ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল জেন-জিকে ‘আবর্জনার প্রজন্ম’ বলে তোপের মুখে এমপি কঙ্গনা স্পিকারের সিদ্ধান্ত পেলেই গাজী নজরুলের আসন নিয়ে পদক্ষেপ নেবে ইসি সিজেপির আন্দোলন নিয়ে কটাক্ষ, ‘নর্দমার জেনারেশন’ বললেন কঙ্গনা এবার ভারত সীমান্তে পঞ্চম প্রজন্মের ভয়ংকর যুদ্ধবিমান মোতায়ন করলো চীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল নিষিদ্ধ ভারত সীমান্তে চীনের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান মোতায়েন জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প, জারি সুনামি সতর্কতা তুরস্ককে এফ-৩৫ দিতে নেতানিয়াহুর আপত্তি, পাত্তা দিলেন না ট্রাম্প ১ মাসের মধ্যে যোগ-বিয়োগ শেখাতে না পারলে শিক্ষক বরখাস্ত হবেন: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রটোকল ছাড়াই হঠাৎ আমিনবাজার-আশুলিয়া ভূমি অফিস পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ১২৭ বার পড়া হয়েছে

এবার সাভারের আমিনবাজার ও আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল কার্যালয়ে সোমবার (৮ জুন) আকস্মিক পরিদর্শন করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল। কোনো সরকারি পতাকা, পুলিশ প্রটোকল কিংবা সরকারি দেহরক্ষী ছাড়াই ব্যক্তিগত গাড়িতে তিনি এই পরিদর্শনে অংশ নেন। এ সময় দুই কার্যালয়ের সেবা কার্যক্রম, কর্মকর্তা উপস্থিতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়ম ও ঘাটতি উঠে আসে। পরিদর্শনের শুরুতে আমিনবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে দেখা যায়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসাইন খান নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি প্রতিমন্ত্রীর আগমনের প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর কার্যালয়ে আসেন।

পরিদর্শনে আরও দেখা যায়, আটজন কর্মকর্তার মধ্যে মাত্র দুজনসার্ভেয়ার ও নামজারি সহকারীনির্ধারিত সময়ে উপস্থিত ছিলেন। অফিসের বাইরে অবস্থান করা কয়েকজন সেবাপ্রার্থী জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে এসে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। প্রতিমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কথা বলে সেবা প্রদানে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে কর্মকর্তাদের উপস্থিতির সময় যাচাই করেন এবং তথ্যকেন্দ্রকামহেল্প ডেস্কের দুর্বল অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

রেকর্ড কিপিং ও ডাটা এন্ট্রি টিমের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায়, ওই ইউনিটের কর্মকর্তারা যথাসময়ে উপস্থিত ছিলেন এবং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী একাধিক রেকর্ড রুম ঘুরে দেখেন। এ সময় কর্মকর্তারা জানান, সার্ভার সমস্যার কারণে মিউটেশন (নামজারি) কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি সার্ভারসংক্রান্ত কাজে নিয়োজিতদের কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দেন। তিনি তথ্যকেন্দ্র পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট জনবল নিয়োগের নির্দেশ দেন এবং সময়ের চেয়ে সেবার মান ও কার্যকারিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল (পলাশবাড়ী), সাভার কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় কার্যালয়সংলগ্ন এলাকায় লাইসেন্সবিহীন নামজারি কার্যক্রম এবং অবৈধ দোকানপাট তার নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে বিষয়টি অবহিত করেন এবং অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। এই আকস্মিক পরিদর্শনে আমিনবাজার ও আশুলিয়াউভয় রাজস্ব সার্কেলেই সেবাদান ব্যবস্থাপনা, উপস্থিতি শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে একাধিক অনিয়ম ও ঘাটতি উঠে আসে

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল

প্রটোকল ছাড়াই হঠাৎ আমিনবাজার-আশুলিয়া ভূমি অফিস পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

এবার সাভারের আমিনবাজার ও আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল কার্যালয়ে সোমবার (৮ জুন) আকস্মিক পরিদর্শন করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল। কোনো সরকারি পতাকা, পুলিশ প্রটোকল কিংবা সরকারি দেহরক্ষী ছাড়াই ব্যক্তিগত গাড়িতে তিনি এই পরিদর্শনে অংশ নেন। এ সময় দুই কার্যালয়ের সেবা কার্যক্রম, কর্মকর্তা উপস্থিতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়ম ও ঘাটতি উঠে আসে। পরিদর্শনের শুরুতে আমিনবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে দেখা যায়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসাইন খান নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি প্রতিমন্ত্রীর আগমনের প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর কার্যালয়ে আসেন।

পরিদর্শনে আরও দেখা যায়, আটজন কর্মকর্তার মধ্যে মাত্র দুজনসার্ভেয়ার ও নামজারি সহকারীনির্ধারিত সময়ে উপস্থিত ছিলেন। অফিসের বাইরে অবস্থান করা কয়েকজন সেবাপ্রার্থী জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে এসে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। প্রতিমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কথা বলে সেবা প্রদানে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে কর্মকর্তাদের উপস্থিতির সময় যাচাই করেন এবং তথ্যকেন্দ্রকামহেল্প ডেস্কের দুর্বল অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

রেকর্ড কিপিং ও ডাটা এন্ট্রি টিমের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায়, ওই ইউনিটের কর্মকর্তারা যথাসময়ে উপস্থিত ছিলেন এবং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী একাধিক রেকর্ড রুম ঘুরে দেখেন। এ সময় কর্মকর্তারা জানান, সার্ভার সমস্যার কারণে মিউটেশন (নামজারি) কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি সার্ভারসংক্রান্ত কাজে নিয়োজিতদের কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দেন। তিনি তথ্যকেন্দ্র পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট জনবল নিয়োগের নির্দেশ দেন এবং সময়ের চেয়ে সেবার মান ও কার্যকারিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল (পলাশবাড়ী), সাভার কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় কার্যালয়সংলগ্ন এলাকায় লাইসেন্সবিহীন নামজারি কার্যক্রম এবং অবৈধ দোকানপাট তার নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে বিষয়টি অবহিত করেন এবং অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। এই আকস্মিক পরিদর্শনে আমিনবাজার ও আশুলিয়াউভয় রাজস্ব সার্কেলেই সেবাদান ব্যবস্থাপনা, উপস্থিতি শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে একাধিক অনিয়ম ও ঘাটতি উঠে আসে