ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জমকালো গালায় ‘ফেস অব টুমোরো ২০২৬’-এর চ্যাম্পিয়ন রাইসা-লাবন বিএনপি জনগণের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে: পাটওয়ারী শাবনূর সালমানকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাচ্ছিল, আমি দেখে ফেলেছিলাম : সামিরা হক অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে কাল, ফখরুলই হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ভারতে বাজার করতে বেরিয়েছিলেন মুসলিম নারী, তুলে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ ইন চাকরি হারালেন রাব্বানীর ভাই ও বিপ্লব কুমারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে ছাত্রদল-যুবদল সংঘর্ষ, ঢাকা কলেজের ৫ নেতা বহিষ্কার ‘জাতি’ দিয়ে দুই মাসের শিশুকে গলা কেটে হত্যা করলেন মা একজন ভালো অভিনেতা হতে চাই: এমএইচএস লাবন

জমকালো গালায় ‘ফেস অব টুমোরো ২০২৬’-এর চ্যাম্পিয়ন রাইসা-লাবন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:০২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর International Convention City Bashundhara—ICCB-তে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পী খোঁজার উদ্যোগ ‘Face of Tomorrow 2026’-এর প্রথম আসর।

গত ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘Grand Cinematic Gala’-তে ঘোষণা করা হয় প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ফলাফল। সেরা ২০ প্রতিযোগীর মধ্য থেকে বিচারকদের মূল্যায়নে চ্যাম্পিয়ন কাপল নির্বাচিত হয়েছেন রাইসা ও লাবন। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা পেয়েছেন ৫ লাখ টাকা।

এদিকে, সিফনা ও সৌমিক হয়েছেন প্রথম রানার্সআপ। তারা পেয়েছেন ৩ লাখ টাকা। আর দ্বিতীয় রানার্সআপ মুনমুন ও তমাল পেয়েছেন ১ লাখ টাকা।

দেশের নতুন প্রজন্মের শিল্পী তৈরি এবং বাংলাদেশের পর্যটন, সংস্কৃতি ও মানুষের গল্প সিনেম্যাটিক স্টোরিটেলিংয়ের মাধ্যমে তুলে ধরার লক্ষ্যেই Marketers 360 Degree-এর উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ‘Face of Tomorrow 2026’। বৃহত্তর ‘চলো ঘুরে আসি’—A Bangladesh-Centric Travel, Culture & Community Movement-এর অংশ হিসেবেই পরিচালিত হয়েছে পুরো আয়োজন।

সারাদেশ থেকে আসা ৫ হাজার ৪৭১টিরও বেশি আবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাছাই প্রক্রিয়া। একাধিক ধাপের অডিশন, মূল্যায়ন, প্রশিক্ষণ ও Cinematic Bootcamp শেষে নির্বাচিত হন সেরা ২০ প্রতিযোগী।

তবে এটিকে শুধু একটি Talent Hunt হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। নির্বাচিত শিল্পীদের বাস্তব চলচ্চিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতা দিতে তাদের যুক্ত করা হয়েছে ‘চলো ঘুরে আসি’ Cinematic Travel Franchise-এর প্রথম উদ্যোগে। এর আওতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকেশন ও গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।

গ্র্যান্ড গালা অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন জনপ্রিয় সঞ্চালক আইশা খান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, সেন্সর বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রহমান, চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল, অভিনেতা মিশা সওদাগর, নির্মাতা ও অভিনেতা গাজী রাকায়েতসহ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রকল্পের প্রধান তিন বিচারক—নির্মাতা অনিমেষ আইচ, অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান ও নাজনীন হাসান চুমকির পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের আরও ১০ জন স্বনামধন্য পরিচালক।

অনুষ্ঠানে ‘চলো ঘুরে আসি’-এর আওতায় নির্মিতব্য ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের গল্প, নির্মাতা, লোকেশন ও কাস্টিং পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়।

নতুনদের নিয়ে এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন চিত্রনায়ক মিশা সওদাগর। তিনি ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের একটি সিনেমায় কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই অভিনয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেন। আর গাজী রাকায়েত নতুনদের এই পথচলাকে দেশের সংস্কৃতি ও বিনোদন জগতের জন্য ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

গ্র্যান্ড গালায় ছিল বর্ণিল সাংস্কৃতিক ও সিনেম্যাটিক আয়োজন। কোরিওগ্রাফার মোফাসসাল আলিফ, ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার বুলবুল টুম্পা ও Beatmosphere-এর বিটবক্সিং পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ছিল বিশেষ মঞ্চনাট্য এবং Top 20 প্রতিযোগীদের বিভিন্ন পরিবেশনা।

আয়োজক Marketers 360 Degree জানিয়েছে, ‘Face of Tomorrow’-এর লক্ষ্য শুধু নতুন শিল্পী খুঁজে বের করা নয়; বরং প্রশিক্ষণ, বাস্তব প্রযোজনায় কাজের সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি Artist Development-এর মাধ্যমে তাদের পেশাদার শিল্পী হিসেবে গড়ে তোলা।

একই সঙ্গে ‘চলো ঘুরে আসি’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের কম পরিচিত গন্তব্য, মানুষ, সংস্কৃতি, ইতিহাস, প্রকৃতি ও জীবনযাপনের গল্প সিনেমা ও কনটেন্টের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের দর্শকের কাছে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

