ঢাকা , বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভেনেজুয়েলার তেলের অর্ধেকই এখন যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে নিজেকে ভোট দিতে পারবেন মির্জা ফখরুল, সুযোগ নেই কর্নেল অলির দুই হাত নেই, মুখ দিয়ে লিখে দাখিল পাস রিয়াদের এবার শাস্তির আওতায় আসছে যাত্রী-পথচারীরাও মাসিক সম্মানীর তালিকায় জামায়াত নেতার নাম, প্রকৃত ইমাম-খাদেমরাই বাদ! ইরানের সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য বন্ধ করল আমিরাত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গণনা বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার হবে: সিইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল আমরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অভ্যস্ত নই, তবে প্রস্তুতি পূর্ণাঙ্গ: সিইসি চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুতের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই : জোনায়েদ সাকি

পাঁচ বিভাগে চালু হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

আগামী অক্টোবরের মধ্যেই দেশের পাঁচটি বিভাগীয় ও জেলা শহরে নবনির্মিত পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। একই সঙ্গে শিশু স্বাস্থ্যসেবা ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে দিতে বিকেন্দ্রীকরণ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ‘হামের বিস্তার ও জিনগত নজরদারি’ বিষয়ক কর্মশালা ও গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হাসপাতালটির রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগ এবং আইসিডিডিআর,বির যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইসিইউ বা ভেন্টিলেটরের ওপর নির্ভর করে নয়, সঠিক সময়ে কার্যকর টিকাদানের মাধ্যমেই হামের মতো সংক্রামক রোগের বিস্তার ও মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের টিকাদান কর্মসূচিতে সময়মতো উদ্যোগ না নেওয়া ও নীতিগত গাফিলতির কারণে যে অনাক্রম্যতার ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তারই প্রভাব বর্তমান প্রাদুর্ভাবে দেখা যাচ্ছে।

ড. মুহিত বলেন, টিকাদানের গতি বাড়ালেও হাম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে। তবে এ সময়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও মাঠপর্যায়ের নজরদারি জোরদার করে শিশুমৃত্যু কমানোর চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে দেশের ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিশু স্বাস্থ্য, মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকার বাইরে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সীমিত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রোগীদের রাজধানীতে আসতে হয়। তাই ঢাকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো মানসম্মত বিশেষায়িত শিশু চিকিৎসাসেবা পর্যায়ক্রমে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে গড়ে তোলা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলার তেলের অর্ধেকই এখন যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে

পাঁচ বিভাগে চালু হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:৪৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

আগামী অক্টোবরের মধ্যেই দেশের পাঁচটি বিভাগীয় ও জেলা শহরে নবনির্মিত পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। একই সঙ্গে শিশু স্বাস্থ্যসেবা ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে দিতে বিকেন্দ্রীকরণ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ‘হামের বিস্তার ও জিনগত নজরদারি’ বিষয়ক কর্মশালা ও গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হাসপাতালটির রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগ এবং আইসিডিডিআর,বির যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইসিইউ বা ভেন্টিলেটরের ওপর নির্ভর করে নয়, সঠিক সময়ে কার্যকর টিকাদানের মাধ্যমেই হামের মতো সংক্রামক রোগের বিস্তার ও মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের টিকাদান কর্মসূচিতে সময়মতো উদ্যোগ না নেওয়া ও নীতিগত গাফিলতির কারণে যে অনাক্রম্যতার ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তারই প্রভাব বর্তমান প্রাদুর্ভাবে দেখা যাচ্ছে।

ড. মুহিত বলেন, টিকাদানের গতি বাড়ালেও হাম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে। তবে এ সময়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও মাঠপর্যায়ের নজরদারি জোরদার করে শিশুমৃত্যু কমানোর চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে দেশের ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিশু স্বাস্থ্য, মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকার বাইরে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সীমিত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রোগীদের রাজধানীতে আসতে হয়। তাই ঢাকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো মানসম্মত বিশেষায়িত শিশু চিকিৎসাসেবা পর্যায়ক্রমে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে গড়ে তোলা হবে।