ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক শিশুর অনুরোধে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ‘চুক্তিতে’ স্বাক্ষর করলেন স্কালোনি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের এবার ইরানে স্থলসেনা নামানোর ছক যুক্তরাষ্ট্রের, ভয়ংকর পরিকল্পনা ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষায় ছাত্রদলের দুই নেতার হাতাহাতি ইরানে হামলায় যুক্তরাজ্যের কোনো ঘাঁটি ব্যবহৃত হলে তা হবে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসি কৃষক সেজে ফসলি মাঠ থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে ধরল পুলিশ সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে কোন বাধা নেই: শিশির মনির

শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী হচ্ছে: সেনা প্রধান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী হচ্ছে জানিয়ে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকারউজজামান বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষার নতুন উদ্যোগ হিসেবে হাইতিতে গঠিতগ্যাং সাপ্রেশন ফোর্স’-এ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নেবেন। বুধবার (১০ জুন) ঢাকার সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জেনারেল ওয়াকারউজজামান জানান, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নয়টি মিশনে বাংলাদেশের সর্বমোট ৪ হাজার ২১২ জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত আছেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে ৩ হাজার ৬০৮ জন, নৌবাহিনীর ৩০২ জন, বিমান বাহিনীর ২৬৭ জন এবং পুলিশের ৩৫ জন সদস্য রয়েছেন। পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরাও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘অদ্যাবধি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের সর্বমোট ৩ হাজার ৯০৫ জন মহিলা শান্তিরক্ষী সফলভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ২৯৪ জন মহিলা সদস্য শান্তি রক্ষার কাজে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় নিয়োজিত আছেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ‘জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৮৮ সাল থেকে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছে বাংলাদেশ। আজ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ একটি স্বীকৃত এবং অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নাম। তবে বর্তমান বিশ্বে শান্তিরক্ষা মিশনের প্রকৃত চ্যালেঞ্জ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আমাদের শান্তিরক্ষীরা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উন্নত প্রশিক্ষণ, নৈতিক মূল্যবোধ, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার প্রমাণ রেখে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য সদা প্রস্তুত আছেন।

জাতিসংঘের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির ব্যবহার, চিকিৎসা ও প্রকৌশল সহায়তা এবং নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান

শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী হচ্ছে: সেনা প্রধান

আপডেট সময় ১২:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী হচ্ছে জানিয়ে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকারউজজামান বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষার নতুন উদ্যোগ হিসেবে হাইতিতে গঠিতগ্যাং সাপ্রেশন ফোর্স’-এ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নেবেন। বুধবার (১০ জুন) ঢাকার সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জেনারেল ওয়াকারউজজামান জানান, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নয়টি মিশনে বাংলাদেশের সর্বমোট ৪ হাজার ২১২ জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত আছেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে ৩ হাজার ৬০৮ জন, নৌবাহিনীর ৩০২ জন, বিমান বাহিনীর ২৬৭ জন এবং পুলিশের ৩৫ জন সদস্য রয়েছেন। পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরাও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘অদ্যাবধি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের সর্বমোট ৩ হাজার ৯০৫ জন মহিলা শান্তিরক্ষী সফলভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ২৯৪ জন মহিলা সদস্য শান্তি রক্ষার কাজে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় নিয়োজিত আছেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ‘জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৮৮ সাল থেকে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছে বাংলাদেশ। আজ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ একটি স্বীকৃত এবং অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নাম। তবে বর্তমান বিশ্বে শান্তিরক্ষা মিশনের প্রকৃত চ্যালেঞ্জ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আমাদের শান্তিরক্ষীরা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উন্নত প্রশিক্ষণ, নৈতিক মূল্যবোধ, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার প্রমাণ রেখে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য সদা প্রস্তুত আছেন।

জাতিসংঘের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির ব্যবহার, চিকিৎসা ও প্রকৌশল সহায়তা এবং নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।