ঢাকা , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যার বিয়ে তার ঠেকা নাই, পাড়াপড়শির ঘুম নাই: জামায়াত আমির অতিথি না করায় ১৪৪ ধারা জারির মাইকিং, সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার শোষণের শিকল ভাঙতে শিক্ষিত ও সচেতন হতে হবে: সারজিস ’২৭ সালে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণমন্ত্রী ছাত্রদলের গণতান্ত্রিক চর্চা নিয়ে প্রশ্ন সাবেক শিবির সভাপতির ২০৩০ সালের আগে সব ধর্মীয় উপাসনালয় সম্মানিভাতার আওতায় আসবে: রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতা যুদ্ধের বাঁশি বাজিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: রিজভী ইরান তাদের সামরিক বাহিনীর বড় একটি অংশকে বেতন দিতে পারছে না-দাবি ট্রাম্পের রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয় যেভাবে, উঠে এলো সিদ্ধার্থের বর্ণনায় দেশে নতুন কোনো ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেব না: শফিকুর রহমান

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নিম্নমানের চাল, জনপ্রতিনিধিদের দাবি ‘গরুও খাবে না’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৭১ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর বিভিন্ন খাদ্যগুদামে নিম্নমানের চাল সরবরাহ নিয়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। হত দরিদ্র ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় যেসব সুবিধাভোগী এসব চাল পান তা একেবারেই খাওয়ার অযোগ্য। ‌দুর্গাপুর ও বাগমারায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের হাতে ধরা পড়ার পর উঠে আসে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য। একটি চক্র নিম্নমানের চাল সরবরাহ করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এ ঘটনায় একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নিম্নমানের চাল, জনপ্রতিনিধিদের দাবি ‘গরুও খাবে না’
সাইফুর রহমান রকি

নিয়ম অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে তা মিলে ছাঁটাই করে চাল সংগ্রহ করার কথা খাদ্য গুদামগুলোর। কিন্তু তা না করে নিম্নমানের চাল কিনে গুদামে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন খাদ্য বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। সম্প্রতি রাজশাহীর দুর্গাপুর ও বাগমারা উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও খাদ্যবান্ধব প্রকল্পের ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করতে গিয়ে খাবার অনুপযোগী চাল দেখতে পান জনপ্রতিনিধিরা।

এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করলে সরেজমিনে ভবানীগঞ্জ ও দুর্গাপুর খাদ্য গুদাম পরিদর্শনে গিয়ে এর সত্যতা পান। সম্প্রতি চালের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। এতটাই নিম্নমানের চাল যা গবাদি পশু ও খাবেনা বলে মন্তব্য করেন জনপ্রতিনিধিরা। রাজশাহী দুর্গাপুরের জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) রুপালি খাতুন বলেন, ‘চাল ভালো নয়। কোনো বস্তারটিই খাওয়ার যোগ্য নয়। এমনকি গরুও খাবে না।’

রাজশাহী বাগমারার বড়বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন বলেন, ‘ফুড অফিস বা সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা এই নিম্নমানের চাল কিনেছেন অতিরিক্ত মুনাফার জন্য। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখানে প্রায় ২৩ ধরনের চাল সংগ্রহ করেছি। নমুনা সংগ্রহ করেছি। সেগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের। আমরা এটার মান স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছি।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যার বিয়ে তার ঠেকা নাই, পাড়াপড়শির ঘুম নাই: জামায়াত আমির

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নিম্নমানের চাল, জনপ্রতিনিধিদের দাবি ‘গরুও খাবে না’

আপডেট সময় ১২:১৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

রাজশাহীর বিভিন্ন খাদ্যগুদামে নিম্নমানের চাল সরবরাহ নিয়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। হত দরিদ্র ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় যেসব সুবিধাভোগী এসব চাল পান তা একেবারেই খাওয়ার অযোগ্য। ‌দুর্গাপুর ও বাগমারায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের হাতে ধরা পড়ার পর উঠে আসে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য। একটি চক্র নিম্নমানের চাল সরবরাহ করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এ ঘটনায় একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নিম্নমানের চাল, জনপ্রতিনিধিদের দাবি ‘গরুও খাবে না’
সাইফুর রহমান রকি

নিয়ম অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে তা মিলে ছাঁটাই করে চাল সংগ্রহ করার কথা খাদ্য গুদামগুলোর। কিন্তু তা না করে নিম্নমানের চাল কিনে গুদামে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন খাদ্য বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। সম্প্রতি রাজশাহীর দুর্গাপুর ও বাগমারা উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও খাদ্যবান্ধব প্রকল্পের ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করতে গিয়ে খাবার অনুপযোগী চাল দেখতে পান জনপ্রতিনিধিরা।

এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করলে সরেজমিনে ভবানীগঞ্জ ও দুর্গাপুর খাদ্য গুদাম পরিদর্শনে গিয়ে এর সত্যতা পান। সম্প্রতি চালের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। এতটাই নিম্নমানের চাল যা গবাদি পশু ও খাবেনা বলে মন্তব্য করেন জনপ্রতিনিধিরা। রাজশাহী দুর্গাপুরের জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) রুপালি খাতুন বলেন, ‘চাল ভালো নয়। কোনো বস্তারটিই খাওয়ার যোগ্য নয়। এমনকি গরুও খাবে না।’

রাজশাহী বাগমারার বড়বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন বলেন, ‘ফুড অফিস বা সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা এই নিম্নমানের চাল কিনেছেন অতিরিক্ত মুনাফার জন্য। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখানে প্রায় ২৩ ধরনের চাল সংগ্রহ করেছি। নমুনা সংগ্রহ করেছি। সেগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের। আমরা এটার মান স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছি।’