আয়োজকদের মতে, ‘Face of Tomorrow’ কোনো সমাপ্তি নয়, বরং নতুন শিল্পীদের পেশাগত জীবনের সূচনা। সামনে ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পাশাপাশি চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, TVC, OVC ও ট্রাভেল কনটেন্টে কাজের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জমকালো গালায় ‘ফেস অব টুমোরো ২০২৬’-এর চ্যাম্পিয়ন রাইসা-লাবন

জমকালো গালায় ‘ফেস অব টুমোরো ২০২৬’-এর চ্যাম্পিয়ন রাইসা-লাবন

আপডেট সময় ০৭:০২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর International Convention City Bashundhara—ICCB-তে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পী খোঁজার উদ্যোগ ‘Face of Tomorrow 2026’-এর প্রথম আসর।

গত ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘Grand Cinematic Gala’-তে ঘোষণা করা হয় প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ফলাফল। সেরা ২০ প্রতিযোগীর মধ্য থেকে বিচারকদের মূল্যায়নে চ্যাম্পিয়ন কাপল নির্বাচিত হয়েছেন রাইসা ও লাবন। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা পেয়েছেন ৫ লাখ টাকা।

এদিকে, সিফনা ও সৌমিক হয়েছেন প্রথম রানার্সআপ। তারা পেয়েছেন ৩ লাখ টাকা। আর দ্বিতীয় রানার্সআপ মুনমুন ও তমাল পেয়েছেন ১ লাখ টাকা।

দেশের নতুন প্রজন্মের শিল্পী তৈরি এবং বাংলাদেশের পর্যটন, সংস্কৃতি ও মানুষের গল্প সিনেম্যাটিক স্টোরিটেলিংয়ের মাধ্যমে তুলে ধরার লক্ষ্যেই Marketers 360 Degree-এর উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ‘Face of Tomorrow 2026’। বৃহত্তর ‘চলো ঘুরে আসি’—A Bangladesh-Centric Travel, Culture & Community Movement-এর অংশ হিসেবেই পরিচালিত হয়েছে পুরো আয়োজন।

সারাদেশ থেকে আসা ৫ হাজার ৪৭১টিরও বেশি আবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাছাই প্রক্রিয়া। একাধিক ধাপের অডিশন, মূল্যায়ন, প্রশিক্ষণ ও Cinematic Bootcamp শেষে নির্বাচিত হন সেরা ২০ প্রতিযোগী।

তবে এটিকে শুধু একটি Talent Hunt হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। নির্বাচিত শিল্পীদের বাস্তব চলচ্চিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতা দিতে তাদের যুক্ত করা হয়েছে ‘চলো ঘুরে আসি’ Cinematic Travel Franchise-এর প্রথম উদ্যোগে। এর আওতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকেশন ও গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।

গ্র্যান্ড গালা অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন জনপ্রিয় সঞ্চালক আইশা খান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, সেন্সর বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রহমান, চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল, অভিনেতা মিশা সওদাগর, নির্মাতা ও অভিনেতা গাজী রাকায়েতসহ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রকল্পের প্রধান তিন বিচারক—নির্মাতা অনিমেষ আইচ, অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান ও নাজনীন হাসান চুমকির পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের আরও ১০ জন স্বনামধন্য পরিচালক।

অনুষ্ঠানে ‘চলো ঘুরে আসি’-এর আওতায় নির্মিতব্য ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের গল্প, নির্মাতা, লোকেশন ও কাস্টিং পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়।

নতুনদের নিয়ে এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন চিত্রনায়ক মিশা সওদাগর। তিনি ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের একটি সিনেমায় কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই অভিনয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেন। আর গাজী রাকায়েত নতুনদের এই পথচলাকে দেশের সংস্কৃতি ও বিনোদন জগতের জন্য ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

গ্র্যান্ড গালায় ছিল বর্ণিল সাংস্কৃতিক ও সিনেম্যাটিক আয়োজন। কোরিওগ্রাফার মোফাসসাল আলিফ, ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার বুলবুল টুম্পা ও Beatmosphere-এর বিটবক্সিং পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ছিল বিশেষ মঞ্চনাট্য এবং Top 20 প্রতিযোগীদের বিভিন্ন পরিবেশনা।

আয়োজক Marketers 360 Degree জানিয়েছে, ‘Face of Tomorrow’-এর লক্ষ্য শুধু নতুন শিল্পী খুঁজে বের করা নয়; বরং প্রশিক্ষণ, বাস্তব প্রযোজনায় কাজের সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি Artist Development-এর মাধ্যমে তাদের পেশাদার শিল্পী হিসেবে গড়ে তোলা।

একই সঙ্গে ‘চলো ঘুরে আসি’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের কম পরিচিত গন্তব্য, মানুষ, সংস্কৃতি, ইতিহাস, প্রকৃতি ও জীবনযাপনের গল্প সিনেমা ও কনটেন্টের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের দর্শকের কাছে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

আয়োজকদের মতে, ‘Face of Tomorrow’ কোনো সমাপ্তি নয়, বরং নতুন শিল্পীদের পেশাগত জীবনের সূচনা। সামনে ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পাশাপাশি চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, TVC, OVC ও ট্রাভেল কনটেন্টে কাজের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।