ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পর্তুগালের নতুন কোচ জেসুস ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না ইতালি: মেলোনি খামেনির শেষযাত্রার পথে মার্কিন হামলা, রেলসেতু ধ্বংসের পর বন্ধ ট্রেন চলাচল আগামী নির্বাচন হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে: আইনমন্ত্রী সেন্ট মার্টিন–শাহপরীর দ্বীপে ভেসে এলো ৩ অর্ধগলিত মরদেহ ‘অবৈধ’ ইসরায়েলিদের তৈরি পণ্য নিষিদ্ধ করল আয়ারল্যান্ড আর্জেন্টিনা–মিশর বিতর্কে মুখ খুলল ফিফা ৬ মিনিট সময় পেলে তুমি কী করবে? জবাবে মামদানি বললেন, মিসরের ডাকাতির শিকার হওয়ার রিপ্লে দেখব শিল্পচর্চাকেই নিজের স্বপ্নপূরণের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছি: সালমান মিশরের বিতর্কিত হারের পর মরক্কোর সংহতি, ভাইরাল এক্স পোস্ট

আর্জেন্টিনা–মিশর বিতর্কে মুখ খুলল ফিফা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩৬:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচগুলোর একটি—আর্জেন্টিনা বনাম মিশর। রেফারিং ও ভিএআরের একাধিক সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলেছে ফিফা। সংস্থাটির প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনা জানিয়েছেন, ম্যাচের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই ফুটবলের নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।

শেষ ষোলোর ওই ম্যাচে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে হেরে যায় মিশর। ম্যাচ শেষে মিশর অভিযোগ তোলে, মোস্তফা জিকোর বাতিল গোল এবং আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে মোহামেদ সালাহকে পেনাল্টি না দেওয়া—এই দুই সিদ্ধান্তই ম্যাচের ফল বদলে দিয়েছে।

তবে ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনা এসব অভিযোগ নাকচ করে বলেন, ম্যাচ কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে কাজ করেন এবং তাদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নেই। তার ভাষায়, ভিত্তিহীন অভিযোগ শুধু রেফারিদের নয়, তাদের পরিবারের জন্যও ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

জিকোর বাতিল গোল প্রসঙ্গে কলিনা জানান, গোল হওয়ার আগে আক্রমণ গঠনের সময় মারওয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পায়ে আঘাত করেন, যা ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী ফাউল। তাই ভিএআরের হস্তক্ষেপ এবং গোল বাতিল—দুটিই সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।

আর সালাহর পেনাল্টি দাবির বিষয়ে ফিফার ব্যাখ্যা, হুলিয়ান আলভারেজ আগে বল স্পর্শ করেছিলেন। এরপর যে সংস্পর্শ হয়েছে, সেটিকে স্বাভাবিক ফুটবলীয় সংঘর্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তাই পেনাল্টি দেওয়ার মতো কোনো ফাউল দেখেনি রেফারি কিংবা ভিএআর।

সব বিতর্কের পর ফিফার অবস্থান স্পষ্ট—মিশরের বাতিল গোল, সালাহর পেনাল্টি দাবি এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোল—সব ক্ষেত্রেই ম্যাচ কর্মকর্তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেই মনে করছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে এই ব্যাখ্যায় বিতর্ক থামবে, নাকি নতুন করে আলোচনা শুরু হবে—সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্তুগালের নতুন কোচ জেসুস

আর্জেন্টিনা–মিশর বিতর্কে মুখ খুলল ফিফা

আপডেট সময় ০২:৩৬:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচগুলোর একটি—আর্জেন্টিনা বনাম মিশর। রেফারিং ও ভিএআরের একাধিক সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলেছে ফিফা। সংস্থাটির প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনা জানিয়েছেন, ম্যাচের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই ফুটবলের নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।

শেষ ষোলোর ওই ম্যাচে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে হেরে যায় মিশর। ম্যাচ শেষে মিশর অভিযোগ তোলে, মোস্তফা জিকোর বাতিল গোল এবং আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে মোহামেদ সালাহকে পেনাল্টি না দেওয়া—এই দুই সিদ্ধান্তই ম্যাচের ফল বদলে দিয়েছে।

তবে ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনা এসব অভিযোগ নাকচ করে বলেন, ম্যাচ কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে কাজ করেন এবং তাদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নেই। তার ভাষায়, ভিত্তিহীন অভিযোগ শুধু রেফারিদের নয়, তাদের পরিবারের জন্যও ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

জিকোর বাতিল গোল প্রসঙ্গে কলিনা জানান, গোল হওয়ার আগে আক্রমণ গঠনের সময় মারওয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পায়ে আঘাত করেন, যা ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী ফাউল। তাই ভিএআরের হস্তক্ষেপ এবং গোল বাতিল—দুটিই সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।

আর সালাহর পেনাল্টি দাবির বিষয়ে ফিফার ব্যাখ্যা, হুলিয়ান আলভারেজ আগে বল স্পর্শ করেছিলেন। এরপর যে সংস্পর্শ হয়েছে, সেটিকে স্বাভাবিক ফুটবলীয় সংঘর্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তাই পেনাল্টি দেওয়ার মতো কোনো ফাউল দেখেনি রেফারি কিংবা ভিএআর।

সব বিতর্কের পর ফিফার অবস্থান স্পষ্ট—মিশরের বাতিল গোল, সালাহর পেনাল্টি দাবি এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোল—সব ক্ষেত্রেই ম্যাচ কর্মকর্তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেই মনে করছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে এই ব্যাখ্যায় বিতর্ক থামবে, নাকি নতুন করে আলোচনা শুরু হবে—সেটাই এখন দেখার বিষয়।