ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আমার কাছে কাজ করতে হলে ঘুষ দিতেই হবে’ সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা, রাতের মধ্যে শর্ত না মানলে কাল লংমার্চ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সরকারের পরিণতি আ.লীগের মতো হবে: সারজিস এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ভুল, ৪ শিক্ষককে শোকজ গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসতে হবে বন্যায় শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে পরীক্ষা পেছানোর আহ্বান রিজভীর পরীক্ষায় শেখ মুজিবকে নিয়ে প্রশ্ন, সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পছন্দের রেফারি পেয়েছেন মেসি! চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছে টাকা চেয়ে দুই ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য গ্রেপ্তার ইরানে আরও শক্তিশালী হামলা চালানো হবে: নেতানিয়াহু

পরীক্ষায় শেখ মুজিবকে নিয়ে প্রশ্ন, সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার খাস মহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের দশম শ্রেণির ২০২৬ সালের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বিষয়ে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্রকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্নপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।

 

ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রে দেখা যায়, ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় দুটি সৃজনশীল প্রশ্ন ছিল। সেখানে বঙ্গবন্ধুর উপাধি, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, মুজিবনগর সরকারসহ কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রশ্ন নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

 

প্রশ্নপত্রে দেখা যায়, ৭নং প্রশ্নের ক, খ এবং ৮নং প্রশ্নের ক, খ-তে শেখ মুজিব, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, মুজিবনগর সরকার ও যুক্তফ্রন্ট নিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা প্রয়োজন ছিল।

 

এ বিষয়ে খাস মহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন আমরা নিজেরা প্রণয়ন করি না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ করা হয়। প্রশ্নগুলো সিলগালা অবস্থায় থাকে। পরীক্ষা কমিটি পরীক্ষার দিনই তা খোলে। আগে থেকে প্রশ্ন দেখার সুযোগ থাকে না। বিষয়টি কোথা থেকে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একাডেমিক সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের প্রশ্ন বাইরে থেকে করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকের কাছ থেকেই প্রশ্ন নেওয়ার কথা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রশ্ন এড়িয়ে চলা উচিত ছিল। প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কমিটির প্রশ্নটি যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন ছিল।

 

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস আলী আযিযী এই প্রতিবেদককে মঙ্গলবার রাতে জানান, এ বিষয়টির সত্যতা পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করব এবং তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমার কাছে কাজ করতে হলে ঘুষ দিতেই হবে’

পরীক্ষায় শেখ মুজিবকে নিয়ে প্রশ্ন, সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক

আপডেট সময় ১১:৩০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার খাস মহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের দশম শ্রেণির ২০২৬ সালের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বিষয়ে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্রকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্নপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।

 

ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রে দেখা যায়, ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় দুটি সৃজনশীল প্রশ্ন ছিল। সেখানে বঙ্গবন্ধুর উপাধি, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, মুজিবনগর সরকারসহ কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রশ্ন নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

 

প্রশ্নপত্রে দেখা যায়, ৭নং প্রশ্নের ক, খ এবং ৮নং প্রশ্নের ক, খ-তে শেখ মুজিব, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, মুজিবনগর সরকার ও যুক্তফ্রন্ট নিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা প্রয়োজন ছিল।

 

এ বিষয়ে খাস মহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন আমরা নিজেরা প্রণয়ন করি না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ করা হয়। প্রশ্নগুলো সিলগালা অবস্থায় থাকে। পরীক্ষা কমিটি পরীক্ষার দিনই তা খোলে। আগে থেকে প্রশ্ন দেখার সুযোগ থাকে না। বিষয়টি কোথা থেকে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একাডেমিক সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের প্রশ্ন বাইরে থেকে করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকের কাছ থেকেই প্রশ্ন নেওয়ার কথা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রশ্ন এড়িয়ে চলা উচিত ছিল। প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কমিটির প্রশ্নটি যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন ছিল।

 

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস আলী আযিযী এই প্রতিবেদককে মঙ্গলবার রাতে জানান, এ বিষয়টির সত্যতা পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করব এবং তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।