ঢাকা , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা লিমন-বৃষ্টি হত্যাকাণ্ড: আদালতের প্রকাশিত নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলা: আসামি ভোলার জামিন স্থগিত ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বড় সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদের আলোচনাকে কেন্দ্র করে সংসদে হট্টগোল মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করা হবে: প্রধানমন্ত্রী হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও যাবজ্জীবন দেশের সব বিমানবন্দরে বাড়তি সতর্কতা জারি মাদুরোর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে চান ভেনেজুয়েলার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ‘মুরগি’ বিশ্ব জ্বালানি বাজার আমেরিকা নয়, ইরানের হাতেই আছে: গালিবাফ

দেশে এসেই রাজনীতি করতে হবে, লন্ডনে বা দিল্লিতে বসে নয়: ভিপি সাদিক কায়েম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫১ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, আমরা তরুণরা গত ১৬ বছরে ভোট দিতে পারিনি। আজ তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। যেভাবে জুলাই আন্দোলন ভূমিকা পালন করেছে, সেভাবে ভোটকেন্দ্রগুলো নিরাপদ রাখার জন্য ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশে যদি রাজনীতি করতে হয় তাহলে তারুণ্যকে ধারণ করে, ইনসাফকে ধারণ করে রাজনীতি করতে হবে। এদেশের মাটি ও ভাষাকে ধারণ করে রাজনীতি করতে হবে। এদেশে এসেই রাজনীতি করতে হবে। লন্ডনে, দিল্লিতে বা পিন্ডিতে বসে আর কোনো রাজনীতি চলবে না।

তিনি বলেন, আজকের তরুণরা প্রতিবাদ করতে শিখে গেছে। এদেশের তরুণরা এখন সচেতন, আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই জুলাইয়ে শহীদদের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল সেই আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে কাজ করতে হবে। আমাদের যে কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা ছিল সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পাবলিক ক্লাব মাঠে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে তারুণ্য উৎসব ও নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডাকসুর ভিপি বলেন, গত ১৬ বছর যে ফ্যাসিবাদী কায়েম ছিল, সেই ফ্যাসিবাদী কাঠামোর মাধ্যমে আমাদের সব ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, অর্থ ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশকে নতুন করে বিনির্মাণের জন্য ইনসাফের প্রতিনিধিদেরকে বাছাই করতে হবে। ইতোমধ্যে ইনসাফের প্রতিনিধিরা তাদের কাজের প্রমাণ দিয়েছে। বিপ্লবের আগে ও পড়ে তাদের মাঝে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে এ অঞ্চলে গত ৫৪ বছরে ভারত যেভাবে আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে তার প্রতিবাদ আমাদের ইনসাফের প্রতিনিধিরা করেছে। সেজন্য আমাদের ইনসাফের প্রতিনিধিদেরকে ব্যাপকভাবে বিজয়ী করে আনতে হবে। তরুণরা যে দিকে যাবে বাংলাদেশেও সেদিকে যাবে।

ঠাকুরগাঁয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে একটা এয়ারপোর্ট ছিল। সেটা একটা দেশের প্রেসক্রিপশনে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। নতুন বাংলাদেশ ও স্বাধীন বাংলাদেশে কারো প্রেসক্রিপশনে চলবে না। ঠাকুরগাঁও এয়ারপোর্ট উন্মুক্ত করে দিতে হবে। আগামীতে ঠাকুরগাঁওয়ে দাঁড়িপাল্লা বিজয় হলে এয়ারপোর্টটি চালু হবে। এখানকার শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল। আমার ভাই-বোনেরা শিক্ষার অধিকার পাচ্ছে না। এ অঞ্চলের শিশু থেকে সবার শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করবে আমাদের প্রার্থীরা। সেই সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষকসহ অন্যান্য পেশাজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করবে। হাসপাতালগুলোর অবস্থা আরও ভঙ্গুর, সঠিক সময়ে ট্রিটমেন্ট পাওয়া যায় না। হাসপাতালগুলোকে আধুনিকায়ন সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়াসহ সব প্রকার কাজ করবে আমাদের প্রার্থীরা। সেই সঙ্গে প্রবাসীদের সম্মান ও তাদের অধিকার আদায়ের কাজ করা হবে।

সীমান্তে হত্যা প্রসঙ্গে ভিপি সাদেক কায়েম বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে সীমান্তে যতগুলো হত্যা হয়েছে প্রত্যেকটা হত্যাকাণ্ডের বিচার এই স্বাধীন বাংলাদেশেই হবে। এই স্বাধীন বাংলাদেশ ভারতের প্রেসক্রিপশনে আর চলবে না। অন্যদিকে, প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন বলেন, আমরা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজদের কোনো নেতৃত্ব চাই না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় দুর্নীতিমুক্ত ও চাঁদাবাজ মুক্ত প্রতিনিধি বাছাই করেছি। আগামী দিনেও টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত প্রতিনিধি বাছাই করা হবে ইনশাল্লাহ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা

দেশে এসেই রাজনীতি করতে হবে, লন্ডনে বা দিল্লিতে বসে নয়: ভিপি সাদিক কায়েম

আপডেট সময় ০৩:৩১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, আমরা তরুণরা গত ১৬ বছরে ভোট দিতে পারিনি। আজ তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। যেভাবে জুলাই আন্দোলন ভূমিকা পালন করেছে, সেভাবে ভোটকেন্দ্রগুলো নিরাপদ রাখার জন্য ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশে যদি রাজনীতি করতে হয় তাহলে তারুণ্যকে ধারণ করে, ইনসাফকে ধারণ করে রাজনীতি করতে হবে। এদেশের মাটি ও ভাষাকে ধারণ করে রাজনীতি করতে হবে। এদেশে এসেই রাজনীতি করতে হবে। লন্ডনে, দিল্লিতে বা পিন্ডিতে বসে আর কোনো রাজনীতি চলবে না।

তিনি বলেন, আজকের তরুণরা প্রতিবাদ করতে শিখে গেছে। এদেশের তরুণরা এখন সচেতন, আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই জুলাইয়ে শহীদদের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল সেই আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে কাজ করতে হবে। আমাদের যে কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা ছিল সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পাবলিক ক্লাব মাঠে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে তারুণ্য উৎসব ও নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডাকসুর ভিপি বলেন, গত ১৬ বছর যে ফ্যাসিবাদী কায়েম ছিল, সেই ফ্যাসিবাদী কাঠামোর মাধ্যমে আমাদের সব ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, অর্থ ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশকে নতুন করে বিনির্মাণের জন্য ইনসাফের প্রতিনিধিদেরকে বাছাই করতে হবে। ইতোমধ্যে ইনসাফের প্রতিনিধিরা তাদের কাজের প্রমাণ দিয়েছে। বিপ্লবের আগে ও পড়ে তাদের মাঝে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে এ অঞ্চলে গত ৫৪ বছরে ভারত যেভাবে আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে তার প্রতিবাদ আমাদের ইনসাফের প্রতিনিধিরা করেছে। সেজন্য আমাদের ইনসাফের প্রতিনিধিদেরকে ব্যাপকভাবে বিজয়ী করে আনতে হবে। তরুণরা যে দিকে যাবে বাংলাদেশেও সেদিকে যাবে।

ঠাকুরগাঁয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে একটা এয়ারপোর্ট ছিল। সেটা একটা দেশের প্রেসক্রিপশনে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। নতুন বাংলাদেশ ও স্বাধীন বাংলাদেশে কারো প্রেসক্রিপশনে চলবে না। ঠাকুরগাঁও এয়ারপোর্ট উন্মুক্ত করে দিতে হবে। আগামীতে ঠাকুরগাঁওয়ে দাঁড়িপাল্লা বিজয় হলে এয়ারপোর্টটি চালু হবে। এখানকার শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল। আমার ভাই-বোনেরা শিক্ষার অধিকার পাচ্ছে না। এ অঞ্চলের শিশু থেকে সবার শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করবে আমাদের প্রার্থীরা। সেই সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষকসহ অন্যান্য পেশাজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করবে। হাসপাতালগুলোর অবস্থা আরও ভঙ্গুর, সঠিক সময়ে ট্রিটমেন্ট পাওয়া যায় না। হাসপাতালগুলোকে আধুনিকায়ন সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়াসহ সব প্রকার কাজ করবে আমাদের প্রার্থীরা। সেই সঙ্গে প্রবাসীদের সম্মান ও তাদের অধিকার আদায়ের কাজ করা হবে।

সীমান্তে হত্যা প্রসঙ্গে ভিপি সাদেক কায়েম বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে সীমান্তে যতগুলো হত্যা হয়েছে প্রত্যেকটা হত্যাকাণ্ডের বিচার এই স্বাধীন বাংলাদেশেই হবে। এই স্বাধীন বাংলাদেশ ভারতের প্রেসক্রিপশনে আর চলবে না। অন্যদিকে, প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন বলেন, আমরা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজদের কোনো নেতৃত্ব চাই না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় দুর্নীতিমুক্ত ও চাঁদাবাজ মুক্ত প্রতিনিধি বাছাই করেছি। আগামী দিনেও টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত প্রতিনিধি বাছাই করা হবে ইনশাল্লাহ।