ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঢাকায় ২০০ ইভি বাস কিনছে সরকার, নারীর জন্য ১০০: সড়কমন্ত্রী তিন দিনের ছুটি নিয়ে ৪ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক জিল্লুর নারীদের জন্য গোলাপি বাসের যাত্রা শুরু  ঝগড়ার পর ৯৯৯-এ ফোন দিলেন স্ত্রী, ৫৪টি জাল নোটসহ স্বামী গ্রেপ্তার কেউ ব্যক্তি আক্রমণ করলে আমি তাকে চুমু দেব, এমন সুশীল আমি না: রাশেদ খান অস্ট্রেলিয়াকে হারাবে বাংলাদেশ, আশা করেননি ডি ভিলিয়ার্স ‘তারেক রহমান ভারতে না এলে সুযোগ হারাবে, বন্ধ হতে পারে যোগাযোগের পথ’ মহাসড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপন করায় পরিবহনে চাঁদাবাজি কমে আসবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম আমরা টহল দেওয়া শুরু করলে অনেক এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির নাই হয়ে যাবে: নুর

ভারতজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড়, আইএসআই সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক শত শত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:০২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

ভারতের ১৪টি রাজ্যে একযোগে বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে ২৫৩ জনকে আটক করেছে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-সমর্থিত একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে এসব ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানভিত্তিক কথিত ‘শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের’ বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম বড় সমন্বিত অভিযান এটি।

ভারতীয় কর্মকর্তাদের দাবি, নেটওয়ার্কটি গ্রেনেড হামলা, আইইডি বিস্ফোরণ, পেট্রলবোমা হামলা ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত। ১২ আগস্ট কেন্দ্রীয় তদন্ত ও নিরাপত্তা সংস্থা এবং বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের পর এই অভিযান চালানো হয়।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছেন, অভিযানে নেটওয়ার্কটির ২০০ জনের বেশি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আইইডি, পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির চিহ্নযুক্ত গ্রেনেড, পিস্তল, গুলি ও নজরদারিতে ব্যবহৃত সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

আটকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি উত্তর প্রদেশে—৬২ জন। এরপর হরিয়ানায় ৫২, দিল্লিতে ৫১ এবং পাঞ্জাবে ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ডসহ আরও কয়েকটি রাজ্য থেকেও সন্দেহভাজনদের আটক করা হয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, স্থানীয় সদস্য ও হ্যান্ডলারদের মাধ্যমে নেটওয়ার্কটি পরিচালিত হতো। পুলিশ, প্রতিরক্ষা স্থাপনা ও ধর্মীয় স্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য শনাক্ত করাই ছিল তাদের অন্যতম কাজ।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ৮০টির বেশি এফআইআর এবং দুই শতাধিক গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ইউএপিএ, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অস্ত্র আইন, এনডিপিএস আইন ও বিস্ফোরক আইনের বিভিন্ন ধারায় এসব মামলা করা হয়েছে।

এখন নেটওয়ার্কটির আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগব্যবস্থা এবং স্থানীয় সহযোগীদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে আরও অভিযান ও গ্রেপ্তার হতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় ২০০ ইভি বাস কিনছে সরকার, নারীর জন্য ১০০: সড়কমন্ত্রী

ভারতজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড়, আইএসআই সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক শত শত

আপডেট সময় ০১:০২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের ১৪টি রাজ্যে একযোগে বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে ২৫৩ জনকে আটক করেছে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-সমর্থিত একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে এসব ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানভিত্তিক কথিত ‘শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের’ বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম বড় সমন্বিত অভিযান এটি।

ভারতীয় কর্মকর্তাদের দাবি, নেটওয়ার্কটি গ্রেনেড হামলা, আইইডি বিস্ফোরণ, পেট্রলবোমা হামলা ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত। ১২ আগস্ট কেন্দ্রীয় তদন্ত ও নিরাপত্তা সংস্থা এবং বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের পর এই অভিযান চালানো হয়।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছেন, অভিযানে নেটওয়ার্কটির ২০০ জনের বেশি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আইইডি, পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির চিহ্নযুক্ত গ্রেনেড, পিস্তল, গুলি ও নজরদারিতে ব্যবহৃত সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

আটকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি উত্তর প্রদেশে—৬২ জন। এরপর হরিয়ানায় ৫২, দিল্লিতে ৫১ এবং পাঞ্জাবে ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ডসহ আরও কয়েকটি রাজ্য থেকেও সন্দেহভাজনদের আটক করা হয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, স্থানীয় সদস্য ও হ্যান্ডলারদের মাধ্যমে নেটওয়ার্কটি পরিচালিত হতো। পুলিশ, প্রতিরক্ষা স্থাপনা ও ধর্মীয় স্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য শনাক্ত করাই ছিল তাদের অন্যতম কাজ।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ৮০টির বেশি এফআইআর এবং দুই শতাধিক গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ইউএপিএ, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অস্ত্র আইন, এনডিপিএস আইন ও বিস্ফোরক আইনের বিভিন্ন ধারায় এসব মামলা করা হয়েছে।

এখন নেটওয়ার্কটির আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগব্যবস্থা এবং স্থানীয় সহযোগীদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে আরও অভিযান ও গ্রেপ্তার হতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।