ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইসরায়েল ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের দিচ্ছে নরওয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে বিজয়ীদের জন্য বিশেষ আংটি দিচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে বিজয়ীদের জন্য বিশেষ আংটি দিচ্ছে ফিফা শৌচাগারে সিগারেট ধরাতেই বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল কলেজছাত্রের মেসির ফাইনাল দেখতে মাঠে যাচ্ছেন না আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, এবার বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি বায়ুদূষণে প্রতিদিন ২৪২ জনের মৃত্যু: বছরে ক্ষতি ২৩ বিলিয়ন ডলার আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের আগে নিউইয়র্কে রেড অ্যালার্ট একসঙ্গে মরার সিদ্ধান্তে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক, পালালেন প্রেমিকা ল্যাম্পপোস্টের আলোয় ভবিষ্যৎ বুনছে শিশু নিরব

খামেনির পাশে ছোট্ট কফিনে ১৪ মাসের জাহরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

সবচেয়ে ছোট কফিনটি যেন সবার দৃষ্টি কেড়ে নেয়। সেখানে শায়িত ছিল মাত্র ১৪ মাস বয়সী জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির মরদেহ। বড় বড় কফিনের মাঝখানে ছোট্ট এই কফিনের উপস্থিতি সৃষ্টি করে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য। শোকাহত স্বজনদের পাশাপাশি উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়া ছবিটি বহু মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে।

একটি শিশুর অকাল মৃত্যু সব সময়ই বেদনাদায়ক। আর সেই শিশুর ছোট্ট কফিন যখন শেষ বিদায়ের প্রতীক হয়ে সবার সামনে থাকে, তখন দৃশ্যটি আরও মর্মস্পর্শী হয়ে ওঠে। উপস্থিত অনেকেই নীরবে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।

ছোট্ট জাহরার এই বিদায় শুধু একটি পরিবারের শোক নয়, বরং মানবিক বেদনার এক প্রতীক হিসেবেই আলোচনায় এসেছে। সবচেয়ে ছোট কফিনটি যেন স্মরণ করিয়ে দেয়জীবনের দৈর্ঘ্য নয়, প্রতিটি প্রাণের মূল্যই সবচেয়ে বড়। সেই কারণেই এই দৃশ্য অনেকের মনেই গভীর আবেগ ও শোকের ছাপ রেখে গেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েল ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের দিচ্ছে নরওয়ে

খামেনির পাশে ছোট্ট কফিনে ১৪ মাসের জাহরা

আপডেট সময় ০১:২৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

সবচেয়ে ছোট কফিনটি যেন সবার দৃষ্টি কেড়ে নেয়। সেখানে শায়িত ছিল মাত্র ১৪ মাস বয়সী জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির মরদেহ। বড় বড় কফিনের মাঝখানে ছোট্ট এই কফিনের উপস্থিতি সৃষ্টি করে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য। শোকাহত স্বজনদের পাশাপাশি উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়া ছবিটি বহু মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে।

একটি শিশুর অকাল মৃত্যু সব সময়ই বেদনাদায়ক। আর সেই শিশুর ছোট্ট কফিন যখন শেষ বিদায়ের প্রতীক হয়ে সবার সামনে থাকে, তখন দৃশ্যটি আরও মর্মস্পর্শী হয়ে ওঠে। উপস্থিত অনেকেই নীরবে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।

ছোট্ট জাহরার এই বিদায় শুধু একটি পরিবারের শোক নয়, বরং মানবিক বেদনার এক প্রতীক হিসেবেই আলোচনায় এসেছে। সবচেয়ে ছোট কফিনটি যেন স্মরণ করিয়ে দেয়জীবনের দৈর্ঘ্য নয়, প্রতিটি প্রাণের মূল্যই সবচেয়ে বড়। সেই কারণেই এই দৃশ্য অনেকের মনেই গভীর আবেগ ও শোকের ছাপ রেখে গেছে।