ঢাকা , মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে ‘১০০% নিয়ন্ত্রণ’ মার্কিন নৌবাহিনীর: ট্রাম্প সাকিব ভালো খেলোয়াড়, তবে মানুষ হিসেবে ‘নষ্ট ও পচে যাওয়া’: তথ্য উপদেষ্টা কাল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ টাইগারদের জন্য বড় সুখবর, ২০২৭ বিশ্বকাপ সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ! দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে এমপি পদ থাকবে না: চিফ হুইপ একদিকে চিকিৎসকরা চাচ্ছেন পরিচালকের পদ/ত্যাগ, অন্যদিকে কর্মচারীদের অবস্থান বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত মাসিক ভাতা দেওয়ার পরও খেপ খেলছেন জাতীয় দলের ফুটবলাররা, ক্ষুব্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী  একদিকে চিকিৎসকরা চাচ্ছেন পরিচালকের পদ/ত্যাগ, অন্যদিকে কর্মচারীদের অবস্থান

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের বীরত্বের ইতিহাস নেই: রিজভী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:২৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের কোনো বীরত্বের ইতিহাস নেই, তাদের রয়েছে দালালির ইতিহাস—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। পরে সংগঠন দুটির নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে পল্টনে গিয়ে শেষ করেন।

রিজভী বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে এবং গেরিলা যোদ্ধাদের আস্তানা চিনিয়ে দিয়েছে, তাদের কোনো বীরত্বের ইতিহাস নেই। স্বাধীনতার পরও তারা বিভিন্নভাবে সুবিধা নিয়েছে এবং দালালি করেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট ও কলঙ্কিত করার চেষ্টা চলছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতার গৌরবময় অর্জন উল্লেখ করে রিজভী বলেন, এই ইতিহাসকে কোনোভাবেই খাটো করার সুযোগ নেই।

তার ভাষ্য, মুক্তিযোদ্ধারা সীমান্তে যুদ্ধ করেছেন, রক্ত দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার পেয়েছে এবং বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, ১৯৭১-এর চেতনা মানুষের মধ্যে ধারণ করা ছিল বলেই পরবর্তী সময়ে অধিকার সংকুচিত হওয়া এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্ম রাজপথে নেমেছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১-এর পথ ধরেই ১৯৯০-এর গণআন্দোলন হয়েছে এবং একই ধারাবাহিকতায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানও সংঘটিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকেই নতুন প্রজন্ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।

১৯৭১ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, কোনটি বড় বা কোনটি ছোট—এভাবে দুটি ঘটনাকে বিচার করার কোনো সুযোগ নেই। ১৯৭১ বাংলাদেশের গৌরবের ইতিহাস, আর জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান সেই দীর্ঘ সংগ্রামেরই ধারাবাহিক অংশ।

জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত বা খাটো করার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের নতুন ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর এই প্রচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি জাহেদুল হক শামীম ও সহসভাপতি ড. কে এম আই মন্টিসহ সংগঠন দুটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের বীরত্বের ইতিহাস নেই: রিজভী

আপডেট সময় ০২:২৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের কোনো বীরত্বের ইতিহাস নেই, তাদের রয়েছে দালালির ইতিহাস—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। পরে সংগঠন দুটির নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে পল্টনে গিয়ে শেষ করেন।

রিজভী বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে এবং গেরিলা যোদ্ধাদের আস্তানা চিনিয়ে দিয়েছে, তাদের কোনো বীরত্বের ইতিহাস নেই। স্বাধীনতার পরও তারা বিভিন্নভাবে সুবিধা নিয়েছে এবং দালালি করেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট ও কলঙ্কিত করার চেষ্টা চলছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতার গৌরবময় অর্জন উল্লেখ করে রিজভী বলেন, এই ইতিহাসকে কোনোভাবেই খাটো করার সুযোগ নেই।

তার ভাষ্য, মুক্তিযোদ্ধারা সীমান্তে যুদ্ধ করেছেন, রক্ত দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার পেয়েছে এবং বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, ১৯৭১-এর চেতনা মানুষের মধ্যে ধারণ করা ছিল বলেই পরবর্তী সময়ে অধিকার সংকুচিত হওয়া এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্ম রাজপথে নেমেছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১-এর পথ ধরেই ১৯৯০-এর গণআন্দোলন হয়েছে এবং একই ধারাবাহিকতায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানও সংঘটিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকেই নতুন প্রজন্ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।

১৯৭১ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, কোনটি বড় বা কোনটি ছোট—এভাবে দুটি ঘটনাকে বিচার করার কোনো সুযোগ নেই। ১৯৭১ বাংলাদেশের গৌরবের ইতিহাস, আর জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান সেই দীর্ঘ সংগ্রামেরই ধারাবাহিক অংশ।

জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত বা খাটো করার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের নতুন ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর এই প্রচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি জাহেদুল হক শামীম ও সহসভাপতি ড. কে এম আই মন্টিসহ সংগঠন দুটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।