ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ক্ষমতার অপব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: আইজিপি তারেক রহমানের আমন্ত্রণে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিল গেটস: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হোটেলের অতিথি সেজে ট্রাম্পকে হত্যার অপেক্ষায় ছিলেন শিক্ষক অ্যালেন আম্মারের অশ্লীলতা কি পারিবারিক ঐতিহ্য?: প্রশ্ন ছাত্রদল নেত্রীর ট্রাম্প প্রশাসনকে উপেক্ষা করে মাদুরোর পক্ষে রায় দিল নিউইয়র্ক আদালত মারা গেলেন সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন গত ১৭ বছর কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে কোনও কাজ হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সব তাস যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই, ইরান কথা বলতে চাইলে শুধু ‘ফোন’ করলেই হবে: ট্রাম্প গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, সারা দেশে সতর্কতা জোরদার নতুন করে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-যুক্তরাজ্য, কলকাঠি নাড়ছে ওয়াশিংটন

চাইলেই ব্যাটারি চালিত রিক্সা উঠিয়ে দেওয়া যায় না: সড়ক উপদেষ্টা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৪ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজধানী শহর ঢাকাকে বসবাসযোগ্য নগরী হিসেবে ফেরাতে সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, সবাইকে এক টেবিলে এনে কাজ না করলে ঢাকা কখনো নিরাপদ শহর হবে না। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে নিরাপদ ই-রিকশার পাইলট কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিরক্ষা ও সংহতি উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, বিশেষ সহকারী শেখ মইনউদ্দিন, ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মাহমুদুল হাসান।

ফাওজুল কবির খান বলেন, ঢাকা শহরকে একটি নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করতে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় আধুনিক লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি চালিত রিকশা, ড্রাইভারদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট এলাকায় চলাচল নিশ্চিত করতে জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেন, উন্নতমানের লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহারের পাশাপাশি জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি দিয়ে নির্দিষ্ট এলাকায় রিকশা চালনার শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা করা হবে। এবার বুয়েটের নকশা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ডিজাইন ও উৎপাদন কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। আগে মন্ত্রণালয় আর সিটি করপোরেশন আলাদা আলাদা কাজ করত। ডান হাত কি করছে, বাম হাত জানত না। এবার আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করছি, যাতে সেই বিচ্ছিন্নতা না থাকে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে এক ই-রিকশা আমার গাড়ি ঘেঁষে টেনে চলে যায়। নেমে দেখি এক শিশু চালক, প্রশিক্ষণ নেই, ব্রেক খুঁজে পায় না। ডেন্টিং করাতে ২৫ হাজার টাকা লেগেছিল। ৫০০ টাকাও তার জন্য বোঝা হয়ে যেত। তখনই বুঝেছি, সড়ক নিরাপত্তা শুধু আইন বা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে হবে না, ডিজাইন আর প্রশিক্ষণ দিয়েও করতে হবে। উপদেষ্টা বলেন, আমরা যাত্রী, পথচারী, গাড়িচালক আর রিকশা চালক সবার জন্য ঢাকা নিরাপদ করতে চাই। পুরনো সমাধান দিয়ে নতুন সংকট সামলানো যাবে না, তাই নতুন চিন্তা আর প্রযুক্তি নিয়ে এগোচ্ছি। লক্ষ্য একটাই, ঢাকাকে আবার বাসযোগ্য নগরীতে ফেরানো।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতার অপব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: আইজিপি

চাইলেই ব্যাটারি চালিত রিক্সা উঠিয়ে দেওয়া যায় না: সড়ক উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

এবার রাজধানী শহর ঢাকাকে বসবাসযোগ্য নগরী হিসেবে ফেরাতে সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, সবাইকে এক টেবিলে এনে কাজ না করলে ঢাকা কখনো নিরাপদ শহর হবে না। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে নিরাপদ ই-রিকশার পাইলট কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিরক্ষা ও সংহতি উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, বিশেষ সহকারী শেখ মইনউদ্দিন, ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মাহমুদুল হাসান।

ফাওজুল কবির খান বলেন, ঢাকা শহরকে একটি নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করতে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় আধুনিক লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি চালিত রিকশা, ড্রাইভারদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট এলাকায় চলাচল নিশ্চিত করতে জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেন, উন্নতমানের লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহারের পাশাপাশি জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি দিয়ে নির্দিষ্ট এলাকায় রিকশা চালনার শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা করা হবে। এবার বুয়েটের নকশা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ডিজাইন ও উৎপাদন কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। আগে মন্ত্রণালয় আর সিটি করপোরেশন আলাদা আলাদা কাজ করত। ডান হাত কি করছে, বাম হাত জানত না। এবার আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করছি, যাতে সেই বিচ্ছিন্নতা না থাকে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে এক ই-রিকশা আমার গাড়ি ঘেঁষে টেনে চলে যায়। নেমে দেখি এক শিশু চালক, প্রশিক্ষণ নেই, ব্রেক খুঁজে পায় না। ডেন্টিং করাতে ২৫ হাজার টাকা লেগেছিল। ৫০০ টাকাও তার জন্য বোঝা হয়ে যেত। তখনই বুঝেছি, সড়ক নিরাপত্তা শুধু আইন বা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে হবে না, ডিজাইন আর প্রশিক্ষণ দিয়েও করতে হবে। উপদেষ্টা বলেন, আমরা যাত্রী, পথচারী, গাড়িচালক আর রিকশা চালক সবার জন্য ঢাকা নিরাপদ করতে চাই। পুরনো সমাধান দিয়ে নতুন সংকট সামলানো যাবে না, তাই নতুন চিন্তা আর প্রযুক্তি নিয়ে এগোচ্ছি। লক্ষ্য একটাই, ঢাকাকে আবার বাসযোগ্য নগরীতে ফেরানো।