নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের মোহনপুর এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর একটি উঠান বৈঠকে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনায় জামায়াতের অন্তত আটজন কর্মী আহত হন এবং বৈঠকের প্রায় ৩০টি চেয়ার ভাঙচুর করা হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে খাগকান্দা এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ইলিয়াছ মোল্লা।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, জামায়াতে ইসলামীর খাগকান্দা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে মোহনপুর পূর্ব ও পশ্চিমপাড়ার মাঝামাঝি রাস্তায় বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেনের নির্দেশে যুবদল নেতা আব্দুল কাদের জিলানী, বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিনসহ ১০–১৫ জন হামলা চালায়।
হামলাকারীরা বৈঠকের চেয়ার ভাঙচুর করে এবং অংশগ্রহণকারীদের মারধর করে। এতে জামায়াতের প্রচার সম্পাদক শাহাবুদ্দিন ও কর্মী জামাল হোসেনসহ আটজন আহত হন।
জামায়াতের আড়াইহাজার দক্ষিণ শাখার আমীর মাওলানা হাদিউল ইসলাম অভিযোগ করেন, “বিএনপি নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে। পরে আমাদের কয়েকজন কর্মীর বাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে এবং শাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছে।”
অন্যদিকে জামায়াত নেতা মোতাহার বলেন, বৈঠক শুরুর আগে বিএনপি সভাপতি বেলায়েত হোসেন ফোনে অনুষ্ঠান না করার নির্দেশ দেন। তবে বেলায়েত হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই।”
ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিলানী দাবি করেন, “জামায়াতের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ হয়নি। আমাদের মারামারি হয়েছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে। কারণ জামায়াত আওয়ামী লীগের কিছু সদস্যকে নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করেছিল, এতে ভুল বোঝাবুঝি থেকে ধস্তাধস্তি হয়।”
আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) সাইফুউদ্দিন বলেন, “ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডেস্ক রিপোর্ট 

























