ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম ডুবলে হাঁটু পানিতে নেমে মেয়র-এমপিদের নাটক আর দেখতে চাই না: সারজিস ‘হিজাব ইসলামের অপরিহার্য অংশ নয়’, ভারতীয় আদালতের রায় কক্সবাজারে ঘুরতে এসে বাসের চাকায় পিষ্ট যুবক, মরদেহ সড়কে ফেলে পালাল সফরসঙ্গীরা পুলিশের দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে গণপতি চক্রবর্তীর পরিবার স্কুলে ছেলেকে শাসন করায় দুই শিক্ষককে বেল্ট খুলে পেটালেন বাবা সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর নিজ বাসা থেকে নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার এবার পুলিশ সদরদপ্তর অভিমুখে মিছিলের ডাক সিজেপির দুই সপ্তাহ ঊর্ধ্বগতির পর স্থিতিশীল তেলের বাজার আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছে ইরান: নেতানিয়াহু

বাংলাদেশি হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের অনুপ্রবেশকারী নয় বললেন শুভেন্দু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গের বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষকে অনুপ্রবেশকারী নয়, বরং আইনি কাঠামো অনুযায়ী শরণার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

শনিবার (১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গে ১৬তম ডিজিটাল জনগণনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে থাকার সুযোগ নেই। নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ প্রক্রিয়া চলবে। তবে প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সালের মধ্যে ধর্মীয় নির্যাতন বা প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশ থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা যাবে না এবং পুলিশও তাদের হয়রানি করতে পারবে না।

এদিকে শনিবার থেকেই ভারতের অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হয়েছে ১৬তম জাতীয় জনগণনা। এবারই প্রথমবারের মতো পুরো জনগণনা প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। নাগরিকদের জন্য ‘সেলফ এনুমারেশন’ বা স্ব-গণনার সুযোগও রাখা হয়েছে।

প্রথম ধাপে ১ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত নাগরিকরা অনলাইনে নিজেদের তথ্য সরকারি পোর্টালে জমা দিতে পারবেন। দ্বিতীয় ধাপে সরকারি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন।

বক্তব্যে অতীতের একটি ঘটনার উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগের সরকারের সময় বীরভূমে ভুলবশত এক ভারতীয় নাগরিককে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার নিশ্চিত করবে, নাগরিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম ডুবলে হাঁটু পানিতে নেমে মেয়র-এমপিদের নাটক আর দেখতে চাই না: সারজিস

বাংলাদেশি হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের অনুপ্রবেশকারী নয় বললেন শুভেন্দু

আপডেট সময় ০৩:০৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষকে অনুপ্রবেশকারী নয়, বরং আইনি কাঠামো অনুযায়ী শরণার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

শনিবার (১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গে ১৬তম ডিজিটাল জনগণনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে থাকার সুযোগ নেই। নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ প্রক্রিয়া চলবে। তবে প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সালের মধ্যে ধর্মীয় নির্যাতন বা প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশ থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা যাবে না এবং পুলিশও তাদের হয়রানি করতে পারবে না।

এদিকে শনিবার থেকেই ভারতের অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হয়েছে ১৬তম জাতীয় জনগণনা। এবারই প্রথমবারের মতো পুরো জনগণনা প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। নাগরিকদের জন্য ‘সেলফ এনুমারেশন’ বা স্ব-গণনার সুযোগও রাখা হয়েছে।

প্রথম ধাপে ১ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত নাগরিকরা অনলাইনে নিজেদের তথ্য সরকারি পোর্টালে জমা দিতে পারবেন। দ্বিতীয় ধাপে সরকারি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন।

বক্তব্যে অতীতের একটি ঘটনার উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগের সরকারের সময় বীরভূমে ভুলবশত এক ভারতীয় নাগরিককে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার নিশ্চিত করবে, নাগরিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হন।