ঢাকা , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

থানায় ঢুকে পুলিশকে মারধর: আরও দুই জামায়াত নেতা গ্রেফতার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:২৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

এবার ‎‎গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসি ও নারী পুলিশসহ ৮ জনকে মারধরের ঘটনায় আরও দুই জামায়াত নেতাকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতাররা হলেনপলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বাইতুল মাল সম্পাদক পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং একই উপজেলার জামায়াত নেতা গোলজার রহমান (৩৪) তারা মামলার ১ ও ৪নং আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পলাশবাড়ী থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার সমন্বয়ে গঠিত একটি দল অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে। এর আগে এ ঘটনায় জড়িত উপজেলা জামায়াতের আরও নেতাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। 

পলাশবাড়ী থানার ওসি সারোয়ারে আলম গণমাধ্যমকে বলেন, মামলার পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিলেন। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।  পৌরসভার মালিকানাধীন কালিবাড়ি বাজারে একটি দোকানে তালা লাগানোকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় প্রবেশ করেন।

তারা থানার ওসি সারোয়ারে আলমকে বিবাদমান একটি দোকান তালাবদ্ধ করতে বলেন। তিনি রাজি না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। পরে মারধর করেন। এতে আহত হন ওসিসহ ও এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য। পরে উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে পলাশবাড়ি থানায় ৮ জামায়াত নেতাসহ অজ্ঞানামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

থানায় ঢুকে পুলিশকে মারধর: আরও দুই জামায়াত নেতা গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৩:২৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

এবার ‎‎গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসি ও নারী পুলিশসহ ৮ জনকে মারধরের ঘটনায় আরও দুই জামায়াত নেতাকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতাররা হলেনপলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বাইতুল মাল সম্পাদক পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং একই উপজেলার জামায়াত নেতা গোলজার রহমান (৩৪) তারা মামলার ১ ও ৪নং আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পলাশবাড়ী থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার সমন্বয়ে গঠিত একটি দল অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে। এর আগে এ ঘটনায় জড়িত উপজেলা জামায়াতের আরও নেতাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। 

পলাশবাড়ী থানার ওসি সারোয়ারে আলম গণমাধ্যমকে বলেন, মামলার পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিলেন। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।  পৌরসভার মালিকানাধীন কালিবাড়ি বাজারে একটি দোকানে তালা লাগানোকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় প্রবেশ করেন।

তারা থানার ওসি সারোয়ারে আলমকে বিবাদমান একটি দোকান তালাবদ্ধ করতে বলেন। তিনি রাজি না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। পরে মারধর করেন। এতে আহত হন ওসিসহ ও এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য। পরে উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে পলাশবাড়ি থানায় ৮ জামায়াত নেতাসহ অজ্ঞানামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।