ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খামেনির মরদেহ গ্রহণে নাজাফে পেজেশকিয়ান ও ইরাকি প্রধানমন্ত্রী ৮৫ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইরানের বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত রিপ্লেতে যা দেখা গেল, সালাহ ফাউলের শিকার হননি জুলাইযোদ্ধা হওয়ার প্রায় ২০০টি আবেদনই ভুয়া চীনে টর্নেডোর আঘাতে প্রাণ গেল অন্তত ১৭ জনের কুয়েত-বাহরাইনে ৮৫ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মারধরে প্রাণ গেল ব্রাজিল সমর্থকের এরদোয়ান বিশ্বের একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্র ধ্বংস করার হুমকি দিচ্ছেন: নেতানিয়াহু ব্যবসার স্বার্থে মেসিকে বিশ্বকাপে রাখতে চায় ফিফা: মিশর কোচ

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বিধ্বংসী জবাব’ অপেক্ষা করছে: ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলার পর ওয়াশিংটনকেবিধ্বংসী জবাবদেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের মার্কিন হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের খাতাম আলআম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকেস্পষ্ট আগ্রাসনহিসেবে আখ্যায়িত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার জবাবে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীচূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়ার মতো প্রতিক্রিয়াজানাবে। দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলা দেশটির সার্বভৌমত্বের সরাসরি লঙ্ঘন।

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরেও কঠোর অবস্থান তুলে ধরে সামরিক কমান্ড জানায়, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের নিরাপদ চলাচলের একমাত্র পথ ইরানই নির্ধারণ করবে। অর্থাৎ এ জলপথে নৌচলাচল ও নিরাপত্তা বিষয়ে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব নিজেদের হাতেই রাখতে চায় তেহরান।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন বৈশ্বিক তেল পরিবহনের বড় একটি অংশ এই জলপথ দিয়ে অতিক্রম করে। ফলে এ অঞ্চলে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বেড়েছে। ইরানের উপকূলীয় স্থাপনায় মার্কিন হামলা, তেলবাহী জাহাজকে ঘিরে নিরাপত্তা সংকট এবং হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের দাবির মধ্যে উভয় দেশের বক্তব্য ক্রমেই আরও কঠোর হয়ে উঠছে। তবে ইরানের সর্বশেষ হুঁশিয়ারির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি সামরিক ও কূটনৈতিক অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আকার দিতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনির মরদেহ গ্রহণে নাজাফে পেজেশকিয়ান ও ইরাকি প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বিধ্বংসী জবাব’ অপেক্ষা করছে: ইরান

আপডেট সময় ১০:২২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলার পর ওয়াশিংটনকেবিধ্বংসী জবাবদেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের মার্কিন হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের খাতাম আলআম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকেস্পষ্ট আগ্রাসনহিসেবে আখ্যায়িত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার জবাবে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীচূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়ার মতো প্রতিক্রিয়াজানাবে। দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলা দেশটির সার্বভৌমত্বের সরাসরি লঙ্ঘন।

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরেও কঠোর অবস্থান তুলে ধরে সামরিক কমান্ড জানায়, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের নিরাপদ চলাচলের একমাত্র পথ ইরানই নির্ধারণ করবে। অর্থাৎ এ জলপথে নৌচলাচল ও নিরাপত্তা বিষয়ে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব নিজেদের হাতেই রাখতে চায় তেহরান।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন বৈশ্বিক তেল পরিবহনের বড় একটি অংশ এই জলপথ দিয়ে অতিক্রম করে। ফলে এ অঞ্চলে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বেড়েছে। ইরানের উপকূলীয় স্থাপনায় মার্কিন হামলা, তেলবাহী জাহাজকে ঘিরে নিরাপত্তা সংকট এবং হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের দাবির মধ্যে উভয় দেশের বক্তব্য ক্রমেই আরও কঠোর হয়ে উঠছে। তবে ইরানের সর্বশেষ হুঁশিয়ারির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি সামরিক ও কূটনৈতিক অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আকার দিতে পারে।