সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এক ইমামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। জামিন শুনানির সময় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
বুধবার অভিযুক্ত হুমায়ুন আহমেদকে বিশ্বম্ভরপুর জোনের আমলগ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এমদাদ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী আদালতে জবানবন্দি দেন।
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হুমায়ুন আহমেদ উপজেলার একটি জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় এবং বিষয়টি প্রকাশ করলে ছুরির ভয় দেখানো হয়। একপর্যায়ে তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত তা অস্বীকার করেন এবং ভয়ভীতি দেখান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ জুলাই ভুক্তভোগীর বাবা সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাঘবের বাজার এলাকা থেকে হুমায়ুন আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে অভিযুক্তের স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা মামলাটিকে মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

ডেস্ক রিপোর্ট 























