মাধ্যমিক শিক্ষাকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর—মাউশি। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্পের আওতায় চালু হচ্ছে শিক্ষার্থীদের শিখন মূল্যায়নের মোবাইল অ্যাপ, আধুনিক লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা এলএমএস এবং বুলিং ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে নানা কর্মসূচি।
মাউশির অনুমোদিত বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, ৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে দুই বছর মেয়াদি জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়ন কার্যক্রমে। আর ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের জন্য একটি আধুনিক লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এলএমএস)।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের শিখনফল মূল্যায়নের জন্য একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করা হবে। স্কুলে বুলিং প্রতিরোধ, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে টেলিভিশন বিজ্ঞাপন নির্মাণ ও প্রচার এবং এ–সংক্রান্ত বিশেষ সমীক্ষাও পরিচালনা করা হবে।
প্রকল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষের কার্যকারিতা মূল্যায়ন, আইসিটি প্রশিক্ষণের প্রয়োজন নির্ধারণ, ৬৪০টি স্কুল ও মাদ্রাসায় কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রমের মূল্যায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে গবেষণাও এই প্রকল্পের আওতায় থাকবে।
মাউশির আশা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও সহায়ক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























