২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আবারও ফ্রান্সের কাছে থামল মরক্কোর স্বপ্ন। কোয়ার্টার ফাইনালে ২-০ গোলের হারে বিদায় নেওয়ার পর প্রতিপক্ষের শ্রেষ্ঠত্ব অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন মরক্কো কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি।
ম্যাচ শেষে ওয়াহবি বলেন, ফ্রান্সের আক্রমণভাগের মানই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। তার ভাষায়, প্রথমার্ধেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মরক্কোকে চাপে ফেলে দেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
কিলিয়ান এমবাপে ও উসমান দেম্বেলের গোলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ফ্রান্স। তবে গোলের আগেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছিল দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। ওয়াহবি বলেন, দুই প্রান্ত দিয়ে ফ্রান্সের আক্রমণ সামলাতে তাদের দলকে ভুগতে হয়েছে। আর বল পেলেও দ্রুত পাল্টা আক্রমণে যেতে পারেনি মরক্কো।
প্রথমার্ধে গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোর একাধিক দারুণ সেভ, এমনকি এমবাপের পেনাল্টি ঠেকিয়েও ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিল মরক্কোকে। দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা উন্নতি করলেও সেটি জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
ওয়াহবির মতে, বিরতির পর দল বলের দখল ও ট্রানজিশনে উন্নতি করেছিল। কিন্তু ফ্রান্সের মতো উচ্চমানের দলের বিপক্ষে সৃজনশীলতার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই এই হার মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।
মরক্কো কোচ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এই পরাজয়ের জন্য তিনি কোনো অজুহাত দিতে চান না। বরং এটিকে দলের শেখার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি ফ্রান্সকে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল বলেও প্রশংসা করেছেন তিনি।
টানা দুই বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কাছে বিদায় নিলেও, মরক্কোর লড়াই ও আত্মবিশ্বাস ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বার্তাই দিচ্ছে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

ডেস্ক রিপোর্ট 























