ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চীনা জে-১০সি যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, নজর রাখছে ভারত সরকারি হাসপাতালে জন্ম নিলেই স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়ার ঘোষণা বিজয় থালাপতির খালের পাড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি রয়েছে: ত্রাণমন্ত্রী ঈশ্বরের কাছে আরেকটি বিশ্বকাপ চাওয়া অনেক বেশি হয়ে যাবে: মেসি বিশ্বকাপে আগেও ব্রাজিলকে ‘ডুবিয়েছিল’ বিতর্কিত এই রেফারি ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, মার্কিন কারাগার থেকে ঐক্যের ডাক মাদুরোর ইরান যুদ্ধের জরুরি ব্যয়ের জন্য ৮৭৬০ কোটি ডলার চাইলেন ট্রাম্প একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রই পারে বিশ্বযুদ্ধ ঠেকাতে: রাশিয়া মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনে ন্যাটো সরাসরি জড়িত: ইরান ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

ভয় ধরাচ্ছে নতুন হান্টাভাইরাস, যা বলছে ডব্লিউএইচও

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

 

বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে হান্টাভাইরাস। আটলান্টিক মহাসাগরে ভ্রমণরত একটি প্রমোদতরীতে এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হলেও, এটিকে নতুন কোনো মহামারির সূচনা নয় বলে আশ্বস্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

 

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৮ মে) পর্যন্ত সন্দেহভাজন ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের দেহে হান্টাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া সবগুলো সংক্রমণই ‘অ্যান্ডিস ভাইরাস’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

 

ডব্লিউএইচও জানায়, একটি প্রমোদতরীতে প্রাদুর্ভাবের পর ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া কোনো পরিস্থিতি নয়।

 

সংস্থার সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান ক্যারকোভ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আক্রান্ত জাহাজের সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসছেন, তাদের আরও বেশি সুরক্ষামূলক পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি জানান, হান্টাভাইরাস সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে ছড়ায় এবং এর সংক্রমণ পদ্ধতি কোভিড-১৯ বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো নয়। ফলে এ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

মারিয়া ভ্যান ক্যারকোভ আরও বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি ছয় বছর আগের কোভিড মহামারির শুরুর সময়ের মতো নয়। এটি কোনো নতুন মহামারির সূচনা নয়, বরং একটি সীমিত প্রাদুর্ভাব, যা একটি জাহাজে দেখা যাচ্ছে।”

 

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে একটি দম্পতি আগে এমন কিছু এলাকায় ভ্রমণ করেছিলেন, যেখানে হান্টাভাইরাস বহনকারী ইঁদুরের উপস্থিতি ছিল।

 

সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস বলেন, কীভাবে এই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে তা এখনও তদন্তাধীন। জানা গেছে, সংক্রমিত প্রথম দুই ব্যক্তি আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়েতে পাখি পর্যবেক্ষণে গিয়েছিলেন এবং সেখানে সম্ভাব্য সংক্রমণের উৎসের সংস্পর্শে আসেন।

 

তিনি আরও জানান, আক্রান্তদের ভ্রমণ ইতিহাস ও সংক্রমণের উৎস শনাক্তে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে ডব্লিউএইচও।

 

সূত্র: বিবিসি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা জে-১০সি যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, নজর রাখছে ভারত

ভয় ধরাচ্ছে নতুন হান্টাভাইরাস, যা বলছে ডব্লিউএইচও

আপডেট সময় ১২:০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

 

বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে হান্টাভাইরাস। আটলান্টিক মহাসাগরে ভ্রমণরত একটি প্রমোদতরীতে এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হলেও, এটিকে নতুন কোনো মহামারির সূচনা নয় বলে আশ্বস্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

 

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৮ মে) পর্যন্ত সন্দেহভাজন ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের দেহে হান্টাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া সবগুলো সংক্রমণই ‘অ্যান্ডিস ভাইরাস’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

 

ডব্লিউএইচও জানায়, একটি প্রমোদতরীতে প্রাদুর্ভাবের পর ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া কোনো পরিস্থিতি নয়।

 

সংস্থার সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান ক্যারকোভ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আক্রান্ত জাহাজের সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসছেন, তাদের আরও বেশি সুরক্ষামূলক পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি জানান, হান্টাভাইরাস সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে ছড়ায় এবং এর সংক্রমণ পদ্ধতি কোভিড-১৯ বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো নয়। ফলে এ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

মারিয়া ভ্যান ক্যারকোভ আরও বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি ছয় বছর আগের কোভিড মহামারির শুরুর সময়ের মতো নয়। এটি কোনো নতুন মহামারির সূচনা নয়, বরং একটি সীমিত প্রাদুর্ভাব, যা একটি জাহাজে দেখা যাচ্ছে।”

 

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে একটি দম্পতি আগে এমন কিছু এলাকায় ভ্রমণ করেছিলেন, যেখানে হান্টাভাইরাস বহনকারী ইঁদুরের উপস্থিতি ছিল।

 

সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস বলেন, কীভাবে এই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে তা এখনও তদন্তাধীন। জানা গেছে, সংক্রমিত প্রথম দুই ব্যক্তি আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়েতে পাখি পর্যবেক্ষণে গিয়েছিলেন এবং সেখানে সম্ভাব্য সংক্রমণের উৎসের সংস্পর্শে আসেন।

 

তিনি আরও জানান, আক্রান্তদের ভ্রমণ ইতিহাস ও সংক্রমণের উৎস শনাক্তে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে ডব্লিউএইচও।

 

সূত্র: বিবিসি