ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক রাতে রাশিয়ার ২৮ জাহাজে হামলা ইউক্রেনের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

আজভ সাগরে রাশিয়ার ২১টি তেলবাহী ট্যাংকারসহ মোট ২৮টি জাহাজে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন। একই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ডন-আজভ খাল দিয়ে নৌযান চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে রাশিয়া।

 

ইউক্রেনের মানববিহীন সিস্টেম বাহিনীর কমান্ডার রবার্ট ব্রোভদি জানান, শুক্রবার রাতের অভিযানে ২১টি ট্যাংকার, চারটি টাগবোট, দুটি শুষ্ক পণ্যবাহী জাহাজ এবং একটি বিশেষায়িত জাহাজে মোট ৭৩টি সফল আঘাত হানা হয়েছে। খবর কিয়েভ ইন্টারন্যাশনালের।

 

তিনি জানান, ‘রাশিয়ার ট্যাংকার বহর দ্রুত ছোট হয়ে আসছে। কের্চ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে।’

 

ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ এক বিবৃতিতে জানায়, এসব ট্যাংকার আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল ও জ্বালানি পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। সেখান থেকে পাওয়া অর্থ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সামরিক অভিযান পরিচালনায় ব্যয় করা হয়।

 

এতে আরও বলা হয়, টাগবোট, পণ্যবাহী ও বিশেষায়িত জাহাজগুলো রাশিয়ার সামরিক রসদ পরিবহন, বন্দর পরিচালনা এবং লজিস্টিক সহায়তায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

 

তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এক রাতে রাশিয়ার ২৮ জাহাজে হামলা ইউক্রেনের

আপডেট সময় ১০:১৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

আজভ সাগরে রাশিয়ার ২১টি তেলবাহী ট্যাংকারসহ মোট ২৮টি জাহাজে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন। একই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ডন-আজভ খাল দিয়ে নৌযান চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে রাশিয়া।

 

ইউক্রেনের মানববিহীন সিস্টেম বাহিনীর কমান্ডার রবার্ট ব্রোভদি জানান, শুক্রবার রাতের অভিযানে ২১টি ট্যাংকার, চারটি টাগবোট, দুটি শুষ্ক পণ্যবাহী জাহাজ এবং একটি বিশেষায়িত জাহাজে মোট ৭৩টি সফল আঘাত হানা হয়েছে। খবর কিয়েভ ইন্টারন্যাশনালের।

 

তিনি জানান, ‘রাশিয়ার ট্যাংকার বহর দ্রুত ছোট হয়ে আসছে। কের্চ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে।’

 

ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ এক বিবৃতিতে জানায়, এসব ট্যাংকার আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল ও জ্বালানি পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। সেখান থেকে পাওয়া অর্থ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সামরিক অভিযান পরিচালনায় ব্যয় করা হয়।

 

এতে আরও বলা হয়, টাগবোট, পণ্যবাহী ও বিশেষায়িত জাহাজগুলো রাশিয়ার সামরিক রসদ পরিবহন, বন্দর পরিচালনা এবং লজিস্টিক সহায়তায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

 

তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন।