ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘বাড়িত কি সবাই পুড়া মরছে, কেউ ফোন ধরিচ্ছু না’ সৌদিতে নিহতের শেষ কথা ফের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, পুলিশের লাঠিচার্জ-জলকামান ব্যবহার ৫৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৫ জনই পেল জিপিএ-৫ থানার ভেতর সিআইডি কর্মকর্তাকে থাপ্পড়, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার ওমান উপকূলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন সমর্থিত জাহাজে আগুন দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, রড ঢুকে প্রাণ গেল বিচারকের সমুদ্রের পানিতে মিলল ভয়ংকর ‘মাংসখেকো’ ব্যাকটেরিয়া, মৃত্যু হতে পারে তিন দিনেই  ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, চুপ্পু-এস আলমসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ ইংরেজি ও গণিত ফেলের হার বাড়িয়ে দেয়: ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দয়ের

শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে দেশসেরা নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

এসএসসির ফলাফলে ধারাবাহিকভাবে দেশসেরা ফল লাভ করেছে নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস। এ বছর ৩৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ৩৮২ জনই জিপিএ ৫ পেয়েছে। আজ সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় অনলাইনে এসএসসির ফলাফল ঘোষণার পর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন। প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল কাদির মোল্লা ও নাছিমা মোল্লা। এর আগে ২০২২, ২০১৭, ২০১৫ ও ২০২৫ সালে শতভাগ পাসসহ শতভাগ জিপিএ৫ পেয়ে দেশসেরা ফল অর্জন করেছিল এই প্রতিষ্ঠানটি।

বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পিইসি, জেএসসি ও এসএসসিতে টানা শতভাগ পাসসহ ফলাফলের ভিত্তিতে প্রায় প্রতিবছরই বোর্ডে দেশসেরার স্থান দখল করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭৬ জন ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ৩৮২ শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ ৫ পেয়েছে। এর আগে গত বছর ৩২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৩২০ জনই জিপিএ ৫ পেয়েছিল। ২০২৪ সালে ২৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২৯৩ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। গত ২০২৩ সালে ২৭৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২৭০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

২০২২ সালে ২৬৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২৬৬ জনই জিপিএ ৫ পেয়েছিল। এ ছাড়া ২০২১ সালে ২৪৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২৩৭ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। ২০২০ সালে ২১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২০০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। ২০১৯ সালে ১৭১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ১৬৮ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। ২০১৮ সালে ১৩৯  জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ  ১৩৭  জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল এবং ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১৬৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পাওয়া মুশফিকুর হাসান সিয়াম ও শাহজাদি সিদ্দিকী জানায়, ‘দেশের নানা প্রতিকূলতার কারণে পড়ালেখার অনেক ব্যাঘাত ঘটেছিল। শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রমে আমরা তা কাভার করতে পেরেছি। আজকে আমাদের দেশসেরা ফলাফলে সব দুঃখ কষ্ট মুছে যাবে। বিজ্ঞান বিভাগের জিপিএ ৫ পাওয়া আরেক শিক্ষার্থী বলে, এই ফলের জন্য আমাদের বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান স্যারের নির্দেশনায় শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ ক্লাস, গাইড টিচারের মাধ্যমে নিয়মিত হোম ভিজিট, টিউটোরিয়াল ও মাসিক পরীক্ষার কারণেই এই ভালো ফল সম্ভব হয়েছে।

নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বরাবরই ভালো ফল করছে। এবার শতভাগ পাসসহ শতভাগ জিপিএ ৫ পেয়ে দেশসেরা ফলাফলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে। সারা দেশের সার্বিক ফলাফল বিশ্লেষণ করলে আশা করছি আমরা দেশসেরা অবস্থানে থাকব। মূলত নরসিংদীর মতো মফস্বল শহরে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়েই আমি ও আমার সহধর্মিণী নাসিমা বেগম স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। আমি সবসময় চেয়েছি সুশিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানব সম্পদে পরিণত হোক। যাতে আমাদের সমাজে সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত বেকার তৈরি না হয়। তিনি আরো বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চারটি স্তম্ভ। পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। আমাদের ভালো ফলাফলের মূল কারণ আমরা একে অপরের কাছ থেকে কখনো বিচ্ছিন্ন হতে দিই না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন বলেন, ‘একটি বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফলের মূলমন্ত্র হচ্ছে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষকশিক্ষার্থী ও অভিভাবদের মধ্যে সমন্বয়। আর আমাদের মূলমন্ত্র হচ্ছে আবদুল কাদির মোল্লা স্যারের ইনোভেটিভ চিন্তাচেতনা, সময়োপযোগী সঠিক দিকনির্দেশনায় আমাদের এই ফল অব্যাহত আছে। এ ছাড়া আমাদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এত কঠোর পরিশ্রম করেন যেখানে ভালো ফল করতে বাধ্য। আমরা শুধু একাডেমিক ফলাফলে নয়, কোএক্টিভিটি কারিকুলামেও দেশসেরার সুফল অর্জন করে আসছি। নরসিংদীতে মানসম্মত শিক্ষাদানের অঙ্গীকার নিয়ে ২০০৮ সালে শহরের ভেলানগর এলাকায় থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা নরসিংদীতে তার এবং তার স্ত্রী নাসিমা বেগমের নামে যৌথভাবে নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ১৭৪ জন তরুণ ও মেধাবী শিক্ষকশিক্ষিকার সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্কুলটি কঠোর শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে স্কুলটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ২০০ জন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বাড়িত কি সবাই পুড়া মরছে, কেউ ফোন ধরিচ্ছু না’ সৌদিতে নিহতের শেষ কথা

শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে দেশসেরা নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস

আপডেট সময় ০১:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

এসএসসির ফলাফলে ধারাবাহিকভাবে দেশসেরা ফল লাভ করেছে নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস। এ বছর ৩৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ৩৮২ জনই জিপিএ ৫ পেয়েছে। আজ সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় অনলাইনে এসএসসির ফলাফল ঘোষণার পর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন। প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল কাদির মোল্লা ও নাছিমা মোল্লা। এর আগে ২০২২, ২০১৭, ২০১৫ ও ২০২৫ সালে শতভাগ পাসসহ শতভাগ জিপিএ৫ পেয়ে দেশসেরা ফল অর্জন করেছিল এই প্রতিষ্ঠানটি।

বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পিইসি, জেএসসি ও এসএসসিতে টানা শতভাগ পাসসহ ফলাফলের ভিত্তিতে প্রায় প্রতিবছরই বোর্ডে দেশসেরার স্থান দখল করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭৬ জন ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ৩৮২ শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ ৫ পেয়েছে। এর আগে গত বছর ৩২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৩২০ জনই জিপিএ ৫ পেয়েছিল। ২০২৪ সালে ২৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২৯৩ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। গত ২০২৩ সালে ২৭৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২৭০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

২০২২ সালে ২৬৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২৬৬ জনই জিপিএ ৫ পেয়েছিল। এ ছাড়া ২০২১ সালে ২৪৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২৩৭ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। ২০২০ সালে ২১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২০০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। ২০১৯ সালে ১৭১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ১৬৮ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। ২০১৮ সালে ১৩৯  জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ  ১৩৭  জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল এবং ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১৬৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পাওয়া মুশফিকুর হাসান সিয়াম ও শাহজাদি সিদ্দিকী জানায়, ‘দেশের নানা প্রতিকূলতার কারণে পড়ালেখার অনেক ব্যাঘাত ঘটেছিল। শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রমে আমরা তা কাভার করতে পেরেছি। আজকে আমাদের দেশসেরা ফলাফলে সব দুঃখ কষ্ট মুছে যাবে। বিজ্ঞান বিভাগের জিপিএ ৫ পাওয়া আরেক শিক্ষার্থী বলে, এই ফলের জন্য আমাদের বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান স্যারের নির্দেশনায় শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ ক্লাস, গাইড টিচারের মাধ্যমে নিয়মিত হোম ভিজিট, টিউটোরিয়াল ও মাসিক পরীক্ষার কারণেই এই ভালো ফল সম্ভব হয়েছে।

নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বরাবরই ভালো ফল করছে। এবার শতভাগ পাসসহ শতভাগ জিপিএ ৫ পেয়ে দেশসেরা ফলাফলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে। সারা দেশের সার্বিক ফলাফল বিশ্লেষণ করলে আশা করছি আমরা দেশসেরা অবস্থানে থাকব। মূলত নরসিংদীর মতো মফস্বল শহরে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়েই আমি ও আমার সহধর্মিণী নাসিমা বেগম স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। আমি সবসময় চেয়েছি সুশিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানব সম্পদে পরিণত হোক। যাতে আমাদের সমাজে সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত বেকার তৈরি না হয়। তিনি আরো বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চারটি স্তম্ভ। পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। আমাদের ভালো ফলাফলের মূল কারণ আমরা একে অপরের কাছ থেকে কখনো বিচ্ছিন্ন হতে দিই না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন বলেন, ‘একটি বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফলের মূলমন্ত্র হচ্ছে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষকশিক্ষার্থী ও অভিভাবদের মধ্যে সমন্বয়। আর আমাদের মূলমন্ত্র হচ্ছে আবদুল কাদির মোল্লা স্যারের ইনোভেটিভ চিন্তাচেতনা, সময়োপযোগী সঠিক দিকনির্দেশনায় আমাদের এই ফল অব্যাহত আছে। এ ছাড়া আমাদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এত কঠোর পরিশ্রম করেন যেখানে ভালো ফল করতে বাধ্য। আমরা শুধু একাডেমিক ফলাফলে নয়, কোএক্টিভিটি কারিকুলামেও দেশসেরার সুফল অর্জন করে আসছি। নরসিংদীতে মানসম্মত শিক্ষাদানের অঙ্গীকার নিয়ে ২০০৮ সালে শহরের ভেলানগর এলাকায় থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা নরসিংদীতে তার এবং তার স্ত্রী নাসিমা বেগমের নামে যৌথভাবে নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ১৭৪ জন তরুণ ও মেধাবী শিক্ষকশিক্ষিকার সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্কুলটি কঠোর শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে স্কুলটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ২০০ জন।