যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার পৌরসভা নির্বাচনের ভোটে অংশ নিয়েছে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজার কিছু অংশের বাসিন্দারা। স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টায় পশ্চিম তীর এবং গাজার কেন্দ্রীয় অঞ্চল দেইর আল–বালাহ’র বাসিন্দারা ভোটপ্রদান শুরু করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দশকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন দেইর আল–বালাহ শহরের ভোটাররা। ২০০৭ সালে হামাস গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর থেকে এখানকার বাসিন্দারা নিজেদের স্থানীয় প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাননি।
পশ্চিম তীরে অবস্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বলছে, গাজার দেইর আল–বালাহ শহরকে প্রতীকীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই অঞ্চলের ওপর তাদের কর্তৃত্বের দাবি আরও জোরালো হবে। ২০০৭ সালে হামাস তাদের সেখান থেকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল। ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজায় এখনো মৌলিক চাহিদা পূরণে সংগ্রামরত বাসিন্দারা ভোট দেয়ার সুযোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে গাজা শাসন করা হামাস নিজেই সিটি কাউন্সিল সদস্য নিয়োগ দিয়ে আসছিল এবং নিয়মিতভাবে স্থানীয়ভাবে নির্বাচন আয়োজন বন্ধ রেখেছিল। যদিও এবারের নির্বাচনের ফলাফল হামাস মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। রামাল্লাভিত্তিক কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এবং গাজার দেইর আল–বালাহ এলাকায় ৭০ হাজার মানুষ ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন।
ইসরাইলের চলমান হামলার মধ্যে গাজার বেশিরভাগ মানুষ এখনও তাদের মৌলিক চাহিদা মেটাতে সংগ্রাম করছেন। এই যুদ্ধে উপত্যকায় অন্তত ৭২ হাজার ৫৬৮ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৮ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইলের যুদ্ধ শুরু করার পর এটিই প্রথম ফিলিস্তিনি নির্বাচন।

ডেস্ক রিপোর্ট 























