ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও ফেলানীর স্মৃতি সরিয়ে ফেলার অভিযোগ নাহিদের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে সীমান্ত হত্যা, ফেলানী হত্যাকাণ্ড ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিসংবলিত কিছু উপাদান সরিয়ে ফেলার অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

শনিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরে আগে বিএসএফের হাতে নিহত বাংলাদেশিদের তালিকা ও ফেলানী হত্যাকাণ্ডের স্মরণে একটি ভাস্কর্য ছিল। বর্তমানে সেগুলো দেখা যাচ্ছে না। একইভাবে মোদিবিরোধী আন্দোলনের কিছু স্মৃতিচিত্রও সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তার মতে, গত ১৬ বছরের রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক, সীমান্ত হত্যা, বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের মতো ঘটনাগুলোও ইতিহাসের অংশ। তাই এসব বিষয় জাদুঘরের উপস্থাপনায় যথাযথ গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস কয়েকজন পরিচিত মুখ বা কোনো নির্দিষ্ট দলকে কেন্দ্র করে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ সময়রেখায় তুলে ধরার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা, ঢাকার বাইরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এসব বিষয়ও ইতিহাসে যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে।

নাহিদ ইসলামের ভাষায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, দল বা নির্দিষ্ট এলাকার আন্দোলন ছিল না। তাই এর ইতিহাসও হতে হবে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের প্রতিচ্ছবি। ভবিষ্যতে জুলাইয়ের ইতিহাস যেন কোনো রাজনৈতিক দলের ইতিহাসে পরিণত না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও ফেলানীর স্মৃতি সরিয়ে ফেলার অভিযোগ নাহিদের

আপডেট সময় ০২:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে সীমান্ত হত্যা, ফেলানী হত্যাকাণ্ড ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিসংবলিত কিছু উপাদান সরিয়ে ফেলার অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

শনিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরে আগে বিএসএফের হাতে নিহত বাংলাদেশিদের তালিকা ও ফেলানী হত্যাকাণ্ডের স্মরণে একটি ভাস্কর্য ছিল। বর্তমানে সেগুলো দেখা যাচ্ছে না। একইভাবে মোদিবিরোধী আন্দোলনের কিছু স্মৃতিচিত্রও সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তার মতে, গত ১৬ বছরের রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক, সীমান্ত হত্যা, বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের মতো ঘটনাগুলোও ইতিহাসের অংশ। তাই এসব বিষয় জাদুঘরের উপস্থাপনায় যথাযথ গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস কয়েকজন পরিচিত মুখ বা কোনো নির্দিষ্ট দলকে কেন্দ্র করে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ সময়রেখায় তুলে ধরার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা, ঢাকার বাইরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এসব বিষয়ও ইতিহাসে যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে।

নাহিদ ইসলামের ভাষায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, দল বা নির্দিষ্ট এলাকার আন্দোলন ছিল না। তাই এর ইতিহাসও হতে হবে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের প্রতিচ্ছবি। ভবিষ্যতে জুলাইয়ের ইতিহাস যেন কোনো রাজনৈতিক দলের ইতিহাসে পরিণত না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।