এবার ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা জোড়া শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৯৫ জনে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ১১ হাজার ২৬৭ জনের বেশি। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা এবং আশপাশের এলাকায় দ্রুত বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যা। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে স্থানীয় মর্গ ও ফরেনসিক ল্যাবগুলো তাদের ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে ১০ হাজার মরদেহ সংরক্ষণের ব্যাগ (বডি ব্যাগ) পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে জাতিসংঘ।
নিহতদের দাফনের প্রস্তুতিতে দিন–রাত কাজ করছেন স্থানীয় কফিন নির্মাতারা ও স্বেচ্ছাসেবীরা। ফলে স্থানীয় বন্দর ও অস্থায়ী ত্রাণশিবিরগুলোতে শত শত কফিনের স্তূপ দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে এসব এলাকায় ভিড় করছেন অসংখ্য মানুষ।
ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে ভেনেজুয়েলার জরুরি সেবাকর্মীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ৩০টি দেশের ৪ হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক উদ্ধারকর্মী। জীবিত উদ্ধারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে অলৌকিকভাবে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে কয়েকজন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন উদ্ধারকারীরা, যা স্বজনদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ভূমিকম্পে ৫৮ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে লাখো মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি আশ্রয়, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















