ঢাকা , রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান যা বললেন জাহেদ-উর রহমান বিএনপি জোটে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন! আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমার ৩ শিশুকন্যাকে একটু দেখে রাইখেন: আমীর হামজা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন নিরপেক্ষতার লঙ্ঘন নয়, এটি দায়িত্ব ও সংস্কারমূলক ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ আগামী সংসদ নির্বাচন ‘অত্যন্ত, অত্যন্ত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’: তারেক রহমান ‘মঞ্জুর মুন্সী আপিল নিয়ে যেতে পারবেন উচ্চ আদালতে, পক্ষে আদেশ পেলে থাকতে পারবেন ভোটের মাঠেও’ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করেছে ছাত্রদল: শিবির সভাপতি ফের ইরানিদের বিক্ষোভের আহ্বান রেজা পাহলভির, এবার মেলেনি সাড়া বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ টাকা অনুদান, সন্তান হলে দ্বিগুণ! ‎পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়, তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভোটের পর পরিস্থিতি থিতু হলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বাড়বে: দেশে ফিরে জয়শঙ্কর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, তাদের প্রত্যাশা– নির্বাচনের পর পরিস্থিতি থিতু হলে এ অঞ্চলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বাড়বে। গতকাল শুক্রবার চেন্নাইতে আইআইটি মাদ্রাজ টেকনো-এন্টারটেইনমেন্ট ফেস্ট শাস্ত্র ২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঝটিকা সফরে ঢাকায় পৌঁছান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখান থেকে ফিরে বাংলাদেশ পরিস্থিতি ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন।

চেন্নাইয়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদল, ভারতের নিরাপত্তা ও ‘প্রতিবেশী প্রথম’ প্রসঙ্গে। জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমি দুদিন আগে সেখানে (বাংলাদেশে) গিয়েছিলাম; সাবেক প্রধানমন্ত্রীর (খালেদা জিয়া) শেষ শ্রদ্ধায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়েছিলাম। এ মুহূর্তে বাংলাদেশ নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে আমরা তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। আমাদের প্রত্যাশা, নির্বাচনের পর পরিস্থিতি থিতু হলে এ অঞ্চলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বাড়বে।’

জয়শঙ্কর বলেন, ‘ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী। ভারতের দুই ধরনের প্রতিবেশী আছে– ভালো ও মন্দ। বেশির ভাগ প্রতিবেশীই মনে করে, ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটলে তাদেরও প্রবৃদ্ধি হবে। ভারতের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তারাও উন্নত হবে। ভারতের পররাষ্ট্রনীতি পুরো বিশ্বকে একটি পরিবার হিসেবে মনে করে এবং শক্তি ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সমস্যা নিরসনের চেষ্টা করে। আর এ বার্তাই আমি বাংলাদেশে দিয়ে এসেছি।’

এর আগে অবশ্য প্রতিবেশীসুলভ আচরণের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, সাধারণভাবে প্রতিবেশীর সঙ্গে সবাই ভালোই আচরণ করে। প্রতিবেশী অসুবিধায় পড়লে সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়। কিছু না হলেও ‘হাই-হ্যালো’ সম্পর্ক থাকে। বন্ধুত্ব স্থাপনের চেষ্টা করা হয়। দেশ হিসেবেও প্রতিবেশীদের সঙ্গে এমনই আচরণ করা হয়ে থাকে। এ সুপ্রতিবেশীসুলভ মনোভাবেরই নিদর্শন দেখা যায় ভারতের প্রতিবেশীদের ক্ষেত্রে। তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়েছে। বিনিয়োগ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “কভিডের সময় অধিকাংশ প্রতিবেশী ভারত থেকেই প্রথম প্রতিষেধক (টিকা) পেয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের সময় খাদ্য, সার ও জ্বালানি সংকট দেখা গিয়েছিল। ভারত সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। শ্রীলঙ্কার দুর্দিনে চার বিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য করেছে। সম্প্রতি ‘দ্বিতয়া’ সাইক্লোনের সময়েও শ্রীলঙ্কার জন্য প্রথম সাহায্য ভারতই পাঠিয়েছে। সবাই জানে, বিপদের সময় ভারত আছে। এগিয়ে আসবে। ভারতের ওপর নির্ভর করা যায়।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান

ভোটের পর পরিস্থিতি থিতু হলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বাড়বে: দেশে ফিরে জয়শঙ্কর

আপডেট সময় ১২:২৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, তাদের প্রত্যাশা– নির্বাচনের পর পরিস্থিতি থিতু হলে এ অঞ্চলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বাড়বে। গতকাল শুক্রবার চেন্নাইতে আইআইটি মাদ্রাজ টেকনো-এন্টারটেইনমেন্ট ফেস্ট শাস্ত্র ২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঝটিকা সফরে ঢাকায় পৌঁছান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখান থেকে ফিরে বাংলাদেশ পরিস্থিতি ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন।

চেন্নাইয়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদল, ভারতের নিরাপত্তা ও ‘প্রতিবেশী প্রথম’ প্রসঙ্গে। জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমি দুদিন আগে সেখানে (বাংলাদেশে) গিয়েছিলাম; সাবেক প্রধানমন্ত্রীর (খালেদা জিয়া) শেষ শ্রদ্ধায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়েছিলাম। এ মুহূর্তে বাংলাদেশ নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে আমরা তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। আমাদের প্রত্যাশা, নির্বাচনের পর পরিস্থিতি থিতু হলে এ অঞ্চলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বাড়বে।’

জয়শঙ্কর বলেন, ‘ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী। ভারতের দুই ধরনের প্রতিবেশী আছে– ভালো ও মন্দ। বেশির ভাগ প্রতিবেশীই মনে করে, ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটলে তাদেরও প্রবৃদ্ধি হবে। ভারতের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তারাও উন্নত হবে। ভারতের পররাষ্ট্রনীতি পুরো বিশ্বকে একটি পরিবার হিসেবে মনে করে এবং শক্তি ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সমস্যা নিরসনের চেষ্টা করে। আর এ বার্তাই আমি বাংলাদেশে দিয়ে এসেছি।’

এর আগে অবশ্য প্রতিবেশীসুলভ আচরণের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, সাধারণভাবে প্রতিবেশীর সঙ্গে সবাই ভালোই আচরণ করে। প্রতিবেশী অসুবিধায় পড়লে সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়। কিছু না হলেও ‘হাই-হ্যালো’ সম্পর্ক থাকে। বন্ধুত্ব স্থাপনের চেষ্টা করা হয়। দেশ হিসেবেও প্রতিবেশীদের সঙ্গে এমনই আচরণ করা হয়ে থাকে। এ সুপ্রতিবেশীসুলভ মনোভাবেরই নিদর্শন দেখা যায় ভারতের প্রতিবেশীদের ক্ষেত্রে। তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়েছে। বিনিয়োগ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “কভিডের সময় অধিকাংশ প্রতিবেশী ভারত থেকেই প্রথম প্রতিষেধক (টিকা) পেয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের সময় খাদ্য, সার ও জ্বালানি সংকট দেখা গিয়েছিল। ভারত সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। শ্রীলঙ্কার দুর্দিনে চার বিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য করেছে। সম্প্রতি ‘দ্বিতয়া’ সাইক্লোনের সময়েও শ্রীলঙ্কার জন্য প্রথম সাহায্য ভারতই পাঠিয়েছে। সবাই জানে, বিপদের সময় ভারত আছে। এগিয়ে আসবে। ভারতের ওপর নির্ভর করা যায়।”