ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘সংসার চালাব, নাকি আইনজীবীর খরচ দেব’, ট্রাইব্যুনালে কাঁদলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা ‘বিশ্বকাপ ফাইনালে কিছু একটা ঘটেছিল’, বিশেষ ভিডিওতে মুখ খুললো আর্জেন্টিনা চার কার্গোর প্রতিশ্রুতি, আসেনি একটিও ইরানকে সমর্থন করলেই অর্থনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে মহাখালী থেকে চুরি হওয়া বাস মিরপুর থেকে উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের অপেক্ষায় দিল্লি: দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হয়েও ভোট দিতে পারছেন না অলি আহমদ ২২ আগস্ট থেকে শুরু কলেরার টিকা, পাবেন যারা বিশ্বকাপের পর ‘জঘন্য প্রচারণা’ ছড়ানো ব্যক্তিদের সমালোচনা করলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলের সভাপতি সংসদ সদস্যরা নিজ দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দেবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল বিএসইসি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

চাকরিবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে আরও পাঁচ কর্মকর্তার বেতন অবনমনের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) অনুষ্ঠিত বিএসইসির কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গত ২৩ জুলাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকায় রয়েছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম, পরিচালক আবুল হাসান ও মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম মজুমদার, অতিরিক্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম ও মোল্যা মো. মিরাজ উস সুন্নাহ এবং যুগ্ম পরিচালক রাশেদুল আলম।

এ ছাড়া উপপরিচালক মো. নান্নু ভূঞা, কাজী মো. আল-ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, বনী ইয়ামিন খান ও তৌহিদ হাসান; সহকারী পরিচালক আমিনুল হক খান, আবদুল বাতেন ও সাজ্জাদ হোসেন এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আবু ইউসুফ, কাওসার পাশা বৃষ্টি ও সমীর ঘোষ রয়েছেন এই তালিকায়।

অন্যদিকে, বেতন অবনমনের শাস্তি পাওয়া পাঁচ কর্মকর্তা হলেন সহকারী পরিচালক জনি হোসেন, রায়হান কবির, তরিকুল ইসলাম ও মাকসুদ মিলা এবং লাইব্রেরিয়ান সেলিম রেজা বাপ্পী।

এর আগে চলতি বছরের শুরুতে বিএসইসির পরিচালক আবু রায়হান মো. মোহতাছিন বিল্লাহকেও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল। অতীতেও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএসইসিতে অসন্তোষ ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

তবে এবার একসঙ্গে ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, তাদের বিরুদ্ধে ঠিক কী ধরনের চাকরিবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিএসইসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘সংসার চালাব, নাকি আইনজীবীর খরচ দেব’, ট্রাইব্যুনালে কাঁদলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা

১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল বিএসইসি

আপডেট সময় ০১:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

চাকরিবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে আরও পাঁচ কর্মকর্তার বেতন অবনমনের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) অনুষ্ঠিত বিএসইসির কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গত ২৩ জুলাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকায় রয়েছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম, পরিচালক আবুল হাসান ও মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম মজুমদার, অতিরিক্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম ও মোল্যা মো. মিরাজ উস সুন্নাহ এবং যুগ্ম পরিচালক রাশেদুল আলম।

এ ছাড়া উপপরিচালক মো. নান্নু ভূঞা, কাজী মো. আল-ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, বনী ইয়ামিন খান ও তৌহিদ হাসান; সহকারী পরিচালক আমিনুল হক খান, আবদুল বাতেন ও সাজ্জাদ হোসেন এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আবু ইউসুফ, কাওসার পাশা বৃষ্টি ও সমীর ঘোষ রয়েছেন এই তালিকায়।

অন্যদিকে, বেতন অবনমনের শাস্তি পাওয়া পাঁচ কর্মকর্তা হলেন সহকারী পরিচালক জনি হোসেন, রায়হান কবির, তরিকুল ইসলাম ও মাকসুদ মিলা এবং লাইব্রেরিয়ান সেলিম রেজা বাপ্পী।

এর আগে চলতি বছরের শুরুতে বিএসইসির পরিচালক আবু রায়হান মো. মোহতাছিন বিল্লাহকেও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল। অতীতেও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএসইসিতে অসন্তোষ ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

তবে এবার একসঙ্গে ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, তাদের বিরুদ্ধে ঠিক কী ধরনের চাকরিবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিএসইসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।