ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামাস অস্ত্র ছাড়বে, ধাপে ধাপে সরবে ইসরায়েলি বাহিনী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

গাজায় দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসানে বড় ধরনের অগ্রগতির দাবি উঠেছে। হামাস জানিয়েছে, যুদ্ধের ইতি টানতে তারা অস্ত্র ত্যাগে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। আর এর বিনিময়ে ধাপে ধাপে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারে রাজি হয়েছে ইসরায়েল। দুই পক্ষের এই সমঝোতাকে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাজার সাধারণ মানুষকে প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতি থেকে রক্ষা করতেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হামাসের আলোচক দলের সদস্য গাজি হামাদ বলেন, নিরস্ত্রীকরণে সম্মতি দেওয়া হলেও পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করবে গাজার জাতীয় প্রশাসনিক কমিটি। এতে ইসরায়েলের কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না।

সমঝোতা অনুযায়ী, হামাস ধাপে ধাপে অস্ত্র জমা দেবে এবং একই সময়ে গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল। তবে হামাস স্পষ্ট জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি চুক্তির শর্ত যথাযথভাবে পালন না করে, তাহলে তারাও কোনো ধাপ বাস্তবায়ন করবে না।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ এই সমঝোতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এই চুক্তি গাজায় নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গঠনের পথ খুলে দিতে পারে এবং এতে ইসরায়েলের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।

যদিও শান্তি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা জাতীয় কমিটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে গাজায় কাজ শুরু করেনি। ফলে চুক্তি বাস্তবায়ন এবং যুদ্ধের স্থায়ী অবসান এখন অনেকটাই নির্ভর করছে দুই পক্ষের প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকার ওপর।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হামাস অস্ত্র ছাড়বে, ধাপে ধাপে সরবে ইসরায়েলি বাহিনী

আপডেট সময় ০৩:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

গাজায় দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসানে বড় ধরনের অগ্রগতির দাবি উঠেছে। হামাস জানিয়েছে, যুদ্ধের ইতি টানতে তারা অস্ত্র ত্যাগে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। আর এর বিনিময়ে ধাপে ধাপে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারে রাজি হয়েছে ইসরায়েল। দুই পক্ষের এই সমঝোতাকে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাজার সাধারণ মানুষকে প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতি থেকে রক্ষা করতেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হামাসের আলোচক দলের সদস্য গাজি হামাদ বলেন, নিরস্ত্রীকরণে সম্মতি দেওয়া হলেও পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করবে গাজার জাতীয় প্রশাসনিক কমিটি। এতে ইসরায়েলের কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না।

সমঝোতা অনুযায়ী, হামাস ধাপে ধাপে অস্ত্র জমা দেবে এবং একই সময়ে গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল। তবে হামাস স্পষ্ট জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি চুক্তির শর্ত যথাযথভাবে পালন না করে, তাহলে তারাও কোনো ধাপ বাস্তবায়ন করবে না।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ এই সমঝোতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এই চুক্তি গাজায় নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গঠনের পথ খুলে দিতে পারে এবং এতে ইসরায়েলের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।

যদিও শান্তি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা জাতীয় কমিটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে গাজায় কাজ শুরু করেনি। ফলে চুক্তি বাস্তবায়ন এবং যুদ্ধের স্থায়ী অবসান এখন অনেকটাই নির্ভর করছে দুই পক্ষের প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকার ওপর।