ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রাইভেট পড়তে গিয়েছিল শিশু রাকা, পাওয়া গেল বস্তাবন্দী মরদেহ ইরান নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কৌশলগত বিপর্যয়: ট্রাম্প ‘সম্মান রক্ষার পথ’ খুঁজছেন—আন্দ্রেয়া দেসি বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক আরও গভীর হবে: নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ট্রাক হেলপার থেকে ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী—কোটিপতি নুরুল কবিরকে ঘিরে জুয়া ও মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আলোচনা হলো, ব্রিফিং নয়—নয়াদিল্লিতে নীরবতায় শেষ বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক মসজিদ থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা বাজেট নিয়ে সমালোচনা, ‘ছায়া বাজেট বেশি জনবান্ধব’ দাবি ‘ব্রাজিলের কোচ হওয়া রাষ্ট্রপ্রধানের চেয়েও বেশি চাপের’ যার ভবিষ্যতের জন্য গড়েছিলেন সম্পদ, জীবন দিয়ে মূল্য চুকালেন বৃদ্ধ পিতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্কুলজীবনের বন্ধু জসিম উদ্দিন এবার কউকের চেয়ারম্যান

গাছ কাটার অভি’যোগে জামায়াত ও আ.লীগ নেতা ঘিরে বি’ত’র্ক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

রংপুরে সামাজিক বনায়নের অর্ধশত গাছ কাটার অভিযোগ, জামায়াত-আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

রংপুরের মিঠাপুকুরে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির প্রায় অর্ধশত গাছ কেটে বিক্রির চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, লতিবপুর ইউনিয়নের তিনতলা হাট ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন রাস্তার পাশে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় লাগানো ইউক্যালিপটাস গাছগুলো কাটা হয়। স্থানীয়দের দাবি, ঝড়ে কয়েকটি গাছ উপড়ে পড়ার অজুহাতে প্রায় ৫০টি গাছ কেটে ফেলা হয় এবং পরে সেগুলো স্তূপ করে রাখা হয়।

অভিযুক্তরা হলেন লতিবপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি সাফায়াত আলী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা বিপ্লব মিয়া। অভিযোগ রয়েছে, কোনো টেন্ডার বা সরকারি অনুমতি ছাড়াই গাছগুলো গোপনে বিক্রির চেষ্টা চলছে এবং এক কাঠ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অগ্রিম ১০ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়ও জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার দুই পাশের মোটা ও মূল্যবান গাছগুলোই কেটে ফেলা হয়েছে। তবে গাছ রোপণকারী সমিতি বা অনুমোদন সংক্রান্ত কোনো বৈধ নথি পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতা মোস্তাফিজার রহমান বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই গাছ কাটতে হয়, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অন্যদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য জানান, অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটার ঘটনা ঘটেছে এবং বিষয়টি তাকে জানানো হলেও কেউ গুরুত্ব দেয়নি।

অভিযুক্তদের মধ্যে একজন ঝড়ে পড়া গাছ কাটার কথা স্বীকার করলেও অতিরিক্ত গাছ কাটার ও টাকা লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করেন। অন্য অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মিঠাপুকুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানিয়েছেন, সরকারি রাস্তায় থাকা গাছ নিয়ম ছাড়া কাটার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাইভেট পড়তে গিয়েছিল শিশু রাকা, পাওয়া গেল বস্তাবন্দী মরদেহ

গাছ কাটার অভি’যোগে জামায়াত ও আ.লীগ নেতা ঘিরে বি’ত’র্ক

আপডেট সময় ০১:৩৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

রংপুরে সামাজিক বনায়নের অর্ধশত গাছ কাটার অভিযোগ, জামায়াত-আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

রংপুরের মিঠাপুকুরে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির প্রায় অর্ধশত গাছ কেটে বিক্রির চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, লতিবপুর ইউনিয়নের তিনতলা হাট ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন রাস্তার পাশে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় লাগানো ইউক্যালিপটাস গাছগুলো কাটা হয়। স্থানীয়দের দাবি, ঝড়ে কয়েকটি গাছ উপড়ে পড়ার অজুহাতে প্রায় ৫০টি গাছ কেটে ফেলা হয় এবং পরে সেগুলো স্তূপ করে রাখা হয়।

অভিযুক্তরা হলেন লতিবপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি সাফায়াত আলী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা বিপ্লব মিয়া। অভিযোগ রয়েছে, কোনো টেন্ডার বা সরকারি অনুমতি ছাড়াই গাছগুলো গোপনে বিক্রির চেষ্টা চলছে এবং এক কাঠ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অগ্রিম ১০ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়ও জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার দুই পাশের মোটা ও মূল্যবান গাছগুলোই কেটে ফেলা হয়েছে। তবে গাছ রোপণকারী সমিতি বা অনুমোদন সংক্রান্ত কোনো বৈধ নথি পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতা মোস্তাফিজার রহমান বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই গাছ কাটতে হয়, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অন্যদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য জানান, অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটার ঘটনা ঘটেছে এবং বিষয়টি তাকে জানানো হলেও কেউ গুরুত্ব দেয়নি।

অভিযুক্তদের মধ্যে একজন ঝড়ে পড়া গাছ কাটার কথা স্বীকার করলেও অতিরিক্ত গাছ কাটার ও টাকা লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করেন। অন্য অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মিঠাপুকুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানিয়েছেন, সরকারি রাস্তায় থাকা গাছ নিয়ম ছাড়া কাটার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।