ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম ডুবলে হাঁটু পানিতে নেমে মেয়র-এমপিদের নাটক আর দেখতে চাই না: সারজিস ‘হিজাব ইসলামের অপরিহার্য অংশ নয়’, ভারতীয় আদালতের রায় কক্সবাজারে ঘুরতে এসে বাসের চাকায় পিষ্ট যুবক, মরদেহ সড়কে ফেলে পালাল সফরসঙ্গীরা পুলিশের দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে গণপতি চক্রবর্তীর পরিবার স্কুলে ছেলেকে শাসন করায় দুই শিক্ষককে বেল্ট খুলে পেটালেন বাবা সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর নিজ বাসা থেকে নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার এবার পুলিশ সদরদপ্তর অভিমুখে মিছিলের ডাক সিজেপির দুই সপ্তাহ ঊর্ধ্বগতির পর স্থিতিশীল তেলের বাজার আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছে ইরান: নেতানিয়াহু

স্কুলে ছেলেকে শাসন করায় দুই শিক্ষককে বেল্ট খুলে পেটালেন বাবা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শিক্ষকরা শাসন করবেন এটাই স্বাভাবিক। তবে এক ছাত্রকে শাসন করার অভিযোগে তার বাবা স্কুলে এসে দুই শিক্ষককে কোমরের বেল্ট খুলে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর গোপালনগর হরিপদ ইনস্টিটিউশনে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে স্কুল সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ওই স্কুলে একাদশ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনের কাজ চলছিল। এ সময় শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থী চিৎকারচেঁচামেচি ও অশোভন আচরণ করছিল বলে অভিযোগ। তুমুল হট্টগোলের মধ্যেই বাংলা বিভাগের শিক্ষক অরুণ দাস সেখানে বসে রেজিস্ট্রেশনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছিলেন।

অরুণ দাসের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের অশোভন আচরণের কারণে তিনি দুয়েকজনকে শাসন করেন। এরপরই এক শিক্ষার্থী তার বাবাকে ফোন করে স্কুলে ডেকে আনে। অভিযোগ রয়েছে, ওই শিক্ষার্থীর বাবা প্রধান শিক্ষকের কক্ষে হঠাৎ ঢুকে পড়েন। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি কোমর থেকে বেল্ট খুলে শিক্ষক অরুণ দাসকে মারধর শুরু করেন। তাকে ঠেকাতে গেলে প্রধান শিক্ষকও বেল্টের আঘাতে আহত হন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক সমরেশ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ঘটনার পর শিক্ষকরা রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। স্কুলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম শাসন করতেই হয়। কিন্তু এ ধরনের ঘটনায় শিক্ষকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি অভিযোগ করেন, দেবব্রত দাস নামে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক স্কুলে এসে অরুণ দাসকে বেল্ট দিয়ে মারধর করেন। তাকে থামাতে গেলে প্রধান শিক্ষককেও একইভাবে আঘাত করা হয়।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষকরা। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষকের আশঙ্কা, এ ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক পরিবেশে পাঠদান চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম ডুবলে হাঁটু পানিতে নেমে মেয়র-এমপিদের নাটক আর দেখতে চাই না: সারজিস

স্কুলে ছেলেকে শাসন করায় দুই শিক্ষককে বেল্ট খুলে পেটালেন বাবা

আপডেট সময় ১২:২৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শিক্ষকরা শাসন করবেন এটাই স্বাভাবিক। তবে এক ছাত্রকে শাসন করার অভিযোগে তার বাবা স্কুলে এসে দুই শিক্ষককে কোমরের বেল্ট খুলে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর গোপালনগর হরিপদ ইনস্টিটিউশনে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে স্কুল সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ওই স্কুলে একাদশ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনের কাজ চলছিল। এ সময় শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থী চিৎকারচেঁচামেচি ও অশোভন আচরণ করছিল বলে অভিযোগ। তুমুল হট্টগোলের মধ্যেই বাংলা বিভাগের শিক্ষক অরুণ দাস সেখানে বসে রেজিস্ট্রেশনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছিলেন।

অরুণ দাসের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের অশোভন আচরণের কারণে তিনি দুয়েকজনকে শাসন করেন। এরপরই এক শিক্ষার্থী তার বাবাকে ফোন করে স্কুলে ডেকে আনে। অভিযোগ রয়েছে, ওই শিক্ষার্থীর বাবা প্রধান শিক্ষকের কক্ষে হঠাৎ ঢুকে পড়েন। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি কোমর থেকে বেল্ট খুলে শিক্ষক অরুণ দাসকে মারধর শুরু করেন। তাকে ঠেকাতে গেলে প্রধান শিক্ষকও বেল্টের আঘাতে আহত হন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক সমরেশ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ঘটনার পর শিক্ষকরা রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। স্কুলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম শাসন করতেই হয়। কিন্তু এ ধরনের ঘটনায় শিক্ষকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি অভিযোগ করেন, দেবব্রত দাস নামে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক স্কুলে এসে অরুণ দাসকে বেল্ট দিয়ে মারধর করেন। তাকে থামাতে গেলে প্রধান শিক্ষককেও একইভাবে আঘাত করা হয়।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষকরা। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষকের আশঙ্কা, এ ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক পরিবেশে পাঠদান চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।