এছাড়া ওই নারী মন্দিরে আলাদাভাবে ১০ হাজার রুপি অনুদানও দিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪ কোটি রুপি যেন শুধু মন্দিরের কর্মীদের সুযোগ–সুবিধার পেছনেই খরচ করা হয়, সে বিষয়ে ট্রাস্টের কাছ থেকে লিখিত নিশ্চয়তা চেয়েছিলেন তিনি। তবে ট্রাস্ট এমন কোনও নিশ্চয়তা দেয়নি। এখন ওই নারীর সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। রামমন্দির নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিপুল পরিমাণ অনুদান সংগ্রহের প্রেক্ষাপটেই ঘটল এই অস্বাভাবিক ঘটনা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, ২০২০ সালে মন্দির নির্মাণের জন্য দেশজুড়ে ‘নিধি সমর্পণ অভিযান’ নামে বড় ধরনের প্রচার ও অর্থ সংগ্রহ কর্মসূচি চালানো হয়েছিল। মাত্র ৪৫ দিনে ওই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি রুপি সংগ্রহ করা হয়। সে সময় বিপুলসংখ্যক চেকও অনুদান হিসেবে পাওয়া যায়। এর মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি রুপির চেক প্রথমে কারিগরি সমস্যার কারণে বাউন্স করে। পরে এসব চেক আবার ব্যাংকে জমা দিয়ে বেশিরভাগ অর্থ আদায় করা সম্ভব হয়। তবে প্রায় ২২ কোটি রুপি এখনও উদ্ধার করা যায়নি বলে প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে রাম মন্দিরে প্রতি মাসে নগদ অর্থ, অনলাইন লেনদেন ও চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি রুপি অনুদান আসে। এর মধ্যে শুধু চেকের মাধ্যমেই মাসে আনুমানিক ১ থেকে দেড় কোটি রুপি পাওয়া যায়।
এদিকে এ ঘটনায় এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি ট্রাস্ট। এর আগে গত জুনে মন্দিরে দেয়া অনুদানের অর্থ চুরি ও আত্মসাতের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। সেই ঘটনার দুই মাসেরও বেশি সময় পর এবার সামনে এলো ৪ কোটি রুপির চেক বাউন্সের ঘটনা।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















