ঢাকা , সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের, আদৌ কি তা সম্ভব? জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন: বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলে সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসসহ আহত ৬ ইরানের সামরিক নীতি আক্রমণাত্মক করার ঘোষণা আইআরজিসির জিম্বাবুয়েতে ফেরিডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ জনে  কাল থেকে রাজধানীতে চলবে বিআরটিসির ‘মহিলা বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী অসুস্থ সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, পা অবশ হওয়ায় চলাফেরা সীমিত ৯০০ কর্মী ছাঁটাই করা সিইও এবার নিজেই হারালেন চাকরি মসজিদ রক্ষায় লড়েছিলেন এক পায়ে, সেই নেপালি যুবককে পুরস্কৃত করল সৌদি প্রতিটি মার্কিন সেনাকে হত্যা বা আটক করলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার: ইরানের সেনাপ্রধান

ট্রাম্প ৭৫ বার ‘হরমুজ খোলা’, ১০৬ বার ‘ইরানের পরাজয়ের’ মিথ্যা দাবি করেছেন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানকে ‘পরস্পরবিরোধী ও অবিশ্বস্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সদস্য ইসমাইল কোসারি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প বহুবার হরমুজ প্রণালি খোলা রয়েছে বলে দাবি করলেও বাস্তবে তা হয়নি।

কোসারির ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ৭৫ বার হরমুজ প্রণালি খোলা থাকার, ১০৬ বার ইরানের পরাজয়ের এবং ৮৮ বার তেহরানের সঙ্গে শিগগিরই চুক্তি হওয়ার দাবি করেছেন। এসব পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ইরানের আস্থার সংকট আরও গভীর হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা চললেও তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ খুলে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে আইআরআইবি। সম্প্রচারমাধ্যমটির তথ্যপ্রাপ্ত একটি সূত্রের দাবি, জাহাজ চলাচলের নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা কেবল তেহরান ও মাসকাটের মধ্যে হচ্ছে, এতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা নেই।

সূত্রটি আরও জানায়, ওমানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘লঙ্ঘন’ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে। তেহরানের দাবি, ওয়াশিংটনের আচরণে পরিবর্তন এবং উত্তেজনা কমলেই কেবল প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে ইরানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানায়, ওমানের সঙ্গে নতুন একটি নৌপথ চালুর বিষয়ে সমঝোতার কাছাকাছি রয়েছে তেহরান। তবে এ প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বন্ধের শর্তও দিয়েছে ইরান। দেশটির কর্মকর্তাদের অভিযোগ, সামরিক চাপ ও হুমকির মাধ্যমে আলোচনায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন, যা সমঝোতা প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের, আদৌ কি তা সম্ভব?

ট্রাম্প ৭৫ বার ‘হরমুজ খোলা’, ১০৬ বার ‘ইরানের পরাজয়ের’ মিথ্যা দাবি করেছেন

আপডেট সময় ০৪:৪৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানকে ‘পরস্পরবিরোধী ও অবিশ্বস্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সদস্য ইসমাইল কোসারি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প বহুবার হরমুজ প্রণালি খোলা রয়েছে বলে দাবি করলেও বাস্তবে তা হয়নি।

কোসারির ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ৭৫ বার হরমুজ প্রণালি খোলা থাকার, ১০৬ বার ইরানের পরাজয়ের এবং ৮৮ বার তেহরানের সঙ্গে শিগগিরই চুক্তি হওয়ার দাবি করেছেন। এসব পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ইরানের আস্থার সংকট আরও গভীর হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা চললেও তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ খুলে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে আইআরআইবি। সম্প্রচারমাধ্যমটির তথ্যপ্রাপ্ত একটি সূত্রের দাবি, জাহাজ চলাচলের নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা কেবল তেহরান ও মাসকাটের মধ্যে হচ্ছে, এতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা নেই।

সূত্রটি আরও জানায়, ওমানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘লঙ্ঘন’ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে। তেহরানের দাবি, ওয়াশিংটনের আচরণে পরিবর্তন এবং উত্তেজনা কমলেই কেবল প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে ইরানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানায়, ওমানের সঙ্গে নতুন একটি নৌপথ চালুর বিষয়ে সমঝোতার কাছাকাছি রয়েছে তেহরান। তবে এ প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বন্ধের শর্তও দিয়েছে ইরান। দেশটির কর্মকর্তাদের অভিযোগ, সামরিক চাপ ও হুমকির মাধ্যমে আলোচনায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন, যা সমঝোতা প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে।