ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে পা ও পরিবার হারানো শিশুর স্বপ্ন পূরণ করলেন রোনালদো সত্যি হলো না ভবিষ্যদ্বাণী, মেসিকে হারাতে গিয়ে নিজ দেশকেই বাঁচাতে পারলেন না তান্ত্রিক খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য তৈরি হচ্ছে ৫ কোটি রুটি ‘নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেবে ব্রাজিল’ আমরা ভালো মানুষ বলেই খামেনির দাফনের জন্য ৭ দিন ছুটি দিয়েছি: ট্রাম্প জুলাই আন্দোলন নিয়ে কটাক্ষ, শাওন ও মাহির বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, তিন দেশে ৩৭০০ জনের মৃত্যু সরকারি নথিতে মৃত, নিজেকে ‘জীবিত’ প্রমাণ করতে সরকারি দপ্তরে ঘুরছেন বাদশা নরওয়ের বিপক্ষে লড়াইয়ের আগে বড় সুখবর পেল ব্রাজিল খামেনির জানাজায় অংশ না নিতে বিভিন্ন দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, সহায়তা বন্ধের হুমকি

বিশ্বকাপে নিজেদের ঐতিহাসিক জয় ফিলিস্তিনকে উৎসর্গ করলেন মিশর কোচ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

এবার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পা রেখেছে মিশর। দলের এই ঐতিহাসিক জয় ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি উৎসর্গ করেছেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। ম্যাচ শেষে মিশর ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে মাঠে উদযাপন করেন তিনি। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রাউন্ড অব ৩২এর ম্যাচে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১১ সমতা ছিল। পরে টাইব্রেকারে ৪২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় মিশর।

টাইব্রেকারে মিশরের হয়ে জয়সূচক শটটি নেন হোসাম আবদেলমাগুইদ। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে হ্যারি সাউতার ও লুকাস হেরিংটনের শট প্রতিহত হওয়ায় বিদায় নিতে হয় তাদের। শেষ ষোলোতে মিশরের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ১৩ মিনিটে ইমাম আশুরের হেডে এগিয়ে যায় মিশর। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। এরপর আর কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে হোসাম হাসান বলেন, আল্লাহ যেন ফিলিস্তিনিদের বিজয় দান করেন এবং তাদের শহীদদের প্রতি রহমত বর্ষণ করেন। এই জয় আমি মিশরের জনগণের পাশাপাশি ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি উৎসর্গ করছি। ম্যাচ শেষে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে মাঠে নামেন হাসান। পুরো দলকে নিয়ে সিজদার মাধ্যমে ঐতিহাসিক জয় উদ্‌যাপন করেন তিনি। মিশরের এই জয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন অনেক ফিলিস্তিনি।  

গাজার বাসিন্দা তামের নাহেদ এক্সে লেখেন, এবারই প্রথম এত আগ্রহ নিয়ে বিশ্বকাপ দেখছি। মিশরের জয় আমাকে আনন্দ দিয়েছে, তবে সবচেয়ে আবেগের মুহূর্ত ছিল হাজারো মানুষকে ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িঘর ও তাঁবু থেকে বেরিয়ে একসঙ্গে খেলা দেখতে দেখা। কিছু সময়ের জন্য হলেও সবাই যেন যুদ্ধের বাস্তবতা ভুলে স্বাভাবিক জীবনের অনুভূতি ফিরে পেয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, গাজার ধ্বংসস্তূপের পাশে অস্থায়ী পর্দায় খেলা দেখছেন স্থানীয়রা। অনেক শিশুর মুখে আঁকা ছিল মিশরের পতাকা। জয় নিশ্চিত হওয়ার পর উল্লাসে ফেটে পড়েন দর্শকেরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে পা ও পরিবার হারানো শিশুর স্বপ্ন পূরণ করলেন রোনালদো

বিশ্বকাপে নিজেদের ঐতিহাসিক জয় ফিলিস্তিনকে উৎসর্গ করলেন মিশর কোচ

আপডেট সময় ১০:২৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

এবার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পা রেখেছে মিশর। দলের এই ঐতিহাসিক জয় ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি উৎসর্গ করেছেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। ম্যাচ শেষে মিশর ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে মাঠে উদযাপন করেন তিনি। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রাউন্ড অব ৩২এর ম্যাচে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১১ সমতা ছিল। পরে টাইব্রেকারে ৪২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় মিশর।

টাইব্রেকারে মিশরের হয়ে জয়সূচক শটটি নেন হোসাম আবদেলমাগুইদ। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে হ্যারি সাউতার ও লুকাস হেরিংটনের শট প্রতিহত হওয়ায় বিদায় নিতে হয় তাদের। শেষ ষোলোতে মিশরের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ১৩ মিনিটে ইমাম আশুরের হেডে এগিয়ে যায় মিশর। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। এরপর আর কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে হোসাম হাসান বলেন, আল্লাহ যেন ফিলিস্তিনিদের বিজয় দান করেন এবং তাদের শহীদদের প্রতি রহমত বর্ষণ করেন। এই জয় আমি মিশরের জনগণের পাশাপাশি ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি উৎসর্গ করছি। ম্যাচ শেষে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে মাঠে নামেন হাসান। পুরো দলকে নিয়ে সিজদার মাধ্যমে ঐতিহাসিক জয় উদ্‌যাপন করেন তিনি। মিশরের এই জয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন অনেক ফিলিস্তিনি।  

গাজার বাসিন্দা তামের নাহেদ এক্সে লেখেন, এবারই প্রথম এত আগ্রহ নিয়ে বিশ্বকাপ দেখছি। মিশরের জয় আমাকে আনন্দ দিয়েছে, তবে সবচেয়ে আবেগের মুহূর্ত ছিল হাজারো মানুষকে ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িঘর ও তাঁবু থেকে বেরিয়ে একসঙ্গে খেলা দেখতে দেখা। কিছু সময়ের জন্য হলেও সবাই যেন যুদ্ধের বাস্তবতা ভুলে স্বাভাবিক জীবনের অনুভূতি ফিরে পেয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, গাজার ধ্বংসস্তূপের পাশে অস্থায়ী পর্দায় খেলা দেখছেন স্থানীয়রা। অনেক শিশুর মুখে আঁকা ছিল মিশরের পতাকা। জয় নিশ্চিত হওয়ার পর উল্লাসে ফেটে পড়েন দর্শকেরা।