ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের পাশে স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসকেরা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনে বিজেপি ও শরিকদের অস্বস্তি রান্নার সময় মাংসের রং হলো সবুজ, কড়াই নিয়ে থানায় হাজির শিশুকে বলাৎকার করে মাদরাসাশিক্ষক বললেন, ‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ তারেক রহমানের পাঙ্খা গজাইছে, সব পাঙ্খা ভেঙে মাটিতে পড়ে যাবে: পাটওয়ারী যে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে লাল কার্ড ধরিয়ে দিতে চান পাটওয়ারী, সেই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন সারজিস আলম সরকারি নির্দেশেই দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ, দাবি টেলিকম সংস্থাগুলোর বাবাকে হারিয়েও থামেনি জীবন, রাতের ডিউটি শেষে সকালে এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন ইকন মেয়েটা যে অরক্ষিত হলো, এই দায়ভার কে নেবে: মনিরা শারমিন

সমালোচনার ঝড়ে গা ঢাকা দিলেন আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের ‘বিতর্কিত’ রেফারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

শ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়ের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন রেফারিং। মিসরের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানের সেই ম্যাচে একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জেরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়া।

 

ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ফুটবলভক্তরা। বিশেষ করে মিসরের সমর্থকরা রেফারির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, ক্রমাগত ট্রল ও আক্রমণাত্মক মন্তব্যের মুখে পড়ে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন লেতেক্সিয়া।

 

জানা গেছে, প্রথমে সমালোচনা ঠেকাতে নিজের পোস্টে কমেন্ট করার সুযোগ সীমিত করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাতেও সমালোচনার ঝড় থামেনি। শেষ পর্যন্ত পুরো অ্যাকাউন্টই ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেন এই ফরাসি ম্যাচ অফিসিয়াল।

 

ম্যাচের সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয় যোগ করা সময়ে। মিসরের দাবি, ডি-বক্সের ভেতরে তাদের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় মোহাম্মেদ সালাহ ফাউলের শিকার হলেও পেনাল্টি দেওয়া হয়নি। ঠিক এর পরের আক্রমণেই আর্জেন্টিনার হয়ে জয়সূচক গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ, যা ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়।

 

এই সিদ্ধান্তসহ আরও কয়েকটি মুহূর্ত নিয়ে ম্যাচ চলাকালীন ও পরবর্তীতে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। মিসরের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফও প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানিয়েছেন রেফারিং নিয়ে।

 

ঘটনা এখানেই থেমে নেই। মিসরীয় ফুটবল ফেডারেশন ইতোমধ্যে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। তাদের দাবি, রেফারির একাধিক গুরুতর ভুল এবং পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তের কারণেই তারা টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী

সমালোচনার ঝড়ে গা ঢাকা দিলেন আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের ‘বিতর্কিত’ রেফারি

আপডেট সময় ১২:৩৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

শ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়ের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন রেফারিং। মিসরের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানের সেই ম্যাচে একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জেরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়া।

 

ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ফুটবলভক্তরা। বিশেষ করে মিসরের সমর্থকরা রেফারির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, ক্রমাগত ট্রল ও আক্রমণাত্মক মন্তব্যের মুখে পড়ে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন লেতেক্সিয়া।

 

জানা গেছে, প্রথমে সমালোচনা ঠেকাতে নিজের পোস্টে কমেন্ট করার সুযোগ সীমিত করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাতেও সমালোচনার ঝড় থামেনি। শেষ পর্যন্ত পুরো অ্যাকাউন্টই ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেন এই ফরাসি ম্যাচ অফিসিয়াল।

 

ম্যাচের সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয় যোগ করা সময়ে। মিসরের দাবি, ডি-বক্সের ভেতরে তাদের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় মোহাম্মেদ সালাহ ফাউলের শিকার হলেও পেনাল্টি দেওয়া হয়নি। ঠিক এর পরের আক্রমণেই আর্জেন্টিনার হয়ে জয়সূচক গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ, যা ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়।

 

এই সিদ্ধান্তসহ আরও কয়েকটি মুহূর্ত নিয়ে ম্যাচ চলাকালীন ও পরবর্তীতে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। মিসরের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফও প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানিয়েছেন রেফারিং নিয়ে।

 

ঘটনা এখানেই থেমে নেই। মিসরীয় ফুটবল ফেডারেশন ইতোমধ্যে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। তাদের দাবি, রেফারির একাধিক গুরুতর ভুল এবং পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তের কারণেই তারা টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছে।