ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির খসড়া ফাঁস করল সিএনএন ভারতীয় বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধের মেয়াদ বাড়াল পাকিস্তান রাফিনিয়াকে ভুল পজিশনে খেলাচ্ছেন আনচেলত্তি, প্রশ্ন তুললেন রোনালদো দেশের প্রধান রুটে চালু হচ্ছে বৈদ্যুতিক ট্রেন- প্রধানমন্ত্রী নামাজের ইমামতি রেখে পালিয়ে যাওয়া বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা গ্রেফতার ইরান আচরণ না বদলালে আবার বোমা হামলা হবে : ট্রাম্প শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ১৪ জুলাই নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ বলা স্লিপ অব টাং: জামায়াত এমপি চুক্তি পছন্দ না হলে তাদের মাথার মাঝখানে বোমা ফেলব: ট্রাম্প স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি: দাফনের ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা

হাজীগঞ্জে চাঁদাবাজি ও দখলবাণিজ্যে বিএনপি নেতাদের জড়িত থাকার অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৫৮ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলাকে চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের “অভয়ারণ্য” হিসেবে বর্ণনা করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী—বিশেষ করে সাবেক পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সেলিম ওরফে মাই ওয়ান সেলিম—বহুমুখী চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্যে জড়িত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বৈরাচার পতনের পরও সেলিম মিজি বিভিন্ন জমি দখল, দোকান জোরপূর্বক বুঝিয়ে নেওয়া ও মোটা অংকের চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করছেন। এছাড়া তার লালিত বাহিনী—হাজীগঞ্জের সাবেক ছাত্রদল নেতা ফয়সাল হোসেন ও তার ভাই সাইফুল হাসান—দোকানদার ও সাধারণ মানুষকে হুমকি ও মারধরের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করছে।

স্থানীয় ক্লাব এবং ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, সেলিম মিজি এলাকায় সরকারি জায়গা ও প্রাইভেট সম্পত্তিতে দখল চেষ্টা করছেন। তিনি নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে বাহিনী তৈরি করেছেন। এর মধ্যে ছেলেমেয়েদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল এবং স্থানীয়দের ওপর চাপ তৈরি করার ঘটনা ঘটছে।

এছাড়া সেলিম মিজির বিরুদ্ধে ভারত থেকে আনা অনুমোদনহীন মোটরবাইক চালানোর অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন, তিনি নিজেকে বিএনপির ত্যাগী নেতা দাবী করে নানা জায়গায় অনৈতিক সুবিধা আদায় করার চেষ্টা করছেন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, সেলিম মিজির বাসায় অস্ত্র সংক্রান্ত তল্লাশি চালানো হলেও আপাতত নতুন অভিযোগ নেই।

স্থানীয়রা প্রশ্ন করছেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারকরা চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের বিরুদ্ধে বারবার সতর্কবার্তা দিলেও কেন এসব নৈরাজ্য থামানো সম্ভব হচ্ছে না। জনগণের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে—বিএনপি কি আওয়ামী সরকারের পথেই চলছে, নাকি দুই দলের কার্যক্রমে মিল রয়েছে?

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির খসড়া ফাঁস করল সিএনএন

হাজীগঞ্জে চাঁদাবাজি ও দখলবাণিজ্যে বিএনপি নেতাদের জড়িত থাকার অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলাকে চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের “অভয়ারণ্য” হিসেবে বর্ণনা করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী—বিশেষ করে সাবেক পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সেলিম ওরফে মাই ওয়ান সেলিম—বহুমুখী চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্যে জড়িত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বৈরাচার পতনের পরও সেলিম মিজি বিভিন্ন জমি দখল, দোকান জোরপূর্বক বুঝিয়ে নেওয়া ও মোটা অংকের চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করছেন। এছাড়া তার লালিত বাহিনী—হাজীগঞ্জের সাবেক ছাত্রদল নেতা ফয়সাল হোসেন ও তার ভাই সাইফুল হাসান—দোকানদার ও সাধারণ মানুষকে হুমকি ও মারধরের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করছে।

স্থানীয় ক্লাব এবং ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, সেলিম মিজি এলাকায় সরকারি জায়গা ও প্রাইভেট সম্পত্তিতে দখল চেষ্টা করছেন। তিনি নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে বাহিনী তৈরি করেছেন। এর মধ্যে ছেলেমেয়েদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল এবং স্থানীয়দের ওপর চাপ তৈরি করার ঘটনা ঘটছে।

এছাড়া সেলিম মিজির বিরুদ্ধে ভারত থেকে আনা অনুমোদনহীন মোটরবাইক চালানোর অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন, তিনি নিজেকে বিএনপির ত্যাগী নেতা দাবী করে নানা জায়গায় অনৈতিক সুবিধা আদায় করার চেষ্টা করছেন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, সেলিম মিজির বাসায় অস্ত্র সংক্রান্ত তল্লাশি চালানো হলেও আপাতত নতুন অভিযোগ নেই।

স্থানীয়রা প্রশ্ন করছেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারকরা চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের বিরুদ্ধে বারবার সতর্কবার্তা দিলেও কেন এসব নৈরাজ্য থামানো সম্ভব হচ্ছে না। জনগণের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে—বিএনপি কি আওয়ামী সরকারের পথেই চলছে, নাকি দুই দলের কার্যক্রমে মিল রয়েছে?