্রম দিয়েছে, রাস্তায় হরতাল সফল করার জন্য নেমে এসেছে-তাদের কীভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হচ্ছে। তাদের বিএনপি থেকে মাইনাস করা হচ্ছে। আমরা দেখেছি, গত ৫ আগস্টের পরে বিএনপিকে যেসব মিডিয়া আগুন সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করেছে-সময় এবং ৭১ টেলিভিশনের মালিকদের যখন আমরা দেখি, তারেক জিয়াকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিচ্ছেন-আমি কীভাবে নিই-এটা বিষয় না, বিএনপির যেসব নেতাকর্মী গত দেড় দশক ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন, তারা কীভাবে নেন, সেটি প্রশ্ন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়াকে উদ্দেশ্য করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গত দেড় দশকে যে সকল মিডিয়া তারেক জিয়াকে মাফিয়া বানাতে চক্রান্ত করেছে। তারাই এখন বিএনপি থেকে এখন বড় বিএনপি হওয়ার চেষ্টা করছে-এটি আশঙ্কাজনক। এভাবে একটি ফ্যাসিস্ট উৎপাদন হয়। ওই সব ব্যবসায়ী, মিডিয়া এবং প্রশাসনের লোকরাই এখন বিএনপির সবচেয়ে কাছের। আমরা চাইব না তারেক জিয়া প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও মিডিয়ার এই নেক্সাসে মধ্যে পড়ে যাক ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশ প্রশাসন নির্বাচন কমিশন গুলশানের আন্ডারে চলে গেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট সময় ১০:৫১:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

এবার নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও পুলিশ গুলশানের আন্ডারে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ। ৫ জানুয়ারি সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় তার ভেরিফাইড ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এই মন্তব্য করেন ।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেন, নির্বাচন কমিশনের আচরণ একটা উদ্বেগ জনক আচরণ। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত । প্রতিটি ব্যক্তি, ধর্ম ও গোত্রের ক্ষেত্রে আইন সমান হবে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, নির্বাচন কমিশন ব্যক্তি বিশেষে আইনের বিভিন্ন প্রয়োগ ঘটাচ্ছেন। একই কারণে একই রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন বাতিল করা হলেও আবার একই কারণে অন্য একটা রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করছে। এটি নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা নিশ্চিত করবে-তা আমাদেরকে নিরাশ করে। নির্বাচন কমিশনকে আমরা দেখতে পাচ্ছি না। নির্বাচন কমিশনের আন্ডারে প্রশাসন থাকার কথা ছিল, পুলিশ থাকার কথা ছিল। প্রশাসন এবং পুলিশ গুলশানের আন্ডারে চলে গিয়েছে -যা খুবই দুঃখজনক।

তিনি আরো বলেন, আমার এলাকার যেসব বিএনপি নেতা গত দেড় দশকে রাস্তায় আন্দোলন করেছেন, শ্রম দিয়েছে, রাস্তায় হরতাল সফল করার জন্য নেমে এসেছে-তাদের কীভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হচ্ছে। তাদের বিএনপি থেকে মাইনাস করা হচ্ছে। আমরা দেখেছি, গত ৫ আগস্টের পরে বিএনপিকে যেসব মিডিয়া আগুন সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করেছে-সময় এবং ৭১ টেলিভিশনের মালিকদের যখন আমরা দেখি, তারেক জিয়াকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিচ্ছেন-আমি কীভাবে নিই-এটা বিষয় না, বিএনপির যেসব নেতাকর্মী গত দেড় দশক ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন, তারা কীভাবে নেন, সেটি প্রশ্ন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়াকে উদ্দেশ্য করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গত দেড় দশকে যে সকল মিডিয়া তারেক জিয়াকে মাফিয়া বানাতে চক্রান্ত করেছে। তারাই এখন বিএনপি থেকে এখন বড় বিএনপি হওয়ার চেষ্টা করছে-এটি আশঙ্কাজনক। এভাবে একটি ফ্যাসিস্ট উৎপাদন হয়। ওই সব ব্যবসায়ী, মিডিয়া এবং প্রশাসনের লোকরাই এখন বিএনপির সবচেয়ে কাছের। আমরা চাইব না তারেক জিয়া প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও মিডিয়ার এই নেক্সাসে মধ্যে পড়ে যাক ।