ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করলে জবাব পাবে দুই দেশ: ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:০৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধবিমান ও বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ায় বুলগেরিয়া ও সাইপ্রাসকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, কোনো দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালানো হলে তার পরিণতি সেই দেশকেও ভোগ করতে হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, বুলগেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেলিস্লাভা পেত্রোভা-চামোভার সঙ্গে ফোনালাপে আরাঘচি বেজমির বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে সহযোগিতার শামিল এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী।

এর আগে বুলগেরিয়ার পার্লামেন্ট বেজমির ঘাঁটিতে ৮টি মার্কিন কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিমান ও ২৫০ সেনা সদস্য মোতায়েনের অনুমোদন দেয়। তবে সোফিয়ার দাবি, এই ঘাঁটি কোনো আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হবে না।

একই দিনে সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কনস্ট্যান্টিনোস কোম্বোসের সঙ্গেও কথা বলেন আরাঘচি। তিনি সাইপ্রাসে থাকা বিদেশি সামরিক ঘাঁটিগুলো যেন ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের দুটি সার্বভৌম সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এর আগে ওই ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় সহায়তার অভিযোগ তুলে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল তেহরান। নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করলে জবাব পাবে দুই দেশ: ইরান

আপডেট সময় ০৪:০৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধবিমান ও বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ায় বুলগেরিয়া ও সাইপ্রাসকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, কোনো দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালানো হলে তার পরিণতি সেই দেশকেও ভোগ করতে হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, বুলগেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেলিস্লাভা পেত্রোভা-চামোভার সঙ্গে ফোনালাপে আরাঘচি বেজমির বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে সহযোগিতার শামিল এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী।

এর আগে বুলগেরিয়ার পার্লামেন্ট বেজমির ঘাঁটিতে ৮টি মার্কিন কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিমান ও ২৫০ সেনা সদস্য মোতায়েনের অনুমোদন দেয়। তবে সোফিয়ার দাবি, এই ঘাঁটি কোনো আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হবে না।

একই দিনে সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কনস্ট্যান্টিনোস কোম্বোসের সঙ্গেও কথা বলেন আরাঘচি। তিনি সাইপ্রাসে থাকা বিদেশি সামরিক ঘাঁটিগুলো যেন ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের দুটি সার্বভৌম সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এর আগে ওই ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় সহায়তার অভিযোগ তুলে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল তেহরান। নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।